Swastika-Parambrata: ২০২১ সালে BJP হারার পর পরমব্রতর ‘রগরানি দিবস’ টুইট চর্চায়, সঙ্গে স্বস্তিকার জবাব

২০২১-এ বিজেপির হারের পর পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় টুইট করেন, ‘আজকে বিশ্ব রগড়ানি দিবস পালিত হোক’। আর যার জবাবে স্বস্তিকা লেখেন, ‘হাহাহা হোক হোক’। যা নিয়ে এখন চর্চা তুঙ্গে। এবার নীরাবতা ভাঙলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। দিলেন কড়া জবাব। 

May 7, 2026, 18:20:07 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

একটা স্ক্রিনশট সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল। যেখানে দেখা যাচ্ছে ২০২১-এ বিজেপির হারের পর পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় টুইট করেন, ‘আজকে বিশ্ব রগড়ানি দিবস পালিত হোক’। আর যার জবাবে স্বস্তিকা লেখেন, ‘হাহাহা হোক হোক’। আর সেই স্ক্রিনশট শেয়ার করে স্বস্তিকাকে বিজেপি বিরোধী তকমা দেওয়া হচ্ছে। এবার গোটা ঘটনা নিয়ে নীরাবতা ভাঙলেন অভিনেত্রী।

পরমব্রত-স্বস্তিকার ভাইরাল রগরানি দিবস টুইট।
পরমব্রত-স্বস্তিকার ভাইরাল রগরানি দিবস টুইট।

স্বস্তিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্ট করলেন, পরমব্রতর সেই টুইট আর তাতে তাঁর জবাব ছিল দিলীপ ঘোষের একটি বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। আর এখন সেসব না লিখেই, শুধু স্ক্রিনশট ভাইরাল করছে একাংশ। অভিনেত্রী লেখেন, ‘২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আশেপাশে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, ‘শিল্পীদের রগড়ে দেবো, আমি কেমন রগড়াই তা সবাই জানেন’ ইত্যাদি…। বহু শিল্পী সেই সময়ে এই কথার প্রতিবাদ করেছিলেন, যাদের মধ্যে ওনার দলের বেশ কয়েকজনও ছিলেন | ২০২১-এ বিজেপি ইলেকশনে হারার পর, দিলীপবাবুর সেই অপমানের পরিপ্রেক্ষিতে ২ মে ২০২১-এ পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় টুইট করেছিলেন — ‘আজকে বিশ্ব রগড়ানি দিবস পালিত হোক’।আমিও দিলীপ ঘোষের শিল্পীদের প্রতি দেখানো অসম্মানের উত্তরে টুইটের রিপ্লাই দিয়ে বলেছিলাম — ‘হাহাহা হোক হোক’। স্ক্রিনশট তুলে পোস্ট করার হলে পুরো ঘটনাটা করুন। নিজেদের মনোরঞ্জনের জন্য আউট অফ কনটেক্সট একটা টুইট তুলে নিয়ে নোংরামো করবেন না।’

সেভাবে প্রকাশ্যে কোনো দলের হয়েই রাজনীতি করতে দেখা যায়নি স্বস্তিকাকে। বরং, আরজি কর আন্দোলনের সময় শাসক দলের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় কম কটাক্ষের মুখে পড়েননি। অভিনেত্রী তাঁর এদিনের পোস্টে আরও লেখেন, ‘মানুষ চেয়েছে, সরকার পাল্টেছে—খুব আনন্দের কথা। অনেক কাজ আছে করার, আমরা বরং সেই কাজের দিকে ফোকাস করি। আমি কোনোদিন পার্টি/পলিটিক্স করিনি। কোনোদিন কোনো সরকারের কাছ থেকে বা পুলিশ-প্রশাসনের থেকে কোনো ফেভার্স নিইনি। যেখানে প্রতিবাদ করা উচিত বলে মনে করেছি, সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করেছি। নতুন সরকারকে আমার শুভেচ্ছা। আশা করব যে, শিল্পীরা নিজেদের কাজটুকুই করেছে, এই দল-ওই দলের রং গায়ে মাখেনি— তাদের নিয়ে অযথা নোংরামো হবে না। শান্তি বজায় রাখুন। আমরা কেউ কোনও রকম ভায়োলেন্সকে সাপোর্ট করি না। পোস্ট ইলেকশন আমাদের রাজ্যে আগেও যা হয়েছে, এখনো যা হচ্ছে তাতে সবার ক্ষতি। তীব্র নিন্দা জানাই। আসুন, আমরা সবাই নিজেদের ভালোর জন্য আরও ভালো আগামী গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করি।’

নিজের এই পোস্টের সঙ্গে দিলীপ ঘোষের সেই বিতর্কিত মন্তব্য, সেই সময় তারকাদের সমস্বরে প্রতিবাদ, বিভিন্ন মহল থেকে দিলীপ ঘোষের সমালোচনা হওয়ার বিিন্ন নিউজ আর্টিকেলও দিলেন অভিনেত্রী।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More