Swastika: ‘নিজেরাই যখন ডেকে আনছ, তখন অবাক হওয়ার ভান কেন…’! পাপারাজ্জি কালচার নিয়ে টলি-তারকাদের একহাত নিলেন স্বস্তিকা
কলকাতায় পাপারাজ্জি কালচার বেশ নতুন। কয়েকবছর ধরেই শুরু হয়েছে। মজার ব্যাপার হল, নিন্দুকদের দাবি এখানে নাকি তারকারাই খবর দেন। নিজেরাই ফোন করে ডাকেন। আর সেই জল্পনায় সিলমোহর দিয়েই দিলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় পাপারাজ্জি ভিডিয়ো আজকাল খুব ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যায়, কখনো হয়তো পরিবার নিয়ে রেস্তোরাঁ থেকে বের হচ্ছেন কোনো তারকা, বা এয়ারপোর্ট থেকে বেরোচ্ছেন, সামনে পাপারাজ্জিদের দেখে রীতিমতো হতবাক। তবে বলিউডের বহু তারকাই ইতিমধ্যে ফাঁস করেছেন যে, বিশেষ বিশেষ দিনে যখন তাঁরা নিজেরা স্পট হতে চান, তখন তাঁদের পিআর ম্যানেজার-রা ফোন করে খবর দেয় এই পাপারাজ্জোদের। যদিও মুম্বইয়ের আনাতে কানাচে ছড়িয়ে আছেন এই ছবিশিকারীরা এখন। যাদের ঠোঁটস্থ তারকাদের গাড়ির নম্বর, সেই দিয়েও ট্র্যাক করেন তাঁরা সেলেবদের।

এদিকে কলকাতায় পাপারাজ্জি কালচার বেশ নতুন। কয়েকবছর ধরেই শুরু হয়েছে। মজার ব্যাপার হল, নিন্দুকদের দাবি এখানে নাকি তারকারাই খবর দেন। নিজেরাই ফোন করে ডাকেন। তা সে এয়ারপোর্ট হোক, বা রেস্তোরাঁ কিংবা স্যালোঁর বাইরে। আর নেটপাড়ার সেই সন্দেহেই সিলমোহর দিলেন অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ও। বৃহস্পতিবার বেশ লম্বা পোস্ট এল তাঁর তরফ থেকে সোশ্যাল মিডিয়াতে। আর সেখানে এই পাপারাজ্জি কালচার নিয়ে রীতিমতো করলেন বিরক্তি প্রকাশ।
স্বস্তিকা লিখেছেন, ‘এই 'প্যাপস কালচার', যা আমি ব্যক্তিগতভাবে একদমই সহ্য করতে পারি না এবং যা আমাকে ভীষণভাবে বিরক্ত ও অস্বস্তিতে ফেলে, সেটা এখন কলকাতার জীবনেও ঢুকে পড়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই হচ্ছে এটা। ইভেন্ট, শো বা সিনেমার প্রচারের জন্য প্যাপসদের ডাকা— ঠিক আছে, আয়োজক বা প্রযোজকদের কাজে লাগে, সেটা আমি বুঝি। কিন্তু যেটা একদমই বুঝি না, সেটা হল— নিজেরাই যখন তাদের ডেকে আনছ, তখন আবার তাদের দেখে অবাক হওয়ার অভিনয় কেন? ‘তোমরা এখানে কেন?’— এই ধরনের সংলাপ বলে পুরো ব্যাপারটাকে আরও বেশি স্ক্রিপ্টেড আর হাস্যকর করে তোলার মানেটা কী? আপনারাই তো তাদের ডাকছেন, তাই না? টাকা দিচ্ছেন কি দিচ্ছেন না, সেটা আপনাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু এই অকারণ নাটক কেন— যেন হঠাৎ করে কোথাও দেখা হয়ে গেল?!’
‘আমি আজ পর্যন্ত কোনোদিন এয়ারপোর্টের বাইরে কোনো ফোটোগ্রাফার, ভিডিয়োগ্রাফার বা অনলাইন পোর্টালকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখিনি। অথচ কাজের সূত্রে আমি প্রায় প্রতি সপ্তাহেই কোথাও না কোথাও যাই। যারা এই ভিডিওগুলো দেখছে, তারাও এখন সব বুঝে গিয়েছে। পুরো ব্যাপারটা এতটাই বোকা বোকা লাগে! সত্যিই অসহ্য। অন্তত এই প্যাপসদের সামনে অভিনয়টা একটু বিশ্বাসযোগ্য করে করো। সেখানেও কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা নেই।’, আরও লেখেন স্বস্তিকা।
আর অভিনেত্রীর থেকে এই পোস্ট আসতেই তা রীতিমতো ভাইরাল। এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘এত সুন্দর করে তুমি সত্যি কথাগুলো বলো। টু গুড। এমনি এমনি তো তোমায় এত ভালো লাগে না।’ আরেকজন লিখলেন, ‘আমার মনে হয় এগুলো করে তারকারা প্রমাণ করতে চান যে তাঁরা এখনো গ্রহণযোগ্য। আর সত্যিই এটা হাস্যকর।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


