Swastika Daughter: ‘বাকি সবাই ভার্জিন,শুধু আমার মেয়ে…’, বিদেশি প্রেমিক অন্বেষার, মেয়ের বিয়ে নিয়ে বড় মন্তব্য স্বস্তিকার
বাবা-মা'র ভাঙা সংসারের স্মৃতি আজীবন বয়ে বেড়াতে হয়েছে অন্বেষাকে। তবে বিয়ে নামক সামাজিক প্রতিষ্ঠানে আজও বিশ্বাস হারায়নি স্বস্তিকা কন্যা।
অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় মানেই স্পষ্টবাদিতা আর নিজের শর্তে বাঁচার গল্প। ব্যক্তিগত জীবন হোক বা মেয়ে অন্বেষার ভবিষ্যৎ— ট্রোলারদের মুখের ওপর জবাব দিতে তিনি কখনই পিছিয়ে আসেন না। সম্প্রতি অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের সঞ্চালিত এক পডকাস্ট শো-তে এসে মেয়ের প্রেম, বিয়ে এবং তাঁকে ঘিরে নেটপাড়ার চর্চা নিয়ে একবারে চাঁচাছোলা ভাষায় নিজের মতামত জানালেন স্বস্তিকা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়ের বিদেশি প্রেমিকের সঙ্গে ছবি বা সম্পর্কের চর্চা উঠলেই যেভাবে একদল নেটিজেন নীতিপুলিশের ভূমিকায় নামেন, তা নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী। সঙ্গে শ্রবন্তী পডকাস্টে কথা বলার একপর্যায়ে ট্রোলারদের তোপ দাগেন স্বস্তিকা। নায়িকার কথায়, লন্ডনে চাকরিরতা মেয়ের ইচ্ছে, মা তাঁর কেরিয়ারের পাঠ চুকিয়ে আজীবনের ভিসা নিয়ে ওই দেশেই থাকুন। ওদিকে মেয়ের প্রেম নিয়েও খুল্লমখুল্লা জবাব স্বস্তিকার। তাঁর ‘মানি’ এখন আর একা নেই বিদেশে, এটা স্বস্তির ব্যাপার স্বস্তিকার কাছে। নিজের মুখেই বলেন, ‘এখন ওর সঙ্গে ওর পার্টনার আছে’। অভিনেত্রী বলেন, বিয়েতে পূর্ণ আস্থা রয়েছে অন্বেষা এবং তাঁর ব্রিটিশ প্রেমিকের। স্বস্তিকার কথায়, ‘ছেলেটি (ডান) একদম ওইরকম নয়। ওরা বিয়ে করতে চায়, বাচ্চা চায়। সেটা নিয়ে আলোচনাও হয়। তবে অন্বেষা তার আগে ওর পিএইচডি করবে।’
নিজের দাম্পত্য জীবন সুখের হয়নি। তবে মেয়ের বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানের প্রতি কোনও বিতৃষ্ণা নেই, জানিয়েছেন অভিনেত্রী। পাশাপাশি তাঁর মেয়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কিছু পোর্টালের বাড়বড়ন্তে খানিক বিরক্ত নায়িকা। তিনি বলেন, ‘স্বস্তিকার মেয়ে প্রেম করছে, সেটাই হাইলাইট। আর কিছু ওখানে ও করছে না। পড়াশোনা করছে না, চাকরি করছে না, কিচ্ছু করছে না। আর বাকি সবাই যারা ইউকে-তে থাকে তাঁরা বাকি সবাই কি ভার্জিন? নাকি বাকিরা সবাই অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ করছে’।
মেয়ের বিয়ে বা সম্পর্ক নিয়ে সমাজের এই অনাহূত নাক গলানোকে এক চুলও রেয়াত করেননি তিনি। পডকাস্টে স্রবন্তীর সঙ্গে আড্ডায় স্বস্তিকা অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়ে দেন, আজকের দিনে দাঁড়িয়ে তাঁর মেয়ে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এবং সে কার সঙ্গে থাকবে, কবে বিয়ে করবে—সেই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি অন্বেষার নিজের।
অভিনেত্রীর বক্তব্য, একজন মা হিসেবে তিনি সবসময় মেয়ের পাশে আছেন এবং নেটপাড়ার চটুল মন্তব্য বা ভণ্ড সামাজিক নীতিকে তিনি বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দেন না। পডকাস্টের এই বিশেষ অংশটি সামনে আসতেই নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছেন স্বস্তিকা। বরাবরের মতো তাঁর এই বোল্ড ও সোজা দৃষ্টিভঙ্গিকে কুর্নিশ জানিয়েছেন অনুরাগী ও অনুগামীরা।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


