Deboshree Ganguly:‘বোনের ফেমের জন্য লোকে চেনে, আপনার যোগ্যতা কী?’ নিজেকে মোদীর অন্ধভক্ত ঘোষণা শুভশ্রীর দিদির, হলেন ট্রোল
Subhashree Ganguly's Sister: একে বোনে বোনে মুখ দেখাদেখি বন্ধ, তার উপর দেবশ্রীর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন! নেটপাড়া তাঁকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতেই ফুঁসে ওঠলেন শুভশ্রীর দিদি।
দিল্লির ছাত্র আন্দোলন এবং ‘ককটিচ জনতা পার্টি’ (CJP)-কে কেন্দ্র করে যখন দেশজুড়ে উত্তাপ চরমে, ঠিক তখনই এক বিতর্কিত রাজনৈতিক পোস্ট করে চর্চায় উঠে এলেন টলিউড অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের দিদি দেবশ্রী (Deboshree Ganguly)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সমর্থনে এবং বিরোধী আন্দোলনকারীদের তীব্র কটাক্ষ করে নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় একখানা ‘খোলা চিঠি’ পোস্ট করেন দেবশ্রী।

নিজেকে নরেন্দ্র মোদীর ‘অন্ধভক্ত’ হিসেবে ঘোষণা করতেই নেটিজেন ও ট্রোলারদের চরম তোপের মুখে পড়েন তিনি। তবে বোন শুভশ্রী ও তৃণমূল বিধায়ক ভগ্নিপতি রাজ চক্রবর্তীকে জড়িয়ে কটাক্ষ আসতেই চুপ থাকেননি দেবশ্রী; কমেন্ট বক্সে নেমে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি। এমনিতে বোনে বোনে এখন মুখ দেখাদেখি বন্ধ, তারউপর বোনকে টেনেই লাগাতার বিদ্রুপে জেরবার দেবশ্রী।
শুভশ্রী ও রাজকে টেনে ট্রোল, ক্ষুব্ধ দেবশ্রীর জবাব
দেবশ্রী মাস খানেক আগে জানিয়েছেন, তিনি বিজেপি সমর্থক। এতদিন নাকি পরিবারের কথা ভেবে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। আসলে তাঁর বোন শুভশ্রীর স্বামী রাজ চক্রবর্তী শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক ছিলেন এবং শুভশ্রী নিজেও বিভিন্ন সময়ে শাসকদলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত, তাই দেবশ্রীর এই মোদীভক্তি ভালোভাবে গ্রহণ করতে পারছে না নেটপাড়া। ককরোচ জনতা পার্টিকে বিঁধে দেবশ্রীর পোস্টে এক নেটিজেন লেখেন, আপনার বোন আর ভগ্নিপতির কী হবে?
এর জবাবে দেবশ্রী লেখেন, ‘দাঁত বের করে এত হাসার মতো সিচুয়েশন নেই। আপনার বাড়িতে সমস্যা হলে এইভাবেই হাসেন বুঝি? আর হাসছেন ঠিক আছে, আমার পোস্টে এসে আমার বোনের খবর কেন নিচ্ছেন বুঝলাম না।’
‘যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন না’— স্ক্রিনশটে ভাইরাল বিস্ফোরক জবাব
অন্য এক নেটিজেন (অভিজ্ঞান চট্টোপাধ্যায়) যখন মন্তব্য করেন যে, দেবশ্রীকে মানুষ কেবল তাঁর বোনের জনপ্রিয়তার জন্যই চেনে এবং তাঁর নিজস্ব কী যোগ্যতা রয়েছে, তখন মেজাজ হারিয়ে কড়া পাল্টা জবাব দেন তিনি।
শুভশ্রীর দিদি জানান, ‘এখন আপনাকে জবাব দিতে হবে আমার কী যোগ্যতা?? সিরিয়াসলি! এত খারাপ দিন আমার আসেনি মি. চট্টোপাধ্যায়। আপনাকে শুধু একটাই জিজ্ঞেস করার— আপনি আপনার যোগ্যতায় আপনার বাবা-মাকে কতটা ভালো রেখেছেন? আমি একবার কাকু-কাকিমার সাথে কথা বলতে চাই। আর হ্যাঁ, আমিও আপনার মতো একজন ভীষণ সাধারণ মানুষ। আপনাদের মতোই লোকেরা আমাকে সেলিব্রিটি রিফ্লেকশনে জুড়ে দেন। বাকি রইল আমার যোগ্যতা, কখনো আমার বাড়িতে এসে আমার হাতে বড় করা GenZ বাচ্চাটাকে দেখে যাবেন, আমি সিওর আপনি লজ্জা পাবেন। কারণ ওইভাবে আপনাকে বড় করতে পারেননি আপনার গুরুজনেরা।’
নেটপাড়ায় দ্বিধাবিভক্ত মতামত
দেবশ্রীর এই মন্তব্য ও সোশ্যাল মিডিয়া যুদ্ধ এখন টলিপাড়ার অন্যতম বড় চর্চার বিষয়। একাংশ যেমন তাঁর স্বাধীন রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ করার অধিকারকে সমর্থন করছেন, তেমনই অন্য একটি বড় অংশ মনে করছেন আন্দোলনের সাথে যুক্ত শিক্ষার্থীদের নিয়ে দেবশ্রী যে পোস্ট করেছেন তা অত্যন্ত কুরুচিকর। এখানে শেষ নয়, বন্ধু তথা অভিনেত্রী সঙ্ঘশ্রীর এক পোস্টে পড়ুয়াদের এই আন্দোলনে ধর্মীয় রঙ লাগানোর চেষ্টাও করেন দেবশ্রী। একটি বিশেষ ধর্মের মানুষই নাকি এই আন্দোলনের সাথে যুক্ত, দাবি করেছিলেন তিনি। পড়ে অবশ্য সেই পোস্ট মুছে দেন অভিনেত্রী সঙ্ঘশ্রী মিত্র।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


