‘অর্চনাকে টাকা দিলে…’! কপিলের শো-তে ‘অপমানিত’, ক্ষোভ উগড়ে দিলেন সুনীল পাল

Sunil Pal Reacts to Roasting on Kapil Show: সম্প্রতি দ্য কপিল শর্মা শোতে রোস্টিং নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সুনীল পাল। তিনি বলেন যে, তাঁকে বলা হয়েছিল যে তাঁকে সেখানে স্ট্যান্ডআপ করতে হবে, তিনি সেই প্রস্তুতি নিয়ে গিয়েছিলেন, তবে তাঁকে সেখানে স্ট্যান্ডআপ করতে দেওয়া হয়নি।  

Published on: May 10, 2026, 17:07:43 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সম্প্রতি দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শোতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনীল পাল। সেই পর্বে সময় রায়না ও রণবীর এলাহাবাদিয়াও পৌঁছেছিলেন। সময় রায়না সুনীল পালকে প্রচণ্ডভাবে রোস্ট করেছিলেন। সেই পর্ব সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর অনেকে বলেছিলেন যে সুনীল পালকে সেখানে ডাকা হয়েছিল এবং প্রায় একঘরে করা হয়েছিল। যেন মস্করা করতেই ডাকা হয় তাঁকে।

অর্চনাকে কটাক্ষ সুনীল পালের। (Instagram)
অর্চনাকে কটাক্ষ সুনীল পালের। (Instagram)

এবার সুনীল পালও এই বিষয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেছেন। সুনীল পাল বলেছিলেন যে, তাঁকে বলা হয়েছিল যে তাঁকে শোতে এসে স্ট্যান্ডআপ করতে হবে। সেই প্রস্তুতি নিয়েই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন, কিন্তু সেখানে তাঁকে স্ট্যান্ড-আপ করতে দেওয়া হয়নি।

সূরজ কুমার পডকাস্টে সুনীল পালকে বলা হয়, ‘এপিসোডটি দেখার পর মনে হয়েছে পুরো পরিবেশ যেন একপাক্ষিক হয়ে গিয়েছিল এবং সবাই মিলে যেন আপনাকেই অপমান করছিল…’! এর উত্তরে সুনীল পাল বলেন, ‘ভালো, তুমি তাহলে লক্ষ্য করেছ যে পরিবেশটা একতরফা হয়ে গিয়েছিল। আমাকে যেন অভিমন্যুর মতো চারদিক থেকে ঘিরে ফেলা হয়েছিল।’

এরপর সুনীল পাল বলেন, অনেকেই সেই এপিসোডের রিভিউ করে মন্তব্য করেছেন যে, ইচ্ছে করেই তাঁর জোকসে হাসা হয়নি। যদিও তিনি এটাও মানতে রাজি যে হয়তো তাঁর কৌতুকে কম হাসাহাসি হয়েছে। এমনকী নবজ্যোত সিং সিধুকে নিয়েও ক্ষোভ উগড়ে দেন সুনীল পাল। বলে ওঠেন, ‘আমার জোকসে হাসবে না, কিন্তু ওর (সময় রায়না) ছোট্ট একটা জোকসে বেশি বেশি করে হেসে উঠবে! বলবে— 'মাইন্ড ব্লোয়িং, টু গুড ইয়ার!' নবজ্যোত সিং সিধু, যিনি ২০ বছর ধরে বড় বড় কমেডিয়ানদের শুনেছেন, সেই মানুষটাই ছোট্ট একটা জোকসে বলছেন— 'টু গুড। আজা গুরু গলে মিল। তুই তো কপিল। তুই নেক্সট কপিল'।’

সুনীল পালের ক্ষোভের হাত থেকে বাঁচতে পারেননি অর্চনা পুরাণ সিং-ও। তিনি বলেন, ‘আপনি যদি অর্চনাকে টাকা দেন, তবে তিনি খালি বাতাস দেখে হাসবেন এবং ওহ বাতাস কত ভালো। আর যদি দেখেন তিনি হাসছেন না, তাহলে কি আপনার মনে হবে না কোথাও যেন কোনো পরিকল্পনার রয়েছে!’

তবে এত বিতর্কের মাঝেও সুনীল পাল স্পষ্ট করেন যে, তাঁদের মধ্যে ব্যক্তিগত কোনও মনোমালিন্য নেই। তিনি বলেন, দর্শকরা যা লক্ষ্য করেছেন, সেটাই বলেছেন। তিনি কাউকে দোষ দিতে চান না। আরও বলেন, ‘হতে পারে ওরা এমনই প্ল্যান করেছিল— সুনীল পালকে ডাকি, কারণ ও (সময় এবং নতুন কমেডিয়ানরা) যাদের রোস্ট করে, এবার তারাই ওকে রোস্ট করবে। তাহলে তো ব্যাপারটা 'মেড ফর ইচ আদার' হয়ে যায়। এটা যেন কৌরব-পাণ্ডবের লড়াই। ওদের ডাকো, তাহলেই যুদ্ধে মজা আসবে।’

এমনকী সুনীলের কথায় ফুটে ওঠে, নেটফ্লিক্সের কথাও। দাবি করেন, তাঁকে কিছুটা নিচু দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল, কারণ নেটফ্লিক্স-এর আসল ‘হিরো’ এই নতুন প্রজন্মের কমেডিয়ান এবং ইউটিউবাররাই।

এখন দেখার সুনীলের এই মন্তব্যের পর কপিল শর্মা বা তাঁর টিমের পক্ষ থেকে কী জবাব আসে!

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More