Swastika Didi No 1: ‘সোনা বাবাটা আমার…’, দিদি নম্বর ১-এর মঞ্চে স্বস্তিকার ‘ছেলে’, মা-কে বিশেষ উপহার!
জি বাংলার ‘দিদি নাম্বার ১’-এর সেটে অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের সাথে দেখা করতে হাজির ‘ছেলে’ দেবদত্ত রাহা। মায়ের জন্য এল বিশেষ উপহার।
বিনোদন জগতে অভিনয়ের সূত্রে কত সম্পর্কের তৈরি হয়, আবার কাজ শেষ হলে অনেকেই তা ভুলে যান। কিন্তু টলিউডের অন্যতম স্পষ্টবক্তা ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় (Swastika Mukherjee)-র কাছে সম্পর্কের সমীকরণটা একদম আলাদা। সম্প্রতি জি বাংলার জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘দিদি নাম্বার ১’ (Didi No. 1)-এর সেটে এসে হাজির হয়েছিল ওঁর অনস্ক্রিন ছেলে। আর সেই বিশেষ পুনর্মিলনের ছবি সোশ্যালে শেয়ার করে এক আবেগঘন বার্তা দিলেন অভিনেত্রী।

‘দিদি নাম্বার ১’-এর সেটে ‘সোনা বাবা’, স্বস্তিকাকে বিশেষ উপহার
‘দিদি নাম্বার ১’-এর সেটে স্বস্তিকার সাথে দেখা করতে হাজির হয়েছিলেন অভিনেতা দেবদত্ত রাহা। হইচই-এর ওয়েব সিরিজ বিজয়া-তে স্বস্তিকার ছেলের চরিত্রে দেখা মিলেছিল তাঁর। সেখানে মা-ছেলের সমীকরণ চোখ টেনেছিল। কারণ স্বস্তিকার মেয়ে অন্বেষার বয়স দেবদত্তর আশেপাশে। অনায়াসেই তাঁকে বুকে টেনে নিয়েছিলেন স্বস্তিকা। এদিন ফাঁকা হাতে আসেনি পর্দার ছেলে। সঙ্গে এনেছিল একটি বই এবং এক তোড়া লাল গোলাপ। অনস্ক্রিন ছেলের এই ভালোবাসায় আপ্লুত স্বস্তিকা ওঁর সাথে একটি মিষ্টি সেলফি শেয়ার করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘কাজ আসে, কাজ যায়, সম্পর্ক রয়ে যায়— এগুলোই জীবনের মূল সম্পদ। সোনা বাবাটা আমার।’
পর্দার সেই গভীর ও আবেগঘন রসায়ন যে ক্যামেরার পেছনেও বাস্তব জীবনে কতটা অটুট রয়ে গিয়েছে, এই ছবি তারই প্রমাণ।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে র্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গল্প ‘বিজয়া’
যাঁরা সিরিজটি দেখেছেন, তাঁরা জানেন ‘বিজয়া’-র গল্পটি মূলত আমাদের সমাজের অন্যতম এক জ্বলন্ত সমস্যা— শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘র্যাগিং’ (Ragging)-এর ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি। একটি কলেজে সদ্য পড়তে আসা এক সাধারণ পড়ুয়ার আকস্মিক ও রহস্যময় মৃত্যুকে ঘিরে দানা বাঁধে সিরিজের গল্প। সমাজের উচ্চশ্রেণির এক ধনী পরিবারের ছাত্র স্রেফ নিজের আনন্দের জন্য কলেজের জুনিয়রদের ওপর নির্মম র্যাগিং চালায়, যার পরিণতিতে ওই সাধারণ পড়ুয়াটির মৃত্যু হয়। প্রভাবশালী মহলের চাপে এই নৃশংস মৃত্যুকে ‘আত্মহত্যা’ বলে ধামাচাপা দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করা হয়। কিন্তু মৃত ছাত্রের মা কিছুতেই এই অন্যায় মেনে নিতে নারাজ। নিজের ছেলের মৃত্যুর সুবিচার চেয়ে একাই প্রভাবশালী ও সমাজ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামেন তিনি। সিরিজে এই লড়াকু মায়ের চরিত্রে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের অনবদ্য অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল।
আপতত দিদি নম্বর ১-এর সঞ্চালিকা হিসাবে নেটপাড়ার নজরদারিতে স্বস্তিকা। রচনার জুতোয় পা গলানো সহজ নয় তা হারে হারে টের পাচ্ছেন অভিনেত্রী।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


