Sweta-Rahul: ‘শ্যুটিংয়ের ভয়টা কাটাতে পেরেছি', রাহুলের মৃত্যুর সাক্ষী, ট্রমা সামলে কাজে ফিরেছেন শ্বেতা!

রাহুলের মৃত্যুর পর কেটেছে পাঁচ মাস। মানসিক ধাক্কা কাটিয়ে কাজে ফিরেছেন তাঁর ভোলে বাবা কো-স্টার শ্বেতা মিশ্র। নায়িকার কথায়, ‘হিলিং একটা জার্নি’।

Published on: Aug 31, 2026, 16:30:58 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুর পর সেই কঠিন ধাক্কা সামলে অবশেষে আবার কাজের সেটে ফিরেছেন সহ-অভিনেত্রী শ্বেতা মিশ্র। তালসারিতে ভোলে বাবা পার করেগা-র শ্যুটিং করতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হয় রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেইসময় তাঁর সঙ্গে সেই মাঝসমুদ্রে ছিলে শ্বেতাও। নায়িকা বাঁচলেও প্রাণ বাঁচেনি রাহুলের। প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হলেও, ক্যামেরার সামনে ফিরে নিজের অভিজ্ঞতা ও মানসিক অবস্থার কথা তুলে ধরেন তিনি।

‘শ্যুটিংয়ের ভয়টা কাটাতে পেরেছি', রাহুলের মৃত্যুর সাক্ষী, ট্রমা সামলে কাজে শ্বেতা
‘শ্যুটিংয়ের ভয়টা কাটাতে পেরেছি', রাহুলের মৃত্যুর সাক্ষী, ট্রমা সামলে কাজে শ্বেতা

কাজে ফেরা ও প্রতিক্রিয়া

ভয় কাটিয়ে নতুন সূচনা: শ্বেতা জানান, শুটিংয়ে ফেরার আগে তাঁর মনে একপ্রকার ভয় কাজ করছিল। তবে সেটে গিয়ে সেই ভয় কাটাতে পেরে তিনি কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন এবং কাজে ফিরতে পেরে তিনি খুশি। অভিনেত্রী জানান, ‘আমি কাজ করছি, প্রতীমদার সঙ্গে কাজ করলাম। আমার খুব খেয়াল রেখেছিল গোটা টিম। আমার শ্যুট করতে গিয়ে যে ভয়টা ছিল, সেটা কাটাতে পেরেছি। আমি তার জন্য স্বস্তিতে’।

সততা ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি: জীবনের কঠিন সময় পার করার পর ইতিবাচক দিক দেখার চেষ্টা করছেন শ্বেতা। তিনি জানান, পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজের দায়িত্বের জায়গায় তিনি সবসময় সৎ থেকেছেন এবং যা করণীয় তা করেছেন।

কঠিন সময়ে তাঁর পরিবার, বন্ধু, সহকর্মী এবং অনুরাগীরা যেভাবে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার পরিবার, বন্ধু, কলিগ, ফ্য়ানেরা আমার পাশে থেকেছে, আমি এর ব্রাইডার সাইডটা দেখতে চাই। আমার থেকে যখন যা প্রত্যাশা ছিল, আমি সেটা করেছি। আমি সৎ থেকেছি’। এর থেকে বেশি ক্যামেরার সামনে কিছু বলতে চাননি শ্বেতা।

'হিলিং একটি দীর্ঘ যাত্রা'

শ্বেতা স্পষ্ট জানান যে এই ধরনের মানসিক আঘাত বা 'ট্রমা' হুট করে কেটে যায় না, এটি একটি দীর্ঘ যাত্রার মতো। নিজেকে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরানোর জন্য তিনি বই পড়া, সিনেমা দেখা ও সময় নেওয়ার পরামর্শ অনুসরণ করছেন। ভক্ত ও সংবাদমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানিয়ে শ্বেতা জানান, তিনি কাজের মাধ্যমে আবার নিজের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।

চালচিত্র ২-তে থাকছেন শ্বেতা

জানা গিয়েছে, প্রতিম ডি গুপ্ত পরিচালিত ‘চালচিত্র ২’ ছবিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করবেন শ্বেতা। এই ছবিতে তিনি কস্তুরী নামের একটি চরিত্রে অভিনয় করবেন যিনি একজন পুলিশ অফিসার। ছবিতে টোটা রায়চৌধুরীর সহকর্মীর ভূমিকায় অভিনয় করবেন অভিনেত্রী।

তবে শুধুমাত্র পুলিশ অফিসারের ভূমিকায় অভিনয় করবেন তা নয়, এই সিনেমায় শ্বেতাকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকশন সিকুয়েন্স করতে দেখতে পাওয়া যাবে। তবে এখানেই শেষ নয়, রয়েছে আরও একটি চমক। সিনেমায় বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীও অভিনয় করবেন। বলাই বাহুল্য, সিনেমায় অভিনয় করার সুবাদে চঞ্চল চৌধুরীর সঙ্গে প্রথমবার স্ক্রিন শেয়ার করবেন শ্বেতা।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More