Sudip Mukherjee: ‘আমার সন্তানদের খিস্তি করবেন, তবে সামনাসামনি’, মেজাজ হারালেন চিরসখা খ্য়াত সুদীপ
Sudip Mukherjee: টলিউড অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল প্রয়াণ এবং 'চিরসখা' ধারাবাহিকটি অকালে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর স্টুডিও পাড়ার পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে। এরই মাঝে এবার সরাসরি নেটিজেনদের একাংশের ‘কুরুচিকর আক্রমণ’ ও ‘ট্রোলিং’-এর বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়।
Sudip Mukherjee: টলিউডে এখন শোক আর বিদ্রোহের এক অদ্ভুত সহাবস্থান। অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু এবং সেই শোকের আবহেই ‘চিরসখা’ ও ‘ভোলে বাবা পার করেগা’-র মতো ধারাবাহিকের পথচলা থেমে যাওয়া— সব মিলিয়ে কার্যত ফুঁসছে ইন্ডাস্ট্রি। তবে এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে এক শ্রেণির সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী যেভাবে শিল্পী ও তাঁদের পরিবারকে লক্ষ্য করে কুৎসিত আক্রমণ চালাচ্ছে, তাতে এবার মেজাজ হারালেন অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়।

‘স্ক্রিনের আড়ালে লুকোবেন না’
ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামে অত্যন্ত কড়া ভাষায় একটি পোস্ট করেছেন সুদীপ। সেখানে তাঁর সাফ কথা, আড়ালে থেকে কাপুরুষের মতো আক্রমণ না করে হিম্মত থাকলে সামনাসামনি এসে কথা বলুন। সুদীপ লিখেছেন, ‘আড়াল থেকে যুদ্ধ না করে, আসুন না, একটু সামনাসামনি বসি। আপনাদের অভিযোগ, খিস্তি সামনে থেকেই শুনি। যে সংহতি আপনারা খিস্তি করার জন্য দেখিয়ে থাকেন, সেই সংহতি দেখিয়ে একসঙ্গে সামনাসামনি হোন।’
মা-বাবা ও সন্তানদের নিয়ে আক্রমণের প্রতিবাদ
অভিনেতার ক্ষোভের মূল কারণ হলো তাঁর পরিবারকে জড়িয়ে করা কুরুচিকর মন্তব্য। সুদীপ চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেছেন, ‘আপনারা অর্গানাইজ (Organise) করে জানান, আমি পৌঁছে যাব। আপনারা প্রাণভরে আমাকে, আমার মা-বাবাকে, আমার সন্তানদের খিস্তি করবেন, তবে সামনাসামনি।’ রাহুলের মৃত্যু থেকে শুরু করে টলিপাড়ার বর্তমান কর্মবিরতি নিয়ে যখন বিতর্ক তুঙ্গে, তখন অভিনেতার ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙল। প্রসঙ্গত, লীনা গঙ্গোপাধ্য়ায়ের লেখা স্বতন্ত্র চরিত্রটি (চিরসখার মুখ্য চরিত্র) ব্যাপক জনপ্রিয়তা দিয়েছে সুদীপকে। নতুন কাকু হিসাবে দারুণ সাফল্য জুটলেও গত কয়েকদিনে ছবিটা একদম বদলে গিয়েছে।
রাহুলের মৃত্যুর পর সেভাবে নিজের প্রযোজনা সংস্থার সমালোচনা করেননি সুদীপ-অপরাজিতারা। তাতেই চটেছেন অনেকে। অম্বরীশ,রাজন্যা, রেশমি সেনরা লীনার হাত ছাড়লেও সে পথে হাঁটেননি সুদীপ।
কেন এই ক্ষোভ?
রাহুলের মৃত্যুর পর থেকে অনেক শিল্পীই দাবি করছেন যে, কিছু মানুষ অকারণে তাঁদের কাঠগড়ায় তুলছেন। একদিকে সেটের নিরাপত্তা নিয়ে ক্ষোভ, অন্যদিকে কাজ হারানোর আতঙ্ক— এই দ্বিমুখী চাপে থাকা শিল্পীদের যখন ‘প্রিভিলেজড’ বলে ট্রোল করা হচ্ছে, তখনই ফেটে পড়লেন সুদীপ।
প্রসঙ্গত, এটাই অন্তিম সপ্তাহ চিরসখার। রবিবারই শেষবারের মতো সম্প্রচারিত হবে এই মেগা। আগামি সোমবার থেকে রাত ১০টার স্লটে আসছে মানালি-সব্যসাচীর সংসার সংকীর্তণ।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


