Subhashree-Jeetu: ‘আর কতটা নিচে নামবেন মিসেস চক্রবর্তী?’ অ্যাওয়ার্ড হাতে জীতুকে ভুললেন শুভশ্রী! চটে লাগ নায়কের ভক্তরা

পুরস্কার হাতে পেয়ে জীতুর নাম মুখে আনলেন না শুভশ্রী! অহংকারী তকমা দিল জীতুর ভক্তরা। শুভশ্রীর পাশে তাঁর অনুরাগীরা।

Published on: Jun 17, 2026, 11:22:26 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে গেল মর্যাদাপূর্ণ ‘টেলি সিনে অ্যাওয়ার্ডস’। সেখানে ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত পরিচালিত ‘গৃহপ্রবেশ ছবিতে তাঁর অনবদ্য অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রীর সম্মান ছিনিয়ে নিয়েছেন টলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় (Subhashree Ganguly)। অনুষ্ঠানের রেড কার্পেটে নীল শাড়িতে গ্ল্যামারাস লুকে তাক লাগিয়েছিলেন রাজ-ঘরণী। কিন্তু পুরস্কার হাতে মঞ্চে উঠতেই ঘটে গেল এক চরম বিপত্তি, যা নিয়ে এখন তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া।

‘আর কতটা নিচে নামবেন মিসেস চক্রবর্তী?’ অ্যাওয়ার্ড হাতে জীতুকে ভুললেন শুভশ্রী! চটল নায়কের ভক্তরা
‘আর কতটা নিচে নামবেন মিসেস চক্রবর্তী?’ অ্যাওয়ার্ড হাতে জীতুকে ভুললেন শুভশ্রী! চটল নায়কের ভক্তরা

পুরস্কার জেতার পর মঞ্চে দাঁড়িয়ে ছবির পরিচালক এবং বাকি সহ-অভিনেতাদের ধন্যবাদ জানালেও, ছবির অন্যতম প্রধান মুখ তথা অভিনেতা জীতু কমল এর নাম নিতে ‘বেমালুম’ ভুলে গেলেন শুভশ্রী। আর এতেই চটে লাল জীতুর ভক্তরা।

মঞ্চে শুভশ্রীর সেই ‘বিতর্কিত’ বক্তব্য

অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের মঞ্চের বেশ কিছু ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ট্রফি হাতে আবেগঘন হয়ে শুভশ্রী বলেন, ‘যাঁকে এই অ্যাওয়ার্ডটা উৎসর্গ করতে চাই, তিনি হলেন আমাদের পরিচালক ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত। ইন্দ্রদীপদা এই ছবিটার জন্য আমার জন্য দীর্ঘ ২ বছর অপেক্ষা করেছিলেন। ধন্যবাদ আইডি (ইন্দ্রদীপ), ‘তিতলি’ চরিত্রটা আমার জীবনে দেওয়ার জন্য। ‘গৃহপ্রবেশ’-এর সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকে, রুডি (রুদ্রনীল ঘোষ) সামনে বসে আছে, কৌশিকদা (গঙ্গোপাধ্যায়), সোহিনীদি (সেনগুপ্ত)... হয়তো অনেকের নাম আমি এই মুহূর্তে ভুলে যাচ্ছি, তাঁদের সকলকে আমার ধন্যবাদ। আমাদের গোটা কাস্ট অ্যান্ড ক্রু-কে কৃতজ্ঞতা।’

“আর কতটা নিচে নামবেন মিসেস চক্রবর্তী?”— চটল জীতুর ভক্তরা

শুভশ্রীর এই বক্তব্যের ভিডিও সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন জীতু কমলের অনুগামীরা। তাঁদের অভিযোগ, ছবিতে জীতুর মতো একজন গুরুত্বপূর্ণ অভিনেতার নাম শুভশ্রী ইচ্ছা করেই এড়িয়ে গেছেন। অনেকে আবার এর পেছনে টলিউডের ‘নেপোটিজম’ ও পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর (শুভশ্রীর স্বামী) প্রভাবের দিকেও ইঙ্গিত করেছেন। প্রসঙ্গত, শুভশ্রী ছবির সঙ্গে জড়িত সকলকে ধন্যবাদ জানালেও আলাদা করে জীতুর নাম নেননি। অথচ শুভশ্রীর পর এই ছবির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রটিই ছিল জীতুর।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভশ্রীর উদ্দেশ্য়ে জীতুর ভক্তরা ক্ষোভ উগরে দিয়ে লিখেছেন, ‘আর কতটা নিচে নামবেন মিসেস চক্রবর্তী? জীতু কমল এই ছবির প্রধান স্তম্ভ ছিলেন, অথচ ওঁর নামটা মুখে আনতেও আপনার এত অহংকার?’

‘ভুল’ নাকি ‘ইচ্ছাকৃত এড়িয়ে যাওয়া’?

শুভশ্রীর অনুরাগীদের অবশ্য দাবি, মঞ্চে পুরস্কার পাওয়ার পর উত্তেজনার বশে অনেকেই সহ-কর্মীদের নাম ভুলে যান। শুভশ্রী নিজেও তাঁর বক্তব্যে বলেছিলেন, 'হয়তো অনেকের নাম আমি ভুলে যাচ্ছি'। তাই এটিকে ইচ্ছাকৃত অপমান হিসেবে দেখা ভুল। তবে জীতু ভক্তরা এই সাফাই মানতে নারাজ। জীতু কো-স্টারদের কতটা সম্মান দেন তা বোঝাতে নায়কের পুরোনো ভিডিয়ো টেনে এনেছেেন তাঁরা। যেখানে জীতুকে সাফ বলতে শোনা গিয়েছে দিতিপ্রিয়া রায়ের সঙ্গেও ভবিষ্যতে কাজ করতে তাঁর তরফে কোনও সমস্যা হবে না। যে দিতিপ্রিয়া, জীতুর বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ এনে চিরদিনই তুমি যে আমার ছেড়ে ছিলেন, তাঁরও গুণগান গান জীতু। মনে করান ভক্তরা। শুভশ্রী কি সত্যি জেনে বুঝে জীতুর নাম নেননি? এই তরজা নিয়ে টলিপাড়ার অন্দরেও এখন ফিসফাস তুঙ্গে।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More