‘আমি নিশ্চিত হল কম পাব, তবে আসল খেলা…’: এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র-র সাথে দেশু ৭, একেন, বহুরূপী২-র টক্কর নিয়ে বললেন সৃজিত
সৃজিতের মতে পুজোর কোন ছবি কতটা সফল বোঝা যাবে সে কত ব্যবসা করল, আর কত বাজেটে তৈরি সেই হিসেবের উপর নির্ভর করে। তবে তিনি নিশ্চিত দেশু ৭, একেন, বহুরূপীদের সঙ্গে টক্করে হল কম পাবে তাঁর ছবি ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’।
দুর্গাপুজোয় সৃজিৎ মুখোপাধ্যায় আসছেন ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ ছবি নিয়ে। এমনিতেই এই সময়টা বাংলা ছবিগুলির নিজেদের মধ্যেই বেশ একটা টক্কর চলে। প্রতি বছরই পুজোর সময় বেশ গরম হয়ে ওঠে চারপাশ। তারকারা নিজেরা তা খুব একটা স্বীকার নিজমুখে না করলেও, বেশ টের পাওয়া যায়। এই কদিন আগেই যেমন এক স্যালোঁ-র উদ্বোধনে গিয়ে দেব বলেছিলেন তাঁর দেশু ৭ ছবির প্রথম গান ‘তোর শুধু তোর’ প্রথম দু দিন ইউটিউব সার্চেই আসেনি। অভিনেতার মতে, কোনো বিশেষ প্রযোজনা সংস্থার কলকাঠি এর পিছনে। এবার সৃজিতও একবাক্যে মেনে নিলেন যে, দেশু ৭-একেন-বহুরূপী ২-এর সঙ্গে টক্করে তিনি নিশ্চিত যে হল কম পাবেন।

এক সাক্ষাৎকারে প্রতিদিনকে সৃজিৎ মুখোপাধ্যায় জানান, ‘প্রভূত আশঙ্কা ও সম্ভাবনা আছে হল না পাওয়ার। খুব একটা বেশি হল পাব না বলেই আমি নিশ্চিত। দেশু সেভেন বা একেন বা উইন্ডোজের বহুরূপী এরাই বেশি হল পাবে। তবে আসল খেলাটা RY-এ, রিটার্ন অন ইনভেন্টমেন্ট। কারণ আমাদের বাজেট সবচেয়ে কম। যে ছবিগুলি মুক্ত পাচ্ছে তাদের থেকে। আমাদের কম সংখ্যক হলেও যদি ছবিগুলো মানুষের ভালোবাসা পায়, তাহলে ছবি হিট হতে বাধ্য। আমাদের সেই জায়গা থেকে দেখতে হবে। কতগুলো শো, কত বাজেট, এগুলো নির্ধারণ করবে পুজোয় কে এগিয়ে থাকবে।’
এর কী সমাধান জানতে চাওয়া হলে সৃজিতের থেকে জবাব আসে, ‘চারজন প্রযোজনা সংস্থা সমান শক্তিশালী হয় তাহলে হতে পারে। এখন তো তেমন নয়। কিছু প্রযোজনা সংস্থা বেশি অভিজ্ঞ, বেশি পোড় খাওয়া, বেশিদিন ধরে আছে। কিছু প্রযোজনা সংস্থা এখন শুরু করছে। একটা জায়গায় তাঁরা পৌঁছচ্ছে। একই জায়গায় একইভাবে শক্তিশালী লোকজন এলেই সমবন্টন হবে।’
প্রসঙ্গত, কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী রাজনৈতিক উপন্যাস 'পথের দাবী'-এর শতবর্ষ পূর্তিকে কেন্দ্র করে তৈরি হচ্ছে এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে দেখা যাবে আবির চট্টোপাধ্যায়, টোটা রায় চৌধুরী, এবং মিমি চক্রবর্তীকে। 'নন্দী মুভিজ'-এর ব্যানারে প্রদীপ কুমার নন্দী প্রযোজনা করছেন। মজার ব্যাপার হল, প্রথমে এটি প্রযোজনার কথা ছিল এসভিএফ ও দাগ ক্রিয়েটিভ মিডিয়ার। পরে প্রযোজক পরিবর্তন হয়। আর এসভিএফ থেকে পুজোয় আসছে একেন বাবু। বরাবরই দর্শকদের মধ্যে আবির চট্টোপাধ্যায় জনপ্রিয়। টলিপাড়ার ছুপা রুস্তম বললেও কিছু ভুল হয় না। সঙ্গে পুজোয় সৃজিতের ছবির দর্শকও আছে। এখন দেখার দেশু ৭, দ্য একেন: কেরালায় কুরুক্ষেত্র, বহুরূপী: দ্য গোল্ডেন ডাকু-কে কতটা টক্কর দিতে পারে এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র। শেষ হাসিই বা কোন সিনেমা টিমের মুখে ফোটে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


