‘আমি নাকি রুবেলকে বশীকরণ করেছি!’, তুকতাকের অভিযোগ, বিয়ে নিয়ে কটাক্ষের সপাট জবাব শ্বেতার
রুবেলকে ‘বশ’ করেছেন শ্বেতা। তিনি নাকি ‘কালা জাদু’ জানেন, এমন অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন নায়িকা। প্রথমবার সরাসরি মুখ খুললেন ‘কোন গোপনে মনে ভেসেছে’ নায়িকা।
টলিউডের অন্যতম চর্চিত ও জনপ্রিয় তারকা দম্পতি শ্বেতা ভট্টাচার্য (Shweta Bhattacharya) এবং রুবেল দাস (Rubel Das)। সম্পর্কের শুরু থেকেই নেটিজেনদের একাংশের কড়া নজর তাঁদের ওপর। অনেকেই দাবি করেছিলেন তাঁদের সম্পর্ক নাকি বেশিদিন টিকবে না, আবার কেউ কেউ কটাক্ষ করে বলেন শ্বেতা নাকি রুবেলকে 'বশীকরণ' বা 'তুকতাক' করে আটকে রেখেছেন! শুধু সোশ্যাল মিডিয়া নয়, সংবাদমাধ্য়মেও সেই নিয়ে ব্লাইন্ড আর্টিকেল লেখা হয়েছে। এযাবৎকাল এসব ট্রোলিং এড়িয়ে চললেও অবশেষে নীরবতা ভেঙে ট্রোলারদের ধুয়ে দিলেন শ্বেতা।

আজকাল মানুষের বিয়ের ওপর থেকে বিশ্বাস উঠে যাওয়া এবং ট্রোলের নামে নোংরামি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অভিনেত্রী।
‘বিয়ে ভাঙছে বেশি, কিন্তু গুরুজনদের আশীর্বাদ থাকলে সম্পর্ক টেকে!’: শ্বেতা
সাম্প্রতিক প্রোমোশন্যাল ভিডিয়োর ফাঁকেই বিয়ের স্থায়িত্ব নিয়ে শ্বেতা বলেন, আজকাল চারপাশের পরিস্থিতি দেখে মনে হয় মানুষের বিয়ের ওপর থেকে বিশ্বাসটাই উঠে গেছে। বিয়ে টিকছে কম, ভাঙছে বেশি। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, পরিবার ও গুরুজনদের আশীর্বাদ এবং নিজেদের মধ্যে সততা থাকলে যে কোনো ঝড়ঝাপটা পেরিয়ে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব।
এমনকি নিজের এক খুব ভালো বন্ধুর উদাহরন দিয়ে শ্বেতা জানান, ৫-৬ মাস আগে তাঁর বন্ধুর বিয়েতে শ্বশুরবাড়ির লোক সমস্যা তৈরি করলেও এখন স্বামী-স্ত্রী দুজনে গুছিয়ে ভালো আছে।
'তুকতাক ও বশীকরণ' ট্রোলে কড়া জবাব:
শ্বেতা-রুবেলের সুসম্পর্ক এবং সোশাল মিডিয়ায় তাঁদের ভালোবাসা দেখে যারা 'ব্ল্যাক ম্যাজিক' বা 'তুকতাক'-এর অভিযোগ আনেন, তাঁদের হেসেই উড়িয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী।
শ্বেতার বক্তব্য, 'অনেকে কমেন্ট করে আমি নাকি রুবেলকে বশ করে রেখেছি, অনেক জায়গায় শুনেছি আমি নাকি তুকতাক করি! এসব শুনলে আমার খুব হাসি পায়। আমি সত্যি জানি না এই তুকতাক বা বশীকরণ জিনিসটা কী'। তবে ঈশ্বরের প্রতি গভীর আস্থা রয়েছে তাঁর। পাশাপাশি জ্যোতিষেও বিশ্বাস করেন অভিনেত্রী।
জি বাংলা ও স্টার জলসার ভালোবাসাই আসল শক্তি:
ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের অবস্থান এবং চ্যানেলগুলোর সাথে সম্পর্কের বিষয়ে শ্বেতা স্পষ্ট জানান, 'জি বাংলা' এবং 'স্টার জলসা'— দুই জনপ্রিয় চ্যানেলের সকলেই তাঁকে ভালোবাসেন ও সম্মান করেন। আর এই ভালোবাসা কোনো তুকতাক বা তন্ত্রবিদ্যার ফসল নয়, বরং এটি ঈশ্বর এবং বড়দের খাঁটি আশীর্বাদ।
কোনো উগ্র প্রতিবাদের পথে না হেঁটেও নিজের ঈশ্বরবিশ্বাস ও সৎ জীবনযাপন দিয়েই ট্রোলারদের মুখ বন্ধ করে দিলেন অভিনেত্রী শ্বেতা!
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


