‘রুবেলের মধ্যে আমি সন্তানের অনুভূতি পাই’, বরকে ‘মাম্মা’ ডাক, কী সাফাই শ্বেতার?

 ‘রুবেলের মধ্যে সন্তানের ফিল পাই, আমি ওর দ্বিতীয় মা’, বর রুবেলকে নিয়ে মুখ খুললেন শ্বেতা। 

Published on: Sep 19, 2026, 22:00:25 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ছোট পর্দার জনপ্রিয় তারকা দম্পতি শ্বেতা ভট্টাচার্য ও রুবেল দাসকে নিয়ে নেটপাড়ায় চর্চার শেষ নেই। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে তাঁদের একটি মজাদার আড্ডার ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। ভিডিওতে অভিনেত্রী অলকানন্দা গুহর সঙ্গে খোলামেলা আড্ডায় মেতে উঠতে দেখা যায় এই জুটিকে। সেই আড্ডাতেই উঠে এসেছে তাঁদের সম্পর্কের নানা অজানা কথা, যার মধ্যে ছিল বরের উচ্চতা পছন্দ করা এবং বরকে ‘মাম্মা’ ডাকার কারণ।

‘রুবেলের মধ্যে আমি সন্তানের অনুভূতি পাই’, বরকে ‘মাম্মা’ ডাক, কী সাফাই শ্বেতার?
‘রুবেলের মধ্যে আমি সন্তানের অনুভূতি পাই’, বরকে ‘মাম্মা’ ডাক, কী সাফাই শ্বেতার?

‘লম্বা বর হলে একটা সিনেমার মতো ফিল পাওয়া যায়’

ভিডিওর শুরুতে খাটো ও লম্বা স্বামী প্রসঙ্গ উঠতেই রুবেল রসিকতা করে বলেন, ‘শ্বেতা তো এসব কথাই বলবে... ওহ লম্বা বর পেয়ে গেছে।’ এর জবাবে হেসে শ্বেতা জানান, তাঁর কেন লম্বা স্বামী পছন্দ।

লম্বা বরের সুবিধা বলতে গিয়ে অলকানন্দা বলেন ‘যে বউ হবে, সে ঠিক একদম বুকে এসে পড়বে। এটা একটা সিনেম্যাটিক ব্যাপার হচ্ছে!’ অলকানন্দার এই কথায় সায় দিয়ে রুবেলও কৌতুক করে যোগ করেন:'আরেকটা বিষয় আছে, সেটা হচ্ছে লম্বা বর যদি থাকে, তাহলে সে ওপরে টেম্পারেচার কত আছে সেটা বলতে পারবে। আর খাটো বর থাকলে নিচে কত টেম্পারেচার…'। কথা প্রসঙ্গে শ্বেতাও হেসে যোগ করেন, ‘বর আমাকে জড়িয়ে ধরে বলবে, নিচের টেম্পারেচার কত?’

ট্রোলিংয়ের জবাবে শ্বেতার সাফাই- ‘রুবেলের মধ্যে সন্তানের ফিল পাই’

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে রুবেলের জন্মদিনের এক পোস্টে তাঁকে ‘মাম্মা’ বলে ডেকেছিলেন শ্বেতা। এর পর থেকেই নেটিজেনদের একাংশ বিষয়টি নিয়ে নানারকম চর্চা ও ট্রোলিং শুরু করেন। সেই কটাক্ষের জবাব দিতে গিয়ে ভিডিওতে নিজের অবস্থানের স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেন শ্বেতা। তিনি জানান: ‘আমি একটা জন্মদিনের পোস্টে লিখেছিলাম—‘লাভ ইউ মাম্মা’। সে মাম্মা বলাতে লোকজনের কত দুশ্চিন্তা! আমি মা হয়ে গেছি... , আমি কেন মাম্মা ওকে বলেছি, আমি কি মা হয়ে গেলাম... হ্যানাত্যানা অনেক কিছু। হ্যাঁ, বিশ্বাস করুন আমি ওর মা—দ্বিতীয় মা!’ রুবেলের সঙ্গে নিজের মানসিক সম্পর্কের গভীরতা বোঝাতে গিয়ে শ্বেতা আরও বলেন: ‘আমি তো সন্তানের ফিল পাই ওর মধ্যে!’ সম্পর্কের মজার সমীকরণ ও বরের প্রতিক্রিয়াশ্বেতার এমন মন্তব্য শুনে পাশে বসে থাকা রুবেলও হাসিতে ফেটে পড়েন এবং নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। রুবেলের বক্তব্য: ‘আর শ্বেতা তো আমার মেয়ে। আমি তো এখন বাবার ফিল-ই পাচ্ছি! মেয়েই বলবো।’

দু’জনের বক্তব্য শুনে আড্ডার আবহাওয়া এক অদ্ভুত মজার মোড় নেয়। শ্বেতা হেসে বলেন, ‘লোকে বলে না বিয়ের পর ভাই-বোন হয়ে গেছে। আমরা চেঞ্জ করেছি, ভাই-বোন নয়, বাবা-মা হয়েছি!’ আর রুবেল রসিকতা করে যোগ করেন, ‘কে কার বাবা, কে কার মা... আমি সম্পর্ক পুরো ভুলেই গেছি!’

ভিডিওর একেবারে শেষভাগে অলকানন্দা নেটিজেনদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন: ‘দর্শকদের বলবো কমেন্ট করে জানাতে, এই সম্পর্কের নাম কী?’পুরো ভিডিওজুড়েই শ্বেতা ও রুবেলের সহজ-সরল সমীকরণ এবং নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে এই মিষ্টি খোঁচা ভক্তদের বেশ আনন্দ দিয়েছে।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More