কেমন হল সানি দেওলের বাটোয়ারা ১৯৪৭? ‘প্রথমার্ধ বেশ শক্তিশালী, বিশেষ করে…’
সানি দেওলের ছবি ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’ মুক্তি পেয়েছে এবং আপনি যদি ছবিটি দেখার কথা ভেবে থাকেন, তাহলে প্রথমে দর্শকদের টুইটার রিভিউগুলো পড়ে নিন।
সানি দেওলের সিনেমা ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’ শুক্রবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই ছবিটি নিয়ে উত্তেজনা-আলোচনা ছিল তুঙ্গে। সানির সঙ্গে এই ছবিতে অভিনয় করেছেন প্রীতি জিন্টা, করণ দেওল এবং শাবানা আজমি। আপনি যদি ছবিটি দেখার পরিকল্পনা করে থাকেন, তাহলে চলুন সোশ্যাল মিডিয়ায় দর্শকদের দেওয়া রিভিউগুলো দেখে নেওয়া যাক।

কী লিখছেন দর্শকরা টুইটারে?
একজন লিখেছেন, ‘বিশ্বাস করুন বা না করুন, বাটোয়ারা ১৯৪৭ লম্বা রেসের ঘোড়া।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭-এর প্রথমার্ধ বেশ শক্তিশালী, বিশেষ করে দেশভাগের ঘোষণার পরের রেলস্টেশনের দৃশ্যটি।’
আরেকজন লিখেছেন, ‘রাজকুমার সন্তোষি কী সুন্দর এবং শক্তিশালী একটি ছবি বানিয়েছেন। সানি দেওল তাঁর কেরিয়ারের সেরা অভিনয়টা করেছেন। ছবিটির অ্যাকশনও দুর্দান্ত।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭ সানি দেওলের কেরিয়ারের সেরা ছবি। এমনকী গদর-এর চেয়েও ভালো।’
আবার আরেকজন লিখেছেন যে, ছবিটিতে খুব বেশি চিৎকার-চেঁচামেচি রয়েছে। সানি দেওলের সংলাপগুলো উচ্চস্বরের এবং অতিরিক্ত নাটকীয়। ছবির কাহিনি অতীতে আটকে আছে এবং দ্বিতীয়ার্ধ ধীরগতির। কিছু মানুষের আবার মনে ধরেছে করণ এবং সানির মধ্যকার রসায়ন। একটু টুইটে লেখা হয়, সানি এবং করণের মধ্যকার রসায়ন একেবারে বাস্তব মনে হয়। পর্দায় তাদের মধ্যকার বন্ধন স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।
পার্টিশন ১৯৪৭ টিম
পার্টিশন ১৯৪৭-এর কথা বলতে গেলে, ছবিটি পরিচালনা করেছেন রাজকুমার সন্তোষী এবং প্রযোজনা করেছেন আমির খান। ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন আলি ফজল, অভিমন্যু সিং, কণিকা কাপুর এবং খুশি হাজারে।
পার্টিশন ১৯৪৭-এর গল্প
এই ছবিতে সানি দেওল একজন মুসলিম পুরুষের চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যিনি দেশভাগের সময় পাকিস্তানে চলে যান এবং আবিষ্কার করেন যে তার বাড়িতে আগে থেকেই একজন হিন্দু মহিলা রয়েছে। সেই মহিলাকে বাঁচাতে গিয়ে সানির সম্মুখীন হওয়া প্রতিকূলতাগুলোকে কেন্দ্র করেই সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে।
আওয়ারাপন ২-র সঙ্গে টক্কর বাটোয়ারা ১৯৪৭-এর
উল্লেখ্য যে, বাটোয়ারা ১৯৪৭ প্রতিযোগিতা করছে ইমরান হাশমির আওয়ারাপন ২-এর সঙ্গে। দুটি ছবিই ১৪ আগস্ট মুক্তি পেয়েছে। যদিও অগ্রিম বুকিং-এর ক্ষেত্রে ইমরানের ছবিটি এগিয়ে আছে, প্রথম দিনের বক্স অফিসের ফলাফলই বলে দেবে এই প্রতিযোগিতায় কোন ছবি জয়ী হয়।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


