‘সবাইকেই ভালোবাসি, কারও সঙ্গেই আমার…’! সোহেলের সঙ্গে বিচ্ছেদে মুখ খুললেন তিয়াসা
এর আগে সোহেল অস্বীকার করেছিলেন বিচ্ছেদের খবর। তাঁর দাবি ছিল, সামান্য মতানৈক্য হয়েছে তাঁদের। আর এবার বিচ্ছেদ-জল্পনায় মুখ খুললেন তিয়াসা।
কদিন আগেই দেখা যায় যে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে একে-অপরকে আনফলো করে দিয়েছেন তিয়াসা লেপচা ও সোহেল দত্ত। আর শুধু আনফলোই করেননি, বরং দুজনের তোলা সব ছবিও মুছে ফেলেন। এদিকে বিচ্ছেদের খবর সামনে আসতেই, সোহেল অস্বীকার করেন বিচ্ছেদের খবর। বরং তাঁর দাবি ছিল, সামান্য মতানৈক্য হয়েছে তাঁদের। আর এবার বিচ্ছেদ-জল্পনায় মুখ খুললেন তিয়াসা।

তিয়াসা-র সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে সোহেল এর আগে সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘যে কোনও সম্পর্কেই তো একটু-আধটু মান-অভিমানের পর্ব চলে। আমাদের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। অভিমান হয়েছে বলেই পরস্পরকে আনফলো করেছি। তার মানে এই নয় যে আমাদের সম্পর্কে ফুলস্টপ পড়ে গিয়েছে। তিয়াসার সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হয়নি মোটেই।’
আর এবার তিয়াসা বললেন, ‘কারো সঙ্গেই আমার দূরত্ব নেই। আজ অবধি কখনো দেখেছ যে তিয়াসা কারও সঙ্গে ঝগড়া করছে? বা এমন কোনো মানুষ যার সঙ্গে তিয়াসার কথা হয় না? সোহেল কেন কারও সঙ্গেই আমার কোনো দূরত্ব নেই। আমি খুব ভালো মানুষ। সবাইকেই ভালোবাসি আমি, আমাকেও সবাই ভালোবাসে। দূরত্ব বাড়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই।’
'কৃষ্ণকলি' খ্যাত অভিনেত্রী তিয়াসা বছরখানেক আগেও পরিচিত ছিলেন ‘রায়’ পদবিতে। বিয়ে করেছিলেন সুবান রায়কে। শোনা যায়, প্রথম দিকে সবটা ঠিক থাকলেও যত দিন যায় ততই তিক্ত হতে থাকে সুবান ও তিয়াসার সম্পর্ক। সন্দেহ, অবিশ্বাস সর্বোপরি ইগো এসে ঘিরে ধরে তাঁদের। যার পরিণতি এই বিচ্ছেদ। সাড়ে তিন বছর সংসার করার পর তাঁরা পারস্পরিক সম্মতিতে আলাদা হন। আদালতের নির্দেশে ৯ মাস আলাদা থাকার পর তাদের ডিভোর্স চূড়ান্ত হয়। বিচ্ছেদের পরেও তিয়াসা ও সুবান একে অপরের ভালো বন্ধু হিসেবে থাকার কথা জানিয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, তিয়াসার টলিউডে আসা ছিল সুবানের হাত ধরেই।
এরপর তিয়াসার জীবনে কড়া নাড়ে ভালোবাসা। প্রবেশ হয় সোহেলের। এর আগে ২০২৩ সালে সোহেল ও তিয়াসার মধ্যে বিচ্ছেদ হয়েছিল, পরে ২০২৪ সালের ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে তাঁরা আবার একসঙ্গে ফেরেন এবং বিভিন্ন সময় সেলিব্রেশন ও একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গিয়েছে। এমনকী তিয়াসার জন্মদিনেও একসঙ্গেই ছিলেন দুজন। প্রেমিকাকে ভরিয়েছিলেন কেক-উপহারে। কাজের সূত্রে, তিয়াসা রায়কে শেষ দেখা গিয়েছে অনুরাগের ছোঁয়া ধারাবাহিকে। এর আগে রোশনি, বাংলা মিডিয়ামের মতো ধারাবাহিকেও করেছেন কাজ।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


