Rubel-Sweta: ‘অনেক কাজ পাচ্ছি, কিন্তু…’! রুবেলকে বিয়ের পর অভিনয় ছেড়ে, সংসারেই মন শ্বেতার?
শ্বেতা ভট্টাচার্যকে শেষ দেখা গিয়েছে জি বাংলার কোন গোপনে মন ভেসেছে সিরিয়ালে। যদিও সেটি শেষ হওয়ার পর কেটে গিয়েছে প্রায় ৬ মাস। কেন নতুন কোনো মেগায় ফিরছনে না? কারণ জানালেন নিজেই।
কোন গোপনে মন ভেসেছে ধারাবাহিক শেষ হওয়ার পর ছোট পর্দায় এখনো ফেরেননি শ্বেতা ভট্টাচার্য। যদিও সেই মেগা-য় শ্বেতার নায়ক থাকা রণজয় ভট্টাচার্যকে বর্তমানে দেখা যাচ্ছে প্রতিজ্ঞা সিরিয়ালে। আর তাঁর ‘না ফেরা’ নিয়ে তৈরি হাজারও জল্পনা। কেউ বলছেন তিনি নাকি কাজ পাচ্ছেন না! আবার কেউ বলছেন বিয়ে করে সংসার নিয়ে ব্যস্ত! আসল সত্যি কি? জানালেন নিজেই।

প্রসঙ্গত, কোন গোপনে মন ভেসেছে ধারাবাহিকে কাজ করতে করতেই রুবেল দাসের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। এতটাই কাজের প্রেসার ছিল যে, বউভাতের দু দিন পরেই ফিরতে হয়েছিল ধারাবাহিকের সেটে। ব্যস্ততার কারণে হানিমুনটাও বাকি ছিল। যা হয় ১ বছরের বিবাহবার্ষিকীর পরপর।
কাজে ফেরা নিয়ে কী বললেন শ্বেতা?
সম্প্রতি এক বার্তায় শ্বেতা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কাজ না পাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। বরং তাঁর কথায়, ‘অনেক কাজ পাচ্ছি আমি। ইতিমধ্যেই তিনটে প্রজেক্ট ছেড়ে দিয়েছি।’
অভিনেত্রীর কথায়, ব্যাক-টু-ব্যাক কাজ করার পর তিনি একটু সময় নিতে চেয়েছেন পরবর্তী প্রজেক্ট বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে। তবে মেগা সিরিয়ালের ক্ষেত্রে ‘বেস্ট’ প্রজেক্ট বেছে নেওয়াও সহজ নয় বলেও মনে করেন তিনি। TRP-র ওপর নির্ভর করে গল্প বদলে যাওয়ায় অনেক সময় পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোনো যায় না। তবুও এমন একটি গল্প এবং চরিত্র বেছে নিতে চান, যা তাঁর জন্য উপযুক্ত এবং ভবিষ্যতেও তাঁর জন্যও লাভজনক হবে।
শ্বেতা বলেন, ‘আপনাদের অনেকেই জানতে চাইছেন—প্রায় ছয় মাস হয়ে গেল, আমি এখনও নতুন কাজ শুরু করিনি কেন? কেউ ভাবছেন আমি কাজ পাচ্ছি না, আবার কেউ মনে করছেন ইচ্ছে করেই কাজ করছি না। তাই বিষয়টা একটু পরিষ্কার করে বলছি।
আসলে কাজের অভাব নেই, বরং অনেক কাজের অফার পাচ্ছি। ইতিমধ্যেই তিনটি প্রজেক্ট ছেড়ে দিয়েছি। পরবর্তী যে কাজটি করব, সেটার জন্য আমি একটু সময় নিতে চেয়েছি। কারণ টানা ব্যাক-টু-ব্যাক কাজ করার পর এবার এমন একটি প্রজেক্ট বেছে নিতে চাই, যা আমার জন্য সত্যিই উপযুক্ত হবে।
যদিও মেগা সিরিয়ালের ক্ষেত্রে পুরোপুরি ‘বেস্ট’ বেছে নেওয়া সহজ নয়, কারণ TRP অনুযায়ী গল্প অনেক সময় বদলে যায়। তবুও আমি এমন একটি গল্প এবং চরিত্র খুঁজছি, যা আমার সঙ্গে মানানসই এবং আমাকে আরও ভালোভাবে তুলে ধরতে পারবে। যেহেতু এটি আমার দশম প্রজেক্ট হতে চলেছে, তাই বিষয়টি নিয়ে একটু বেশি সচেতন এবং বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা ‘চুজি’ হয়ে গেছি।
তবে এত অপশনের মধ্যে ঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছানোটা সহজ হচ্ছে না। তাই মনে হলো, এমন একজনের পরামর্শ নেওয়া দরকার, যিনি হয়তো এই সমস্যার একটি ভালো সমাধান দিতে পারবেন।’
তবে শ্বেতার অনুরাগীরা বর্তমানে মুখিয়ে আছেন, তাঁদের পছন্দের নায়িকাকে বড় পর্দায় দেখার জন্য।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


