Titiksha-Sweta: ‘রাহুলদার মৃত্যুতে শ্বেতার কী দোষ?’ কুৎসার বিরুদ্ধে বন্ধুর ঢাল হলেন তিতিক্ষা
Titiksha-Sweta: 'রাহুলদাকে জাস্টিস দিতে গিয়ে অন্য কারোর সাথে খারাপ করছেন না তো?’ নেটমাধ্যমে প্রশ্ন তিতিক্ষার। বান্ধবী শ্বেতা মিশ্রর পাশে দাঁড়ালেন তিতিক্ষা।
Titiksha-Sweta: রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মর্মান্তিক প্রয়াণ টলিপাড়াকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু সেই শোকের আবহেই শুরু হয়েছে এক কদর্য অধ্যায়। বিঁধতে শুরু করেছে সন্দেহের তির। নেটপাড়ার একাংশ রাহুলের সহ-অভিনেত্রী শ্বেতা মিশ্রকে এই মৃত্যুর জন্য দায়ী করে ক্রমাগত আক্রমণ করে চলেছেন। শ্বেতার পুরনো ভিডিও থেকে শুরু করে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের নানা মুহূর্ত নিয়ে চলছে চরিত্রহনন। এই উত্তাল পরিস্থিতিতে আর চুপ থাকতে পারলেন না অভিনেত্রী তিতিক্ষা দাস। প্রিয় বন্ধুর পাশে দাঁড়িয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক দীর্ঘ পোস্টে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি।

‘শ্বেতা অন্ধবিশ্বাসের জায়গা’
তিতিক্ষা তাঁর পোস্টে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, শ্বেতা মিশ্র কেবল তাঁর সহকর্মী নন, তাঁর সবথেকে কাছের মানুষ। তিনি লেখেন, ‘শ্বেতা আমার খুব ভালো বন্ধু, আজ পর্যন্ত কাজ করা আমার অন্যতম প্রিয় কো-অ্যাক্টর এবং ও এমন একজন মানুষ যাকে আমি অন্ধের মতো বিশ্বাস করতে পারি। ওর মতো খাঁটি এবং প্রতিভাবান মানুষ সত্যিই খুব বিরল।’ তিতিক্ষার এই বার্তা বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, শ্বেতার প্রতি তাঁর সমর্থন কতটা মজবুত।
রাহুলের বিচারের নামে কি অন্য়ায় করা হচ্ছে?
রাহুলের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শ্বেতার দিকে আঙুল তোলা নেটিজেনদের উদ্দেশ্যে তিতিক্ষার প্রশ্ন, ‘আপনাদের সত্যিই মনে হয় এতে রাহুলদার কো-অ্যাক্টরের কোনো দোষ থাকতে পারে? আপনারা রাহুলদাকে জাস্টিস দিতে গিয়ে অন্য কারোর সাথে খারাপ করছেন না তো?’ তিনি মনে করিয়ে দেন যে, কেবল ‘রিচ’ বাড়ানোর জন্য কিছু ব়্যান্ডম অ্যাকাউন্ট শ্বেতার চরিত্র নিয়ে যেভাবে টানাটানি করছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।
অনুমতিহীন ছবি ও গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ
রাস্তায় দাঁড়িয়ে কারও সঙ্গে কথা বলা বা সময় কাটানোটা যে অপরাধ নয়, সেটাই মনে করিয়ে দিয়েছেন তিতিক্ষা। শ্বেতার পারমিশন ছাড়া তাঁর ছবি তুলে পোস্ট করা বা পুরনো ভিডিও বিকৃত করে প্রচার করার তীব্র সমালোচনা করে তিনি লিখেছেন, ‘আপনারা একটু শান্ত হয়ে ভাবুন। পাব্লিক ফিগার হলে টার্গেট করা সহজ, কিন্তু মানুষ হিসেবে আঘাত সবারই লাগে।’
পাশে থাকার অঙ্গীকার
রাহুলের প্রয়াণে শ্বেতা নিজেও যে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত, তিতিক্ষার কথাতেই তা পরিষ্কার। তিনি অনুরোধ করেছেন যাতে শ্বেতাকে আর বিরক্ত না করা হয়। তিতিক্ষার কথায়, ‘বিশ্বাস করুন ও অলরেডি অনেক কিছুর মধ্যে দিয়ে গেছে। ভালো থাকুক এবং সবাইকে ভালো থাকতে দিন’। রাহুলের মৃত্যুর তদন্ত যখন পুলিশি স্তরে চলছে, তখন তার আগেই নেটপাড়ায় এই ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ এবং শ্বেতাকে বলির পাঁঠা বানানোর চেষ্টার বিরুদ্ধে তিতিক্ষার এই প্রতিবাদ টলিপাড়ায় আলোচনার নতুন মোড় ঘুরিয়ে দিল।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


