Swastika Daughter: ‘মায়েদের কত জ্বালা…’, লন্ডনে চাকরি, ফিরে যাচ্ছে মেয়ে! মানির জন্য মন কাঁদছে স্বস্তিকার
Swastika Daughter Anwesha Sen:‘তুই গেলেই সময় থমকে যায়!’ বিমানবন্দরে মেয়ের হাত নাড়া দেখে চোখে জল স্বস্তিকার! মনের ঝাঁপি উজার করলেন ফেসবুকের দেওয়ালে।
Swastika Mukherjee: চেক-ইন কাউন্টার, ইমিগ্রেশন, আর সিকিউরিটি চেকের ওই দীর্ঘ লাইন। তার মাঝেই কয়েক সেকেন্ডের জন্য একজোড়া পরিচিত চোখের খোঁজ। ছোট্ট একটা হাত নাড়া আর ইশারায় ‘মাম্মা ফোন করছি’ বলা— এই সামান্য মুহূর্তটুকুর জন্যই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে পারেন একজন মা। তিনি পর্দার সুপারস্টার স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় হতে পারেন, কিন্তু মেয়ে অন্বেষার কাছে তিনি শুধুই ‘মাম্মা’। সম্প্রতি মেয়ে ফের পড়াশোনার জন্য বিদেশ পাড়ি দেওয়ার মুহূর্তে বিমানবন্দরের সেই চিরচেনা যন্ত্রণা মাখা এক পোস্ট শেয়ার করলেন অভিনেত্রী।

সন্তান কি আদেও বড় হয়?
স্বস্তিকা লিখেছেন, মেয়ে এখন সারা দুনিয়া একা ঘুরে বেড়ায়। ছোট শহর ছেড়ে বড় শহরে নিজের আস্তানা গেড়েছে। তবুও বাবা-মায়ের কাছে সন্তান চিরকাল সেই ছোট্টটিই থেকে যায়। অন্বেষা বাড়ি আসার আনন্দের চেয়েও ‘আবার কবে আসবে’— এই অনিশ্চিত অপেক্ষার যে নিদারুণ কষ্ট, তা কেবল একজন মা-ই বোঝেন। স্বস্তিকার কথায়, ‘নিজে মা হও তখন বুঝবে মায়েদের কত জ্বালা— মায়ের এই পুরনো কথাটাই আজ প্রতিপদে সত্যি মনে হয়।’
কলকাতায় বসে হাজারো প্রশ্ন
প্লেন ওড়া পর্যন্ত ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা, তারপর ফোনে একগুচ্ছ নির্দেশ— 'উঠেছিস তো? হ্যান্ডব্যাগ গুনে রেখেছিস? ফ্লাইট চেঞ্জ আছে মনে রাখিস, ট্রানজিটে নেমে মেসেজ করিস।' স্বস্তিকা নিজেই মজা করে লিখেছেন, কলকাতায় বসে এত খবর নিয়ে কী লাভ? তবুও বাবা-মায়েরা জিগ্গেস করেন। কারণ, তাঁদের কাছে এই ‘খবর রাখাটাই’ পৃথিবীর সবথেকে বড় কাজ। এই কাজটা মন দিয়ে করলে বাকি সব ভুলভ্রান্তি মকুব হয়ে যায়।
‘তুই না থাকলে সময় কাটে না’
মেয়ের ডাকনাম ‘মানি’। স্বস্তিকার আক্ষেপ, মেয়ে থাকলে দিনগুলো পলকের নিমেষে শেষ হয়ে যায়, আর সে চলে গেলেই সময় যেন থমকে দাঁড়ায়। তবুও মায়ের প্রার্থনা— ‘সন্তানেরা ভালো থাক। দূরে থাক, কিন্তু ভালো থাক।’ কারণ বাবা-মা যতদিন আছেন, ততদিনই আগলে রাখার এই ‘গল্প’ ফুরোয় না। স্বস্তিকার ভাষায়, তাঁদের অবর্তমানে অযাচিত যত্নের ডালিও একদিন মুড়িয়ে যায়।
মায়ের লড়াই
মাত্র ১৮ বছর বয়সে পরিবারের দেখা পাত্রকে বিয়ে করেছিলেন স্বস্তিকা। বছর ঘুরতেই মা হন। কিন্তু সংসার টেকেনি। একরত্তি মেয়ে কোলে ফিরে এসেছিলেন বাপের বাড়ি। সেই শুরু লড়াইয়ের। আড়াই দশক পেরিয়েও ঝুলে আছে ডিভোর্স মামলা। প্রমিত সেন কোনওদিন কাছে পাননি মেয়ে অন্বেষাকে। অন্য়দিকে এক মা হিসাবে নিজের লড়াই জারি রেখেছেন স্বস্তিকা।
স্বস্তিকা কন্য়া অন্বেষা
কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাইকোলজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছে অন্বেষা। তারপর তাঁর প্রাণের শহর লন্ডনে পছন্দের চাকরিও পেয়েছেন। এই তারকা সন্তানকে নিয়ে দর্শকমনে কৌতুহল বরাবর। অন্বেষাও নিজের ব্য়ক্তিগত জীবন নিয়ে রাখঢাক রাখেন না। একটা সময় কলকাতার ছেলে শ্লোক চন্দনের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন অন্বেষা। লং ডিসট্যান্ট প্রেম টেকেনি। আপতত লন্ডনের এক হ্য়ান্ডসাম পুরুষের প্রেমে পড়েছেন অন্বেষা। তাঁদের সম্পর্কের বয়স এক বছর। ২০২৫ সাল থেকে নিয়মিত কপল ছবি দেন অন্বেষা।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


