নাকোচ নয়! জিতুর প্রেমের প্রস্তাবে সৃজলার রহস্যময় প্রতিক্রিয়া, শনকে নিয়ে উদ্বেগ অনুরাগীদের, হল কটাক্ষ

রিয়্যালিটি শো নাকি বাস্তব? বিগ বস বাংলার অন্দরে সম্পর্কের সমীকরণ দ্রুত বদলাচ্ছে। ঘরে নতুন প্রেমের হাওয়া। সৃজলা কী জবাব দিলেন জীতুে? 

Published on: Nov 7, 2026, 09:30:48 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

‘বিগ বস বাংলা’-র ঘরের উত্তাপ এখন চরমে। গত পর্বে অভিনেতা জীতু কমল যখন জীবনের সমস্ত সমীকরণ পাশে সরিয়ে সম্পূর্ণ সততার সাথে সৃজলা গুহ-কে স্পষ্ট ভাষায় প্রেমের প্রস্তাব দিলেন এবং একটি সোজা জবাব (‘Yes or No’) চাইলেন, ঠিক তখনই সৃজলার দেওয়া প্রতিক্রিয়া দেখে রীতিমতো ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন নেটিজেনরা।

জিতুর প্রেমের প্রস্তাবে সৃজলার রহস্যময় প্রতিক্রিয়া, শনকে নিয়ে উদ্বেগ অনুরাগীদের, হল কটাক্ষ
জিতুর প্রেমের প্রস্তাবে সৃজলার রহস্যময় প্রতিক্রিয়া, শনকে নিয়ে উদ্বেগ অনুরাগীদের, হল কটাক্ষ

সোজা ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’ না বলে মৃদু হেসে ‘এমন কোরো না... এমন কোরো না’ বলে এড়িয়ে যাওয়ার এই প্রবণতাটিকেই প্রাধান্য় দিতে থাকেন সৃজলা। এখন নেটপাড়ায় সৃজলার সবাইকে ঝুলিয়ে রাখার পার্সোনালিটি হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।

ব্যক্তিত্বের বিশ্লেষণ: প্রশ্রয় বনাম কৌশলগত নীরবতা

একজন নারীর অনুভূতি বা পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা সবসময়ই তীব্র হয়। সৃজলার নিজের কথাবাতাতেই বহুবার স্পষ্ট হয়েছে যে, জীতু তাঁর প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ছেন বা প্রেমে পড়ছেন— তা তিনি খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারছিলেন।

যদি তিনি জীতুকে কেবল বন্ধু হিসেবেই দেখতেন, তবে শুরু থেকেই উপযুক্ত সীমা টানা উচিত ছিল, বলে জানাচ্ছে নেটপাড়ার একটা বড় অংশ। কিন্তু সারাক্ষণ একসঙ্গে সময় কাটানো, গল্প করা, মিষ্টি আড্ডা দেওয়া এবং পরবর্তীতে প্রকাশ্য প্রস্তাবের মুখে দাঁড়িয়ে নরম সুরে ‘এমন কোরো না’ বলাকে সাধারণ দর্শকদের অনেকেই ‘প্রশ্রয় দেওয়া’র প্রবণতা হিসেবেই দেখছেন।

‘সবার প্রিয়’ হয়ে থাকার মানসিকতা: ট্রোলারদের একাংশের মতে, সৃজলা এমন এক ধরণের ব্যক্তিত্ব প্রদর্শন করছেন যেখানে তিনি কাউকেই সম্পূর্ণভাবে হাতছাড়াও করতে চান না, আবার স্পষ্ট কোনো দায়বদ্ধতাও নিতে চান না। ফলে স্পষ্ট অবস্থান না নিয়ে মাঝপথে ঝুলিয়ে রাখাটাকেই অনেকে তাঁর অহংকার এবং কোনো ভুল স্বীকার না করার মানসিকতা বলে চিহ্নিত করছেন।

নেটপাড়ায় কটাক্ষ ও দর্শকদের প্রতিক্রিয়া:

জীতু কমলের মতো একজন অভিনেতা যখন প্রকাশ্যে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করলেন, তখন সৃজলার এই গোলমেলে প্রতিক্রিয়া দেখে তাঁর অনুরাগী ও সাধারণ নেটিজেনদের বড় একটি অংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

সোশাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ট্রেন্ড করছে যে, সৃজলা রিয়্যালিটি শো-তে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে এবং ড্রামা বজায় রাখতে জীতুর ফিলিংসকে ব্যবহার করছেন। নেটপাড়ার একাংশ জীতু কমলের এই স্পষ্টভাষী প্রস্তাবের প্রশংসা করলেও, সৃজলার এই ধাঁধা মার্কা অবস্থানের জন্য জীতুকে সজাগ থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার শন বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। মুখে স্বীকার না করলেও শন-সৃজলার প্রেম টলিপাড়ার ওপেন সিক্রেট। শনেরও বিগ বসের ঘরে আসার কথা ছিল। কিন্তু ওপেনিং এপিসোডের প্রোমো শ্যুট করতে গিয়ে পায়ে চোট পেয়ে সোজা হাসপাতালে পৌঁছে যান শন। একটু একটু করে সেরে উঠছেন মন ফাগুন নায়ক। তবে জীতুর মনের এই আগুন দেখে শন কী করছেন?

সব মিলিয়ে, বিগ বসের মঞ্চে এটি সৃজলার আসল ব্যক্তিত্ব নাকি গেমপ্ল্যান— তা নিয়ে বিতর্ক থামার কোনো লক্ষণ নেই!

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More