Jeetu-Nabanita: ‘আমি নাকি তোমার সাথে কুকর্ম করেছি’, রাত ২টোয় নবনীতাকে পাশে নিয়ে ফেসবুক লাইভ জীতুর, সায়নীকে কড়া জবাব

Jeetu-Nabanita: জীতু কমল আর নবনীতা দাসের এই ফেসবুক লাইভ যেন টলিপাড়ার চিরাচরিত ‘ডিভোর্স ট্র্যাজেডি’র চেনা ছকটাই ভেঙে দিল। সায়নী ঘোষের করা ‘কুকর্ম’ এবং ব্যক্তিগত আক্রমণের জবাব দিতে গিয়ে জীতু ও নবনীতা যা বললেন, তা কাদা ছোড়াছুড়ির রাজনীতিতে এক নতুন দৃষ্টান্ত।

Published on: May 16, 2026, 10:02:50 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

টলিপাড়ার ‘কাদামাখা’ রাজনীতির লড়াইয়ে এবার সবচেয়ে বড় ধামাকাটি দিলেন অভিনেতা জীতু কমল। সাংসদ সায়নী ঘোষ দাবি করেছিলেন, জীতুর কোনো ‘কুকীর্তি’ ফাঁস করার জন্য নবনীতা তাঁকে ফোন করেছিলেন। সেই দাবিকে এক লহমায় মিথ্যে প্রমাণ করতে বিচ্ছেদের তিন বছর পর ফের এক ফ্রেমে ধরা দিলেন জীতু-নবনীতা। ফেসবুক লাইভে এসে সায়নীকে তুলোধনা করার জন্য জীতু যে জায়গাটি বেছে নিলেন, তা এককথায় মাস্টারস্ট্রোক!

‘আমি নাকি তোমার সাথে কুকর্ম করেছি’,রাত ২টোয় নবনীতাকে পাশে নিয়ে ফেসবুক লাইভ জীতুর
‘আমি নাকি তোমার সাথে কুকর্ম করেছি’,রাত ২টোয় নবনীতাকে পাশে নিয়ে ফেসবুক লাইভ জীতুর

সায়নীর পুজো, জীতুর কুলফি ও নবনীতা:

কোনো চার দেয়ালের ঘরে বসে নয়, জীতু লাইভটি করলেন কেন্দুয়া শান্তিসংঘের পুজোমণ্ডপের সামনে দাঁড়িয়ে। মোক্ষম খোঁচাটি হলো— এই পুজোরই ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার খোদ সায়নী ঘোষ! সেখানে দাঁড়িয়েই নবনীতাকে পাশে নিয়ে জীতু প্রমাণ করে দিলেন, তাঁদের মধ্যে কোনো তিক্ততা তো নেই-ই, বরং সায়নীর দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। লাইভের মাঝেই আবার খুনসুটি করে নবনীতার হাতের কুলফি কেড়ে খেতে দেখা গেল জীতুকে। পুরনো রসায়নের এই ঝলক দেখে অনুরাগীরাও যেমন নস্টালজিক, তেমনই সায়নী শিবিরের জন্য এটা যে বড় ধাক্কা, তা বলাই বাহুল্য।

মিথ্যে প্রমাণের লাইভ:

লাইভে জীতু ও নবনীতা দুজনেই স্পষ্ট করে দেন যে, সায়নী যা বলছেন তা স্রেফ মনগড়া গল্প। নবনীতা সায়নীকে তাঁর ‘কুকর্ম’ জানানোর জন্য ফোন করেছিলেন— এই তত্ত্বকে স্রেফ উড়িয়ে দিয়েছেন তাঁরা। জীতুর দাবি, সায়নী মিথ্যে বলতে বলতে এমন এক জায়গায় পৌঁছে গেছেন যেখানে মানুষ আর তাঁকে বিশ্বাস করে না। আর প্রাক্তন স্ত্রীর এই লাইভে এসে জীতুর পাশে দাঁড়ানোই সায়নীর দাবির মুখে সবচেয়ে বড় চড়।

রাজনীতির নোংরা খেলা বনাম আজীবন বন্ধুত্ব:

লাইভে জীতু অত্যন্ত ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, “ঘোষ মহাশয়া (সায়নী ঘোষ) দাবি করেছেন যে আমি নাকি নবনীতার সঙ্গে দিনের পর দিন কুকর্ম করেছি! বাঙালি রাজনীতিবিদদের মধ্যে এই একটা নোংরা ট্রেন্ড আছে— কেউ ডিভোর্স করলেই একজন অন্যজনকে নিয়ে খোঁচা মারো, কাদা ছেটাও।” এই মানসিকতার ঊর্ধ্বে উঠে জীতুর স্পষ্ট বার্তা, “আমরা এই নোংরা রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে সমাজকে দেখিয়ে দেব যে, ডিভোর্স হওয়ার পরেও আজীবন খুব ভালো বন্ধু হয়ে থাকা যায়।”

তিন বছর পর ‘জীতু-নবনীতা’ ম্যাজিক:

ডিভোর্সের পর এই প্রথম সোশ্যাল মিডিয়ায় একসঙ্গে লাইভ করলেন টলিপাড়ার এই চর্চিত প্রাক্তন দম্পতি। সায়নীর রাজনৈতিক আক্রমণকে খণ্ডন করতে গিয়ে জীতু যেভাবে নবনীতাকে পাশে পেলেন, তা টলিপাড়ার সমীকরণকেও ওলটপালট করে দিল। জীতুর অনুরাগীদের দাবি, সায়নী পার্সোনাল অ্যাটাক করেছিলেন, আর জীতু লাইভ ট্রেলার দেখিয়ে সত্যটা সামনে এনে দিলেন।

কেন্দুয়া শান্তিসংঘের সামনে কুলফি খেতে খেতে জীতু-নবনীতার এই লাইভ যে সায়নী ঘোষের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত আক্রমণের ধার অনেকটাই কমিয়ে দিল, তা বলাই বাহুল্য। এবার ‘দিদি’ সায়নী এই কুলফি-বিস্ফোরণের কী জবাব দেন, সেটাই দেখার!

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More