বয়স কোনো বাধাই নয়! কোয়েল থেকে ঋতুপর্ণা, ৪০ পেরিয়ে মা হয়েছেন টলিউডের এই তারকারা

সমাজের বাধাধরা নিয়মকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছেন এই টলি সুন্দরীরা। ৪০ পেরিয়ে শুধু মা হননি, মাতৃত্ব-সংসার-কাজ সবটাই সামলে চলেছেন নিখুঁত হাতে। 

Published on: Jul 10, 2026, 15:00:53 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

আমাদের সমাজে এখনো মেয়েদের একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর শুনতে হয়, ‘বয়স হয়ে যাচ্ছে, আর কবে বিয়ে হবে!’ অথবা চাকরি বা লেখাপড়ায় ব্যস্ত থাকলেও, সমাজের নানা প্রান্ত থেকে ভেসে আসে খোঁটা। বারবার বোঝানো হতে থাকে, একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর মেয়েদের প্রেগন্যান্সির সময় নানা ধরনের সমস্যার মুখে পড়তে হতে পারে! তবে সমাজের এই বাধাধরা নিয়মকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছেন এই টলি সুন্দরীরা। ৪০ পেরিয়ে জন্ম দিয়েছেন সন্তানের। শুধু তাই নয়, সংসার আর কাজ দুটোকেই খুব সুন্দরভাবে ব্য়ালেন্স করে পালন করে চলেছেন মাতৃত্বের সব দায়িত্ব।

৪০ পেরিয়ে মা হয়েছেন টলিউডের এই তারকারা।
৪০ পেরিয়ে মা হয়েছেন টলিউডের এই তারকারা।

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত:

টলিউডের এভারগ্রিন নায়িকা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। নিজের গ্রেস, স্টাইলিং দিয়ে বারংবার ঋতুপর্ণা প্রমাণ করেছেন যে বয়স একটা সংক্যা মাত্র। ১৯৯৯ সালের ১৩ ডিসেম্বর তাঁর শৈশবের বন্ধু সঞ্জয় চক্রবর্তীকে বিয়ে করেন ঋতুপর্ণা। বয়স তখন ওই ২৮-২৯-এর আশেপাশে। ২০০০ সালে প্রথমবার মা হন ঋতুপর্ণা, জন্ম হয় ছেলে অঙ্কনের। ঋতুপর্ণার কোলে মেয়ে ঋষণা আসেন ২০১১ সালে। আর তখন অভিনেত্রীর বয়স ছিল ৪১ বছর।

বিদিপ্তা চক্রবর্তী:

টলিপাড়ার জনপ্রিয় নায়িকাদের মধ্যে অন্যতম হলেন বিদিপ্তা। ছোট থেকে বড় পর্দা, সর্বত্রই দাপিয়ে কাজ করে চলেছেন। প্রথম বিয়ে হয় বিদিপ্তার বেশ অল্প বয়সে। ঘর বেঁধেছিলেন ক্যামেরাম্যান শুভাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। সেই বিয়ে থেকে তাঁর একটি কন্যা সন্তান রয়েছে, যার নাম মেঘলা। ডিভোর্সের পর ২০১০ সালে বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক বীরসা দাশগুপ্তকে বিয়ে করেন। আর ওই বছরেরই অক্টোবর মাসে তাঁর কালো আসে মেয়ে ইদা।

কোয়েল মল্লিক:

২০২০ সালে৩৮ বছর বয়সে প্রথমবার মা হন কোয়েল মল্লিক। জন্ম হয় ছেলে কবীরের। আর ২০২৪ সালে এসে দ্বিতীয়বার মা হন কোয়েল, জন্ম হয় মেয়ে কাব্যার। দুই সন্তানকে নিয়েই জিয়ে চলছে কাজ। কোয়েলকে শেষ বড় পর্দায় দেখা গিয়েছে ‘মিতিন মাসি’ সিনেমাতে।

কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়

জনপ্রিয় অভিনেত্রী কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারি ব্যবসায়ী সুরজিৎ হরিকে বিয়ে করেন। এটি ছিল সুরজিতের দ্বিতীয় বিয়ে। প্রথম বিয়ে থেকে এক ছেলে হয় সুরজিতের। যার নাম দ্রোণ। কনীনিকার সঙ্গে দ্রোণের সম্পর্ক অত্যন্ত মধুর এবং দ্রোণ তাকে 'মা' বলেই ডাকে। 'ষড়রিপু' ছবির ডাবিংয়ের সময় সুরজিতের সঙ্গে কনীনিকার প্রথম আলাপ হয়েছিল। ২০১৯ সালের ১২ জুন মেয়ের মা হন কনীনিকা, নাম রাখেন কিয়া। ৪০ বছর বয়সে কনীনিকার কোলে আসে তাঁর প্রথম সন্তান।

জোজো

পঞ্চাশ বছর বয়সের কাছাকাছি পৌঁছে ২০২১ সালে জোজো দত্তক নেন পুত্রসন্তান আদিকে। গর্ভে ধারণ না করলেও, মাসখানেকের আদিকে যখন ঘরে আনেন জোজো, তখন করোনা লকডাউন চলছে। কোনো হাউজহেল্প-ও ছিল না। একা হাতেই সদ্যোজাত বাচ্চাটিকে বড় করেছিলেন তিনি। এখনো কলকাতায় ছেলের সঙ্গে একাই থাকেন তিনি। স্বামী থাকেন নর্থবেঙ্গলে, সেখানে চালান একটি রিসর্টের ব্যবসা। মেয়ে বাজোও কাজের সূত্রে থাকেন বেঙ্গালুরু শহরে।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More