Swastika Daughter: লন্ডনে চাকরি অন্বেষার! একসময় কলকাতার বড় স্কুলগুলি ভর্তি নিতে চায়নি স্বস্তিকা-কন্যাকে, কী ছিল কারণ?
অভিনয়ে পা না রেখেও, স্বস্তিকার অনুরাগীদের মধ্যে জনপ্রিয় তাঁর মেয়ে অন্বেষা সেন। বর্তমানে লন্ডনে কর্মরত তিনি। রবিবার মেয়ের সঙ্গে ছবি দিলেন অভিনেত্রী।
বরাবরই দর্শক মনে জায়গা করে নেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। আর এর পিছনে শুধুই যে তাঁর দুর্দান্ত অভিনয় প্রতিভাই কারণ তা নয়, বরং তিনি ভালোবাসা পেয়ে এসেছেন নিজের স্বভাবের কারণে। আর একইভাবে স্বস্তিকার অনুরাগীদের মধ্যে জনপ্রিয় তাঁর মেয়ে অন্বেষা সেন। যদিও মায়ের পথ অনুসরণ করে অভিনয়ে আসেননি তিনি। তবুও জনপ্রিয়তায় অন্বেষা টক্কর দিতে পারেন তারকাদের।

পড়াশোনায় বারাবরই তুখোড় অন্বেষা। মুম্বইয়ের নামী কলেজ থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি করেন। আর তারপর স্কলারশিপ পেয়ে কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন অন্বেষা। এখন তিনি লন্ডনে চাকরি করছেন। শ্যুটের ফাঁকে ছুটিছাটা পেলেই মেয়ের কাছেই চলে যান অভিনেত্রী। একান্তে সময় কাটান মা-মেয়েতে। কখনো সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই মিষ্টি মুহূর্তও ভাগ করে নেন তাঁরা।
রবিবার মেয়ের সঙ্গে ছবি শেয়ার করে স্বস্তিকা লিখলেন, ‘মাই হ্যাপি পিল’ অর্থাৎ অভিনেত্রীর ভালো থাকার ওষুধ তাঁর মেয়ে। লোকেশন দেখাচ্ছে, লিটল ভেনিস, লন্ডন। কদিন আগেই অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন যে মেয়ের কাছে যাচ্ছেন তিনি। এমনকী, সেই সময় এটাও বলেছিলেন যে, এবার লন্ডনে গেল মেয়ের প্রেমিকার সঙ্গে দিদি নম্বর ১-এর টাইটেল ট্র্যাকে রিল বানানোর ইচ্ছেও তাঁর রয়েছে। কারণ তিনি দিদি নম্বর ১-এ সঞ্চালিকা হিসেবে যোগ দেওয়ার পর থেকেই, ভীষণ উত্তেজিত তাঁর মেয়ে ও মেয়ের প্রেমিক। দুজনে জি ফাইভের সাবস্ক্রিপশন নিয়েছেন দিদি নম্বর ১ দেখার জন্য।
প্রসঙ্গত, প্রায় একা হাতেই মেয়েকে মানুষ করেছেন স্বস্তিকা। ১৮ হতে না হতেই বাড়ি থেকে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল গায়ক প্রমিত সেনের সঙ্গে। তবে এই বিয়ে সুখের হয়নি। একরত্তি মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ঘর ছাড়েন। বলা ভালো, মাতৃত্বই কেরিয়ারের ওঠা-পড়া, ব্যক্তিগত জীবনের ভাঙা-গড়াই এই বছরগুলোতে শক্তি জুগিয়েছে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন যে, সিঙ্গল মাদারের মেয়ে হওয়ায় কলকাতার নামি স্কুল একসময় ভর্তি নিতে চায়নি স্বস্তিকা-কন্যাকে। তবে লড়াই ছাড়েননি মা-মেয়ে। আজও তাঁরা একে-অপরের জন্য বেস্ট ফ্রেন্ড।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


