Supriya Devi Daughter: ‘নিজের কেরিয়ার বিসর্জন দিয়েছিল মা!’ উত্তম কুমারের নাতনির মন্তব্যে চটলেন সুপ্রিয়া দেবী কন্যা
‘বাবি’ উত্তম কুমারকে বাবার আসনে বসিয়েছেন সুপ্রিয়া-কন্যা সোমা। মৃত্যুর এত বছর পর উত্তম কুমারের পরিবারের ‘মিথ্যে দাবী’ নিয়ে সরব শনের মা। nabamita chatterjee
জীবনের শেষ ২০ বছর উত্তম কুমারকে আগলে রেখেছিলেন সুপ্রিয়া দেবী। সমাজ তাঁদের সম্পর্ককে কু-নজরে দেখেছে। ‘ঘর ভাঙানি’, ‘রক্ষিতা’ কটাক্ষ হজম করেও কোনওদিন উত্তমের হাত ছাড়েননি সুপ্রিয়া দেবী। অথচ উত্তম কুমারের বিবাহিত স্ত্রী ছিলেন তিনি। সেই বিয়ের আইনি বা সামাজিক স্বীকৃতি না থাকলেও বিয়েটা হয়েছিল।

উত্তম কুমারের মৃত্য়ুবার্ষিকীতে ফের একবার চর্চায় উত্তম-সুপ্রিয়ার পুরোনো সম্পর্ক। সম্প্রতি প্রয়াত সুপ্রিয়া দেবীকে নিয়ে উত্তমের নাতনি নবমিতার এক মন্তব্যে ব্যাথিত সুপ্রিয়া কন্যা সোমা। চিরকাল লাইমলাইটের আড়ালেই থেকেছেন সুপ্রিয়া-কন্যা। উত্তম কুমারকে বাবি বলে ডাকতেন তিনি। সুপ্রিয়া দেবীর প্রথমপক্ষের সন্তান সোমা উত্তম কুমারকে বাবার আসনেই বসিয়েছিলেন।
সম্প্রতি এক পডকাস্টে নবমিতা বলেন, উত্তম কুমারের মৃত্যুর পর তাঁর দাদুর কাছে ঘেঁষতে দেওয়া হয়নি সুপ্রিয়া দেবীকে। উত্তমের শেষযাত্রার বর্ণনা দিতে গিয়ে নবমিতা বলেন, ‘সুপ্রিয়া দেবী অনেকটা পরে এসেছে। ওঁনাকে বলা হয়েছিল আসতে দেওয়া হবে না। আসলে ওঁনার (গৌরী দেবী) মেন্টাল স্টেটটা ছিল এই জায়গায়, যে আমি তো রাখতে পারিনি, তুই কেন রাখতে পারলি না?…. সেই কারণে উনি (উত্তম-পত্নী গৌরী দেবী) খুব রেগে ছিলেন’।
এর জবাবেই ফেসবুকে একটি ভিডিয়ো বার্তা দিলেন সুপ্রিয়া দেবীর কন্যা বলেন, ‘উত্তম কুমারের এক আত্মীয় বলেছেন, উত্তম কুমার যেদিন মারা গিয়েছিলেন, ওঁনার বডি গিরীশ মুখার্জি রোডে ছিল- সেদিন আমার মা (সুপ্রিয়া দেবীকে)-কে অ্যালাউ করা হয়নি ওই বাড়িতে, ওঁনাকে শেষ দেখা দেখতে। সেটা নিয়ে আমি একটু আপত্তি করছি। কারণ আমি সেদিন মায়ের সঙ্গে ছিলাম। আমার মা স্বেচ্ছায় যাননি। অনেক সমস্যা ছিল, বেশকিছু ইস্যু তৈরি হয়েছিল, তাই মা নিজে থেকে যাননি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার মা উত্তম কুমারের সঙ্গে ২০ বছর কাটিয়েছেন। মা দেখাশোনা করেছেন, ওঁনাকে কম্প্রোটেবল রাখতে আমার মা সবকিছু করেছেন। উনি যাতে ভালো থাকেন,অনেক বড়মাপের অভিনেতা হন। আমার মা নিজের কেরিয়ার পর্যন্ত বিসর্জন দিয়েছিলেন ওঁনার জন্য। আমার মা রান্নাঘরে ঢুকলেন ওঁনার জন্য, কারণ উনি মায়ের হাতের রান্না খেতে ভালোবাসতেন। মা অনেক বলিদান দিয়েছেন’।
সবশেষে সোমা দেবী বলেন, ‘আমার মনে কষ্ট হল এটা শুনে মা-কে ওখানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। যে বলেছে, সে হয়ত অনেক ছোট ছিল। সে জানে না, এমনি বলে দিল। মা নিজের ইচ্ছেতে যায়নি। উনি সরে দাঁড়িয়েছিলেন। এটাই আপনাদের জানালাম। ভুল তথ্য শুধরে দিলাম।’
মায়ের ভিডিয়ো নিজের ফেসবুকের দেওয়ালে শেয়ার করে নিয়েছেন অভিনেতা শন বন্দ্যোপাধ্যায়। সুপ্রিয়া দৌহিত্র লেখেন, ‘সঠিক কথা বলেছো মা’।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


