'নিজের মনে করে মার্জনা করে দেবেন...', কার থেকে কেন ক্ষমা চাইলেন স্বস্তিকা?
একাধিকবার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করলেও এই ভাবেই প্রতিদিন একটানা সঞ্চালনার কাজ আগে কখনো করেননি স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। দর্শকদের কাছে যেমন স্বস্তিকা একদম নতুন ছিলেন তেমন স্বস্তিকার কাছেও এই কাজ খুব একটা সহজ ছিল না।
একাধিকবার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করলেও ছোট পর্দায় প্রতিদিন একটানা সঞ্চালনার কাজ আগে কখনও করেননি স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। দর্শকদের কাছে যেমন স্বস্তিকা একদম নতুন ছিলেন, তেমন স্বস্তিকার কাছেও এই কাজ খুব একটা সহজ ছিল না। একদিকে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জায়গায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা অন্যদিকে একটানা অনর্গল কথা বলা, সব মিলিয়ে দিদি নাম্বার ওয়ানের জার্নিটা নেহাত সহজ ছিল না স্বস্তিকার কাছে।
কার থেকে কেন ক্ষমা চাইলেন স্বস্তিকা?
যারা দিদি নাম্বার ওয়ান দেখেন তারা দেখেছেন কিভাবে নিজের পুরো এনার্জি দিয়ে সঞ্চালনার কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বা এগিয়ে নিয়ে যান স্বস্তিকা। দর্শকরা, এটাও খেয়াল করেছেন মাঝেমধ্যেই স্বস্তিকার গলা ধরে যায়। গলা ধরে গেলে খুব স্বাভাবিকভাবেই কণ্ঠস্বর অন্যরকম লাগে। তবে প্রতিবারের মতো নিজের গলার কণ্ঠস্বরের এই পরিবর্তনের ফলে পিছিয়ে না গিয়ে সদর্পে সকলের থেকে ক্ষমা চেয়ে কাজ এগিয়ে নিয়ে যান স্বস্তিকা।
সংবাদমাধ্যমকে স্বস্তিকা জানান, একটানা কনকনে এসিতে কাজ করার ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই গলায় প্রচন্ড চাপ পড়ে। তার ওপর অনর্গল কথা বলে যাওয়া, যেটা সিনেমা বা সিরিজে করতে হয় না। একটি অনুষ্ঠানের সেটে যেহেতু প্রচুর লাইট থাকে তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই এসি না চললে গরম লাগে আবার একটানা এসি চললে ঠান্ডা লেগে যায়। তাই গলা ধরে গেলেই স্বস্তিকা আগেভাগেই প্রতিযোগী ও উপস্থিত দর্শকদের থেকে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে বলেন, ‘আমাকে মার্জনা করবেন। নিজের মনে করে ক্ষমা করে দেবেন। আজ আমার গলাটা ব্যাঙের মতো শোনাচ্ছে।’
স্বস্তিকার ব্যক্তিত্বটাই এমন। কোনও কিছুতেই তিনি নিজের আত্মবিশ্বাস এতটুকু নড়তে দেন না। ব্যক্তিগত জীবনেও বহুবার বহু সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন তিনি কিন্তু সবকিছু পেরিয়ে কিভাবে ইতিবাচক দৃষ্টিতে নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়, সেটা খুব ভালো করেই জানেন স্বস্তিকা।
Home/Entertainment/'নিজের মনে করে মার্জনা করে দেবেন...', কার থেকে কেন ক্ষমা চাইলেন স্বস্তিকা?