‘জীবনে সফল মানুষ হওয়ার আগে…’, পর্দার ‘চৈতন্য’ প্রাপ্তবয়স্ক, জন্মদিনে খোলা চিঠি স্বর্ণাভর মায়ের
তারে ধরি ধরি মনে করি মেগায় চৈতন্য-র চরিত্রে স্বর্ণাভর অভিনয় দর্শকদের মন ছুঁয়েছে। এই তরুণ অভিনেতা শুক্রবার পা দিলেন ১৮-য়।
জি বাংলার 'তারে ধরি ধরি মনে করি' (Tare Dhori Dhori Mone Kori)-র 'মহাপ্রভু' অর্থাৎ অভিনেতা স্বর্ণাভ স্যানাল (Swarnava Sanyal) অবশেষে পা দিলেন প্রাপ্তবয়স্কদের ক্লাবে। ১৮তম জন্মদিনে ছেলে 'বাবান'-কে (স্বর্ণাভের ডাকনাম) ভালোবাসা আর জীবনের মূলধারার শিক্ষার পাঠ দিয়ে সোশাল মিডিয়ায় একটি অত্যন্ত স্পন্দিত ও আবেগঘন খোলা চিঠি পোস্ট করেছেন তাঁর মা মৌসুমী স্যানাল।

‘সফলতার চেয়ে ভালো মানুষ হওয়া জরুরি’— মায়ের খোলা চিঠি
ছেলের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার শুভক্ষণে অভিভাবক হিসেবে অত্যন্ত সুন্দর এবং দিকনির্দেশনামূলক বার্তা দিয়েছেন তাঁর মা।
প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার সূচনা: মা লেখেন, এতদিন ছায়ার মতো পাশে থেকে রক্ষা করার দিন শেষে বাবান আজ থেকে এক স্বাধীন তরুণ। আজ থেকে জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তাকে নিজেকেই নিতে হবে।
সততা ও সামাজিক মূল্যবোধ: পরিবার থেকে শেখানো ভালো আচরণ, দয়া, সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং মানবিকতাকে চিরকাল টিকিয়ে রাখার জন্য ছেলেকে পরামর্শ দিলেন মৌসুমী দেবী।
প্রকৃত সাফল্যের সংজ্ঞা। স্বর্ণাভর মা লেখেন, ‘আমাদের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন এটি নয় যে তুমি পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী বা সফল মানুষ হও, বরং তুমি যেন একজন খাঁটি ও ভালো মানুষ হয়ে ওঠো। নিজেকে ভালোবাসো, পরিবারের খেয়াল রাখো, বিপদে অন্যের পাশে দাঁড়াও এবং সমাজ ও দেশের প্রতি সর্বদায় দায়িত্বশীল থেকো।’
অভিভাবকদের সম্মান ধরে রাখার আহ্বান: এমন কিছু না করার অঙ্গীকার করতে বলা হয়েছে যা বাবা-মায়ের মাথা লজ্জায় নিচু করে দেয়।
অনুরাগী ও টেলিপাড়ার শুভেচ্ছার জোয়ার
ছোট পর্দা ও ওটিটি মাধ্যমে অভিনয়ের গুণে ইতিমধ্যেই বহুল প্রশংসিত স্বর্ণাভ। তবে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার এই মাইলফলকে মায়ের এমন গভীর ও অর্থপূর্ণ শুভেচ্ছা পোস্ট দেখে নেটিজেনরা আবেগপ্লুত। অভিনেতার সহকর্মী থেকে শুরু করে অনুরাগী ভক্তরা কমেন্ট বক্সে বাবানকে ১৮তম জন্মদিনের অনেক অনেক ভালোবাসা, সুস্থতা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের শুভকামনা জানিয়েছেন।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


