স্বস্তিকার দিদি নম্বর ১-এর ভক্ত তাঁর মেয়ের ব্রিটিশ-আইরিশ প্রেমিক! পাঠালেন ভিডিয়োও

দিদি নম্বর ১-এর সঞ্চালিকা হিসেবে দর্শকদের থেকে ভরে ভরে ভালোবাসা পাচ্ছেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। অভিনেত্রী নিজেই জানালেন যে, মেয়ে অন্বেষা জি ফাইভের সাবস্ক্রিপশন নিয়েছে দিদি নম্বর ১ দেখবে বলে। 

Published on: Aug 17, 2026, 15:36:38 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

আপাতত স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের নতুন পরিচয় ‘টিভির নতুন দিদি’। ১০ বছরেরও পুরনো রিয়েলিটি শো দিদি নম্বর ১ সঞ্চালনার দায়িত্ব চেপেছে স্বস্তিকার কাঁধে। বাংলায় সরকার বদলের পর রচনা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের হাত থেকে চলে যায় দিদি নম্বর ১। সেই জায়গায় আসেন স্বস্তিকা।

স্বস্তিকার দিদি নম্বর ১-এর ভক্ত তাঁর মেয়ে অন্বেষার ব্রিটিশ-আইরিশ প্রেমিকও।
স্বস্তিকার দিদি নম্বর ১-এর ভক্ত তাঁর মেয়ে অন্বেষার ব্রিটিশ-আইরিশ প্রেমিকও।

ইতিমধ্যেই দর্শকদের থেকে ভরে ভরে ভালোবাসা পাচ্ছেন অভিনেত্রী। যদিও রচনার জায়গা নেওয়ায় ট্রোলও কম হচ্ছে না। তবে নেতিবাচকতায় পাত্তা দিতে একেবারেই রাজি নন স্বস্তিকা। বরং সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানান যে, তাঁর দিদি নম্বর ১ নিয়ে বেশ উৎসাহী মেয়ে অন্বেষাও। এমনকী, দিদি নম্বর ১ দেখবেন বলে জি ফাইভের সাবস্ক্রিপশনও নিয়েছেন।

এক সাক্ষাৎকারে স্বস্তিকাকে বলতে শোনা যায়, ‘মেয়ে জি ফাইভের সাবস্ক্রিপশন নিয়েছে আমি দিদি নম্বর ১ শুরু করার পর। এর আগে আমি জি ফাইভে এত কাজ করেছি, তখন আমার মেয়ে ইন্টারেস্টেড ছিল না, সাবস্ক্রাইব করেনি, এখন করেছে।’

স্বস্তিকা আরও বলেন, ‘ওরা শুরুর দিকের সবকটা এপিসোডই দেখেছে। আমার মেয়ের পার্টনার ব্রিটিশ আইরিশ। ওকে আবার সবকিছু ট্রান্সলেট করে বলতে হয়। ও আমার জন্য ব্রিট অ্যাকসেন্টে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ গেয়ে একটা ভিডিয়ো পাঠিয়েছে। আমি বলেছি খুব জলদি যাব মেয়ের কাছে। ওখানে আমি আর ড্যানিয়াল একটা ভিডিয়ো বানাব, সোশ্যাল মিডিয়ায় দেব।’

অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে অন্বেষা মুখোপাধ্যায়ের বর্তমান প্রেমিকের নাম ড্যানিয়েল লোগ্রান (ড্যান)। তিনি লন্ডনের বাসিন্দা এবং পেশায় একজন ক্লাউড ইঞ্জিনিয়ার। কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সময় অন্বেষার সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়। তাঁরা প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একসঙ্গে ছবি শেয়ার করেন। এমনকী মেয়ে আর তাঁর প্রেমিকের ফোটোতে মন্তব্য করতেও ভোলেন না স্বস্তিকা কখনো। গত বছর শেষে ইউকে ট্রিপে গিয়ে একসঙ্গে ছবিও তুলেছিলেন। কাটিয়েছিলেন অনেকখানি সময়।

বিয়ের বছরখানেকের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়েছিল স্বস্তিকা ও প্রমিত সেনের। কয়েকমাসের মেয়েকে কোলে নিয়ে মা-বাবার কাছে এসে ওঠেন অিনেত্রী। তারপর থেকে একা হাতেই বড় করেছেন সন্তানকে। মা-মেয়ের বয়সের ফারাক বছর ১৯-এর। তাই দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব এমনটাই।

ড্যানিয়েলের আগে অন্বেষা কলকাতার ছেলে শ্লোক চন্দনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের একটি সম্পর্কে ছিলেন। তবে অন্বেষা পড়াশোনা ও চাকরির সূত্রে বিদেশে চলে যাওয়ায় তাঁদের সেই লং ডিস্ট্যান্স (দূরত্ব বজায় রাখা) প্রেমটি আর টেকেনি।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More