Kangana Ranaut-Hrithik Roshan: ‘সাবাকে নিয়ে খুশি থাকো… সঙ্গীকে লজ্জিত করো না’! ‘সিলি এক্স’ হৃতিককে খোলা চিঠি কঙ্গনার

একযুগ পর প্রকাশ্যে হৃতিক রোশনকে খোলা চিঠি কঙ্গনার। ‘সরি হৃতিক রোশন’ ট্রেন্ড নিয়ে নায়ক মুখ খুলতেই রেগে আগুন কঙ্গনা। সরাসরি হৃতিকের বর্তমান প্রেমিকাকে টেনে দিলেন জবাব। কী ঘটেছে?

Published on: Aug 2, 2026, 09:06:40 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

২০১৬ সালের চর্চিত ও বিতর্কিত হৃতিক রোশন এবং কঙ্গনা রানাউত ‘প্রেমের আখ্যান’-এর ছাইচাপা আগুন ফের উসকে গেল! সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া 'উই নিড টু অ্যাপোলজাইজ টু হৃতিক রোশন' (We need to apologise to Hrithik Roshan) ট্রেন্ড নিয়ে মুখ খুলেছিলেন হৃতিক রোশন। আর সেই মন্তব্যের পরপরই সোজা নাম নিয়ে হৃতিক রোশনকে নিশানা করে সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপি সাংসদ ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। হৃতিকের বর্তমান প্রেমিকা সাবা আজাদের নাম টেনে কঙ্গনার স্পষ্ট বার্তা— ‘নতুন সঙ্গীকে লজ্জিত না করে আগুনে ঘি ঢালা বন্ধ করো!’

‘সাবাকে নিয়ে খুশি থাকো… সঙ্গীকে লজ্জিত করো না’! ‘এক্স’ হৃতিককে খোলা চিঠি কঙ্গনার
‘সাবাকে নিয়ে খুশি থাকো… সঙ্গীকে লজ্জিত করো না’! ‘এক্স’ হৃতিককে খোলা চিঠি কঙ্গনার

'সাবাকে নিয়ে সুখে থাকো….!'

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে হৃতিকের নাম করে এক দীর্ঘ পোস্ট লেখেন কঙ্গনা। তিনি লেখেন, ‘প্রিয় হৃতিক, আমি সত্যিই খুব খুশি যে তুমি তোমার জন্য একদম উপযুক্ত সঙ্গী সাবা আজাদকে খুঁজে পেয়েছ এবং তোমরা দুজনে একসাথে দারুণ। তুমি এখন একটি সুদৃঢ় সম্পর্কে রয়েছে, তাই এভাবে কোনো নারীকে ট্রোল করা বা খোঁচা দেওয়া তোমাকে মানায় না। আগুনে ঘি ঢেলে নিজের সঙ্গীকে লজ্জিত না করে, বরং তোমার নাম ভাঙিয়ে যারা আমাকে সোশাল মিডিয়ায় বুলিং ও হেনস্থা করছে, তাদের বিরুদ্ধে তোমার কথা বলা উচিত।’

বিতর্ক ঠিক কীভাবে নতুন করে শুরু হলো?

সম্প্রতি ইনফ্লুয়েন্সার ফ্রেডি বার্ডি ইনস্টাগ্রামে একটি নোট শেয়ার করে লেখেন— গোটা বিশ্বের উচিত হৃতিক রোশনের কাছে ক্ষমা চাওয়া'।

সেই পোস্টের কমেন্ট সেকশনে হৃতিক নিজে মন্তব্য করে লেখেন, 'ভাই আমার, শুধুমাত্র 'B'-কে এখন আর পছন্দ করো না বলে 'A'-এর পক্ষ নেওয়া আমাদের সমাজের এক বড় ব্যাধির অংশ। আমি সেই দিনের অপেক্ষা করব যখন সঠিক তথ্য ও সত্যের ওপর ভিত্তি করে কথা বলা হবে।'

নেটিজেনরা ধরে নেন 'B' বলতে এখানে কঙ্গনাকেই পরোক্ষ ইঙ্গিত করেছেন হৃতিক। আর এরপরেই কঙ্গনা সোজা তোপ দাগেন হৃতিকের ওপর।

কঙ্গনার ইনস্টা স্টোরি
কঙ্গনার ইনস্টা স্টোরি

সিজেপি মুখপাত্রের প্রতিক্রিয়া ও 'তরুণ হৃতিক' খোঁচা

কঙ্গনা সম্প্রতি সিজেপি (CJP) মুখপাত্র সৌরভ দাসকে 'অপদার্থ ও বেকার' বলে কটাক্ষ করেছিলেন। কঙ্গনার হৃতিক-বিতর্কের মাঝে সৌরভ দাস রসিকতা করে বলেন, ‘আমার বন্ধুরা আমায় মেসেজ করে বলছে কঙ্গনা কেন আমার পেছনে লেগেছেন? ওদের মতে আমাকে নাকি দেখতে কিছুটা তরুণ হৃতিক রোশনের মতো লাগে! তাই হয়তো কঙ্গনা রেগে গেছেন!’

২০১৬-র সেই আইনি লড়াইয়ের প্রেক্ষাপট

২০১০ সালের 'কাইট' এবং ২০১৩ সালের 'কৃষ ৩' ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন হৃতিক ও কঙ্গনা। সেই সময় দুজনের বেশকিছু ঘনিষ্ঠ ছবিও ভাইরাল হয়েছিল। ২০১৬ সালে এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা হৃতিককে 'সিলি এক্স' (Silly Ex) বলে উল্লেখ করলে হৃতিক নায়িকাকে পালটা আইনি নোটিশ পাঠান এবং তাঁদের কোনও প্রেমের সম্পর্ক ছিল না বলে দাবি করেন। সেখান থেকেই শুরু হয় দুই তারকার কাদা ছোড়াছুড়ি ও ইমেল বিতর্ক।

সুজান খানের সাথে বিচ্ছেদের পর সাবা আজাদের সাথে প্রকাশ্য সম্পর্কে রয়েছেন হৃতিক। তবে বছরের পর বছর পার হয়ে গেলেও এই দুই তারকার পুরানো ক্ষোভ যে এতটুকু কমেনি, তা সোশাল মিডিয়ার সাম্প্রতিক পোস্টেই স্পষ্ট!

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More