Swastika-Didi No 1: ‘যারা আমায় রাক্ষসী বলছেন…’, দিদি নম্বর ১ নিয়ে ট্রোল, পালটা জবাব স্বস্তিকার

দিদি নম্বর ১-এর ১১ নম্বরের সিজনের সঞ্চালিকা হিসেবে দেখা যাচ্ছে বর্তমানে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে। রচনাকে সরিয়ে নতুন দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলেছেন অভিনেত্রী। যা নিয়ে আপাতত মিশ্র প্রতিক্রিয়া দর্শকদের। 

Published on: Jul 13, 2026, 10:31:15 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

জুন মাসের শেষে এসে শুরু হয়েছে ‘দিদি নম্বর ১’-এর নতুন সিজন। আর এবারে রচনা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে সরিয়ে, সেই দায়িত্ব এসেছে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের কাছে। ইতিমধ্যেই স্বস্তিকার সঞ্চালনা বেশ প্রশংসা পাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। যদিও কটাক্ষও কম হচ্ছে না। তবে বরাবারই ট্রোলিং সামলাতে সিদ্ধহস্ত স্বস্তিকা। তাই দিদি নম্বর ১ নিয়ে হওয়া ট্রোলিংয়েও জবাব দিলেন বেশ মজাদার ভঙ্গিতে।

‘দিদি নম্বর ১’-এর নতুন সিজনের সঞ্চালিকা স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।
‘দিদি নম্বর ১’-এর নতুন সিজনের সঞ্চালিকা স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।

ট্রোলে স্বস্তিকার জবাব:

স্বস্তিকা তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় দিদি নম্বর ১-এর একটি ক্লিপিংস শেয়ার করে লেখেন, ‘যে বা যারা আমায় রাক্ষসী বলে ডাকছেন, দয়া করে শাঁকচুন্নি তে শিফট করে যান।শাঁকচুন্নি ইস বেটার। আই লাভ শাঁকচুন্নিস। কদলীবালা শাঁকচুন্নি ছিল। ওটা আমাকে বেশি মানায়। এবারের দিদি নাম্বার ১ এর হোস্ট একজন শাঁকচুন্নি-- বলে দেখুন এটা বেশি ভালো লাগছে।’

নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া:

এদিকে স্বস্তিকার এমন পোস্টে বেশ মজা পেয়েছে নেটপাড়াও। এক ভক্ত মন্তব্য করেছেন, ‘রূপবতী ও গুণবতী হলে এমন রাক্ষুসী শাকচুন্নি শুনতে শুনতেই জীবন পার, অনেক ভালোবাসা তোমায়’। আরেকজন লেখেন, ‘সমাজ স্বাধীনচেতা নারী মেনে নিতে পারে না। যদিও তোমার ক্যাপশনটা কিন্তু দারুন। মিষ্টি শাঁকচুন্নি। ভালো থেকো।’

একজন দিদি নম্বর ১-এর সঞ্চালিকা হিসেবে স্বস্তিকার প্রশংসা করে লেখেন, ‘ভীষণ ন্যাচারাল, উপস্থাপনা কিভাবে করতে হবে জানেন। মেকি ব্যাপারটা নেই একেবারে।’ আরেকজন লেখেন, ‘এরকম শাকচুন্নি যেন বাংলার ঘরে ঘরে থাকে’।

রচনার ‘নাটকীয়’ বিদায়:

২০০৯ সাল থেকে শুরু হয়েছিল দিদি নম্বর ১-এর যাত্রা। যদিও প্রথম সিজনের সঞ্চালনার দায়িত্ব ছিল পুষ্পিতা মুখোপাধ্যায়ের হাতে। দ্বিতীয় সিজন থেকে দিদি নম্বর ১-এর সঞ্চালিকা হিসেবে আসেন রচনা। প্রথমদিকে, টিভিতে শো করা নিয়ে বেশ দোটানায় ভুগেছিলেন রচনা। তবে বলাই বাহুব্য, একবার এই যাত্রা শুরুর পর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বাংলার ঘরে ঘরে তাংকে পৌঁছে দেয় দিদি নম্বর ১। মাঝে রচনাকে সরিয়ে একবার দিদি নম্বর ১-এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল জুন মালিয়ার কাঁধে। এমনকী, ষষ্ঠ সিজনে এসেছিলেন দেবশ্রী রায়ও। শোনা যায়, পারিশ্রমিক নিয়ে মনোমালিন্যের জেরেই এমন সিদ্ধান্ত ছিল চ্যানেলের। তবে জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখে ফের ফিরিয়ে আনা হয় রচনাকে।

২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হারের পর, হুগলির সাংসদ রচনা আচমকাই দল বদলের সিদ্ধান্ত নেন। যোগ দেন এনসিপিআই-তে। তবে তারপরেও আচমকাই রচনাকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় চ্যানেল।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More