Sweta Bhattacharya: ‘দেহব্যবসায়ী’ কটাক্ষ শ্বেতাকে! ‘স্লাট-শেমিং’-এর কড়া জবাব রুবেল ঘরণীর, পাশে ভক্তরা

কিছুদিন আগে জুটিতে দিদি নম্বর ১ সঞ্চালনা করেছেন শ্বেতা-রুবেল। এবার জি বাংলার শাশুড়ি-বউমার রান্নাঘরে হাজির দম্পতি। সেই নিয়েই যৌনগন্ধী মন্তব্যে জেরবার শ্বেতা। পাশে দাঁড়ালো ভক্তরা। 

Published on: Jul 3, 2026, 09:30:34 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বিনোদন জগতের তারকাদের ট্রোলিংয়ের শিকার হওয়া নতুন কিছু নয়, তবে মাঝে মাঝেই সেই ট্রোলিংয়ের ভাষা সমস্ত শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। এবার এমনই এক চূড়ান্ত কুরুচিকর ও যৌনগন্ধী আক্রমণের মুখে পড়লেন ছোটপর্দায় জি বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্য (Sweta Bhattacharya)। তবে মুখ বুজে সহ্য না করে, কুৎসিত মন্তব্যকারী নেটিজেনকে কড়া ভাষায় উচিত জবাব দিয়ে নেটপাড়ায় প্রশংসিত হচ্ছেন রুবেল-ঘরণী।

‘জি হেডের রাতের সঙ্গী’, শ্বেতাকে যৌনগন্ধী কটাক্ষ! ধুয়ে দিলেন রুবেল ঘরণী
‘জি হেডের রাতের সঙ্গী’, শ্বেতাকে যৌনগন্ধী কটাক্ষ! ধুয়ে দিলেন রুবেল ঘরণী

বিগত প্রায় ১৬ বছরের অভিনয় ক্যারিয়ারে ৯টিরও বেশি মেগা সিরিয়ালে মুখ্য চরিত্রে কাজ করেছেন শ্বেতা। যার বেশিরভাগই বিপুল সফল। কাজের সূত্রে শ্বেতা ও ওঁর স্বামী তথা অভিনেতা রুবেল দাস (Rubel Das) দুজনেই জি বাংলার অত্যন্ত পরিচিত মুখ। সম্প্রতি বরের হাত ধরে রান্নার জনপ্রিয় শো ‘শাশুড়ি বউমার রান্নাঘর’-এর সেটে হাজির হয়েছিলেন শ্বেতা। সেই আনন্দের মুহূর্তের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতেই ধেয়ে আসে কিছু মানুষের চরম নোংরা মানসিকতার আক্রমণ।

‘জি হেডের রাতের সঙ্গী...’ নোংরা আক্রমণ নেটিজেনের

সোশ্যাল মিডিয়ায় এক মহিলা নেটিজেন শ্বেতাকে উদ্দেশ্য করে অত্যন্ত আপত্তিকর ভাষায় লেখা হয়, ‘কাজ নেই নাকি সারাদিন জি বাংলার সকল অনুষ্ঠানে যাওয়া ছাড়া, জি বাংলার হেড এর রাতের সঙ্গী'।

একজন প্রথম সারির অভিনেত্রীর যোগ্যতা ও চরিত্র নিয়ে এমন প্রকাশ্য নোংরা ও কুরুচিকর ইঙ্গিত দেখে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন ওঁর ভক্তরা। তবে শ্বেতা নিজে দমে না গিয়ে এই নোংরা কমেন্টের নিচেই পাল্টা খোঁচা মেরে লেখেন— ‘বাহ্হহহহ দারুণ কথা বলেন তো আপনি... হ্যাঁ আমি আর রুবেল দুজনেই রাতের সঙ্গী।’

আক্রমণ বাড়তেই যোগ্য জবাব শ্বেতার, পাশে দাঁড়ালেন ভক্তরা

শ্বেতা ওঁর ও রুবেলের নাম জড়িয়ে উত্তর দিলেও ওই নেট-নাগরিক নিজের নোংরামি থামাননি। তিনি উল্টে আরও একধাপ এগিয়ে থ্রিসামের প্রসঙ্গ টানেন। চরিত্রহননের এই চরম নোংরা রূপ দেখে আর চুপ থাকেননি শ্বেতা। তিনি সেই ট্রোলারকে সপাট জবাবে লেখেন— ‘ওয়াও আপনি এটাও জানেন... দারুণ ব্যাপার তো’। শ্বেতার এই তীব্র ব্যঙ্গাত্মক ও ঠাণ্ডা মাথার জবাব দেখে ট্রোলারের মুখ বন্ধ হয়ে যায়।

অর্ঘ্য সেন নামের আরেক ট্রোলার যখন শ্বেতাকে ‘মাসি’ বলে কটাক্ষ করেন। জানান, জি-এর তরফে মল সাফ করার ডাক পরেও শ্বেতা পিছপা হবেন না। শ্বেতা সেখানেও হাসির ইমোজি দিয়ে লেখেন— ‘ঠিক... আর মাসি চলেও যাবে... আর যখন সেই ছবি মাসি পোস্ট করবে, সেই পোস্টে কমেন্ট করতে পিসি ঠিক চলে আসবে।’

১৬ বছরের ক্যারিয়ারে যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন শ্বেতা

সোশ্যাল মিডিয়ায় এই কাদা ছোঁড়াছুঁড়ির মাঝে শ্বেতার পাশে দাঁড়িয়েছেন ওঁর অগণিত অনুরাগী। ভক্তদের স্পষ্ট বক্তব্য, শ্বেতা আজ ১৬ বছর ধরে নিজের অভিনয় দক্ষতার জোরে ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে আছেন। ‘যমুনা ঢাকি’ থেকে শুরু করে কোন গোপনে মন ভেসেছে, একের পর এক সুপারহিট ধারাবাহিক তিনি উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। তাই কোনো চ্যানেলের অনুষ্ঠানে ওঁর ডাক পাওয়াটা ওঁর যোগ্যতার প্রমাণ, কোনও ‘নেপোটিজম’ বা কুৎসিত উপায়ের ফল নয়। যাঁরা না জেনে স্রেফ কুৎসা রটাতে ভালোবাসেন, শ্বেতার এই ‘উচিত জবাব’ তাঁদের গালে একটি বড়সড় চড়।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More