‘ছেলেই চেয়েছিলাম, জন্মেই ও কলির কেষ্ট…’, বললেন সায়কের ‘কুটনি বৌদি’ সুস্মিতা

নিজের বিজনেস পার্টনার শুভাশিস দে-কে বিয়ে করেন সুস্মিতা মাস তিনেক আগে। চলতি সপ্তাহেই জন্ম হয় ছেলের। খুদের নাম রেখেছেন তাঁরা সিডো। 

Published on: Jul 10, 2026, 12:26:06 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

একসময় দেওর-বৌদির সম্পর্ক ছিল সায়ক চক্রবর্তী ও সুস্মিতা রায়েক। অভিনেতা হিসেবে কেরিয়ার শুরু করলেও, সায়ক এখন জনপ্রিয় ইউটিউবার-ইনফ্লুয়েন্সার। আর সায়কের সাংবাদিক দাদার বউ ছিলেন সুস্মিতা। বিয়ে ভাঙার পর, একে-অপরের নামে চলে কাদা ছোঁড়াছুড়ি। এমনকী, তাতে জড়ান সায়কও। আর সেই থেকেই জানা যায়, সুস্মিতার এটি চতুর্থ বিয়ে, যা তিনি করেছেন নিজের বিজনেস পার্টনার শুভাশিস দে-কে।

ছেলেই চেয়েছিলেন, ডেলিভারির পর বললেন সুস্মিতা।
ছেলেই চেয়েছিলেন, ডেলিভারির পর বললেন সুস্মিতা।

শুভাশিস আর সুস্মিতার বিয়ের সব আয়োজনই হয়েছিল বেশ চটজলদি। আর সেই বিয়ের ছবি আর ভিডিয়ো দেখেই নেটপাড়ার ধারণা হয়েছিল যে, অভিনেত্রী-ইনফ্লুয়েন্সার অন্তঃসত্ত্বা! যদিও তখন এই নিয়ে মন্তব্য করতে চাননি সুস্মিতা। এমনকী, ডেলিভারির পরও সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বললেন, বিয়ের আগে অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন কি ছিলেন না, তা নিয়ে কথা বলতে চান না! বরং, বহু প্রতীক্ষার পর সন্তান কোলে পেয়েছেন। এতেই তিনি খুব খুশি।

হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে কেকও কাটলেন সুস্মিতা ও তাঁর বর শুভাশিস। সুস্মিতা আরও জানালেন যে, এবার প্রথম থেকেই ছেলে চেয়েছিলেন তিনি। কারণ ২০১৯ সালে তাঁর গর্ভে যেই সন্তান মারা গিয়েছিল সে ছেলে ছিল। সঙ্গে তিনি আরও খোলসা করেন যে, যদিও তাঁর বরের ইচ্ছে ছিল একটা মেয়ে হোক। সদ্যোজাতকে নিয়ে মস্করা করে সুস্মিতা আরও জানান, যেদিন তাঁর ডেলিভারি হয়েছে, সেদিন যে ফ্লোরে তিনি ছিলেন সেখানে সবার মেয়ে হয়েছে, একমাত্র তাঁর ছেলে হয়। এই কারণে ছেলেকে বলেন ‘কলির কেষ্ট’।

এর আগে যখন সুস্মিতার একাধিক বিয়ে নিয়ে তির্যক মন্তব্য চলছিল নেটপাড়ায়, তখন লাইভে এসে সুস্মিতা জানান যে, তিনি কোনো ভুল কাজ করেননি। যেখানে আজকাল সামাজিক স্বীকৃতির তোয়াক্কা না করে একাধিক গোপন সম্পর্কে জড়াচ্ছে মানুষ, তিনি সেখানে প্রতিটি সম্পর্ককে বিয়ে করে সামাজিক মর্যাদা দিয়েছেন। সুস্মিতা জানান যে, খুব অল্প বয়সে তাঁর প্রথম বিয়ে হয়েছিল, কিন্তু সেই সংসার টেকেনি। এরপর পরিবারের চাপে দ্বিতীয় বিয়ে হয় বেঙ্গালুরুতে। তবে সেই স্বামী পরকীয়ায় লিপ্ত ছিল। সেই স্বামীর অন্য সম্পর্ক থাকায় সেই বিয়েও ভেঙে যায়।

তৃতীয় বিয়ে ভাঙা অর্থাৎ সাংবাদিক সব্যসাচী চক্রবর্তীর সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ নিয়ে সুস্মিতা দাবি করেছিলেন যে, সব্যসাচীর বিকৃত যৌন মানসিকতা এবং বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কারণেই তাঁদের পথ আলাদা হয়েছিল। এমনকী তাঁর মা হওয়াতেও মত ছিল না সব্যসাচী-সায়কের পরিবারের।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More