Sweta Bhattacharya: অসহ্য যন্ত্রণা,অস্ত্রোপচারের আতঙ্কে শ্বেতা! সাহায্য চাইলেন রুবেলের বউ, কী হয়েছে নায়িকার?
Sweta Bhattacharya: ‘আপনারা একটু সাহায্য করুন। আমি অপারেশনকে ভীষণ ভয় পাই আর হুট করে করতেও চাইছি না’, আর কী বললেন অভিনেত্রী?
বাংলা ছোট পর্দার অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্য (Sweta Bhattacharya)। ‘সিঁদুরখেলা’, ‘জড়োয়ার ঝুমকো’, ‘তুমি রবে নীরবে’ থেকে শুরু করে দেবের বিপরীতে ‘প্রজাপতি’ সিনেমায় নিজের অভিনয়ের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি। তবে সম্প্রতি এক জটিল ও যন্ত্রণাদায়ক শারীরিক সমস্যায় মারাত্মক কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

চোখের পুরনো সমস্যা আবার নতুন করে বড় আকার ধারণ করায় তীব্র যন্ত্রণায় ভুগছেন শ্বেতা, যার ফলে তিনি জরুরি ভিত্তিতে নেটিজেনদের কাছে সাহায্য চেয়ে একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছেন।
মেকআপ ঢুকে তৈরি হয়েছে চোখের 'সিস্ট'
বছরের শুরুতে মেকআপ করার সময় অসাবধানতাবশত শ্বেতার চোখের ভেতরে মেকআপের কণা ঢুকে যায়। শুরুতে বিষয়টি সাধারণ ‘আঞ্জনি’রমতো মনে হওয়ায় তিনি গুরুত্ব দেননি এবং প্রাথমিক চিকিৎসায় কিছুদিনের জন্য স্বস্তি পেয়েছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি এই পুরনো সমস্যাটি ফের দেখা দেয় এবং মারাত্মক আকার ধারণ করে। চিকিৎসকের কাছে গেলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তিনি জানান যে চোখের পাতায় আটকে থাকা মেকআপের কণা থেকেই ভেতরে একটি ‘সিস্ট’ (Cyst) তৈরি হয়েছে।
অস্ত্রোপচারের শঙ্কা ও চরম যন্ত্রণা
ডাক্তার শ্বেতাকে অবিলম্বে অস্ত্রোপচার করানোর পরামর্শ দিয়েছেন। তবে শ্বেতা জানান, তিনি অপারেশনকে অত্যন্ত ভয় পান এবং চট করে তা করাতে চাইছেন না। নিজের কষ্টের অনুভূতি প্রকাশ করে ভিডিওতে শ্বেতা আকুল গলায় বলেন, ‘চোখে অসহ্য যন্ত্রণা আমার, আপনারা একটু সাহায্য করুন। আমি অপারেশনকে ভীষণ ভয় পাই আর হুট করে করতেও চাইছি না। খুব যন্ত্রণা, ঠিকমতো চোখটাও খুলতে পারছি না।’
বিকল্প চিকিৎসা ও চিকিৎসকের খোঁজে শ্বেতা
অস্ত্রোপচার এড়াতে অল্টারনেটিভ বা বিকল্প চিকিৎসার সন্ধান করছেন শ্বেতা। বিশেষ করে ভালো কোনো হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের পরামর্শ বা যোগাযোগ পাওয়ার আশায় তিনি তাঁর অনুরাগীদের কাছে আর্জি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, 'কারোর কাছে কোনো ভালো হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের পরামর্শ বা যোগাযোগের নম্বর থাকলে আমাকে দয়া করে পাঠান'।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


