জড়িয়ে রয়েছেন রাজের মা-কে! সিঁদুর খেলার পর শাশুড়ির সঙ্গে আদুরে ছবি শুভশ্রীর
ঠাকুর বরণ করে আসার পর শাশুড়িমায়ের সঙ্গে ছবিখানা তুলেছেন শুভশ্রী। ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে আছেন দুজনে। আর শাশুড়ি-বউমার কেমিস্ট্রিই কাড়ল সবার মন।
দেশু ৭-এর মুক্তির আগে প্রোমোশনচলাকালীন দেব ও শুভশ্রীর ঘনিষ্ঠতা নিয়ে অনেকরকম কথা রটেছিল। এমনকী, এমনও কানাঘুষো তৈরি হয়েছিল যে, রাজ ও শুভশ্রীর বিয়েও নাকি ভাঙতে বসেছে। তবে সে জল্পনায় তাঁরা জল ঢেলেছেন আগেই। আর এবার শাশুড়িমায়ের সঙ্গে এমন এক মিষ্টি ছবি দিলেন অভিনেত্রী, যা কেড়ে নিল নেটপাড়ার মন।

ঠাকুর বরণ করে আসার পর শাশুড়িমায়ের সঙ্গে ছবিখানা তুলেছেন শুভশ্রী। ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে আছেন দুজনে। লাল পাড়ের সাদা শাড়িতে সেজেছেন শুভশ্রী। খোলা চুল, গা ভরা সোনার গয়না। সিঁথিতে, গালে লাগানো রয়েছে সিঁদুর। পরের ছবিগুলি সিঁদুর খেলার সময়কার। তবে এই পোস্টের সবথেকে বড় আকর্ষণ রাজের মায়ের সঙ্গে শুভশ্রীর কেমিস্ট্রি।
একজন মন্তব্য করলেন, ‘সব বাড়িতেই সম্পর্কগুলো যেন এরকম মধুর হয়’। আরেকজন লেখেন, ‘কী মিষ্টি! চোখ ফেরাতে পারছি না’। আরেকজন লেখেন, ‘কী মিষ্টি এই ছবিখানা’। চতুর্থজন লেখেন, ‘সব শাশুড়ি আর বউমা এভাবেই একে-অপরকে ভালোবাসুক। তাহলেই সংসার ভাঙার এত খবর সামনে আসবে না।’ অন্য কমেন্টে লেখা, ‘শুভশ্রীদিকে যত দেখি ততই যেন অবাক হই। কীভাবে শ্বশুরবাড়ির সবার সঙ্গে মানিয়ে-গুছিয়ে থাকে, এত বড় অভিনেত্রী হওয়ার পরেও।’
২০১৮ সালে বিয়ে করেন রাজ চক্রবর্তী ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। বিয়ের পর থেকেই আরবানার বহুতলে শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে থাকেন তিনি। যদিও করোনা চলাকালীন, প্রথম সন্তান জন্মানোর আগেই মৃত্যু হয় শ্বশুরমশাইয়ের। তবে শুধু শুভশ্রীই আগলে রাখেন না শ্বশুরবাড়ির লোকেদের, রাজের মা-ও একইভাবে ভালোবাসেন বউমাকে। এমনকী, বিয়ের পর থেকে শুভশ্রী রান্নাঘরে ঢুকুক সেটাও একেবারেই পছন্দ নয় তাঁর। সকালের বেড টি অবধি হাজির হয়ে যায় মুখের সামনে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


