উন্মুক্ত বেবিবাম্পের ছবি দিয়ে ছেলে হওয়ার খবর দিলেন সুস্মিতা! নাম রাখলেন সিডো, কী অর্থ এটির?
উন্মুক্ত বেবিবাম্পের ছবি দিয়ে অভিনেত্রী-ইনফ্লুয়েন্সার সুস্মিতা রায় জানালেন যে, তাঁদের কোলে এসেছে পুত্র সন্তান। ছেলের নাম রেখেছেন সিডো। কী অর্থ এই নামের?
দিন দুই আগেই মা হওয়ার খবর দিয়েছিলেন অভিনেত্রী-সোশ্য়াল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার সুস্মিতা রায়। সেই সময় সদ্যোজাতর হাতের ছবি শেয়ার করলেও, ছেলে না মেয়ে হয়েছে তা জানাননি তিনি। আর এবার উন্মুক্ত বেবিবাম্পের ছবি দিয়ে জানালেন, তাঁদের কোলে এসেছে পুত্র সন্তান।

ছেলে হওয়ার খবর দিলেন সুস্মিতা:
সাদা কালো ছবিটিতে সুস্মিতার সঙ্গে রয়েছেন তাঁর চতুর্থ স্বামী। আর ছবির উপরে লেখা ‘sido’। অর্থাৎ সুস্মিতা রায় ও শুভাশিস দে তাঁদের ছেলের নাম রেখেছেন সিডো। আর সঙ্গে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের ছোট্ট পুত্রসন্তান, Sido। তোমাকে বুকে নিয়ে বুঝলাম, সাত বছরের সব অপেক্ষা, সব কান্না, সব লড়াই এক মুহূর্তেই সার্থক হয়ে যায়। তুমি এসেছ বলেই আজ আমার পৃথিবীটা সম্পূর্ণ। আমাদের ছোট্ট রাজপুত্রের জন্য সবাই আশীর্বাদ করবেন। সুস্থ থাকুক, ভালো মানুষ হয়ে উঠুক—এটাই আমাদের একমাত্র প্রার্থনা।’
সুস্মিতার ডিভোর্স ও চতুর্থ বিয়ে
এর আগেও একবার সন্তানসম্ভবা হয়েছিলেন সুস্মিতা। চতুর্থ স্বামী সাংবাদিক সব্যসাচীর সঙ্গে গর্ভবতী হয়েছিলেন। তবে সেই সময় গর্ভেই মারা যায় সেই সন্তান। এর আগে সুস্মিতার অভিযোগ ছিল, তাঁর প্রাক্তন শ্বশুরবাড়ির কারণেই ঘটে এই দুর্ঘটনা। যদিও তারপরও সব্যসাচীর পরিবারের সঙ্গে ছিলেন তিনি। এমনকী, দেওর সায়কের সঙ্গেও একাধিক ভ্লগ বানাতেন। কিন্তু আচমকাই তাল কাটে। শুধু বিচ্ছেদই হয়নি, দু পক্ষ থেকেই চলে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি।
যদিও সুস্মিতার তড়িঘড়ি তাঁর ব্যবসার পার্টনার শুভাশিষ দে-কে বিয়ে করায় অনেকেরই মত ছিল সুস্মিতা মা হতে চলেছেন। তবে সেই সময় এই ধরনের প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই বিয়ের তিন মাসের মধ্যে সন্তানের জন্ম দিয়ে গর্ভবতী অবস্থায় বিয়ের জল্পনাতেই দিয়েছেন সিলমোহর।
সিডো নামের অর্থ:
আরবিতে রয়েছে এই সিডো নামের ব্যবহার। 'Sayyid' (সাইয়িদ) শব্দের অর্থ 'নেতা' বা 'শাসক'। এই নামের সংক্ষিপ্ত রূপ বা আদর করে ডাকা নাম হিসেবে 'Sido' ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ ‘প্রভু’ বা ‘মালিক’। ইউরোপেও এই নাম ব্যবহারের চল রয়েছে, অর্থ বিজয়। সঙ্গে জার্মান র্যাপার পল হার্টমুট ওয়ার্ডিগ-এর মঞ্চনাম সিডো। তিনি এই নামেই গোটা দুনিয়ার কাছে পরিচিত।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


