Soumitrisha Kundu: মমতার ‘বিকৃত’ ছবি পোস্ট BJP সমর্থকের! ‘ভেবে ভোট দিন…’, সাবধানবানী সৌমিতৃষার
বহুবছর ধরেই সৌমিতৃষা কুণ্ডু তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে গলা চড়াচ্ছেন। দ্বিতীয় দফা ভোটের দিনও পোস্ট এল অভিনেত্রীর তরফ থেকে। কী সাবধানবানী দিলেন মিঠাই-নায়িকা?
বিগত ১ মাস ধরে বাংলার নানা প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রচার চালিয়ে গিয়েছেন সৌমিতৃষা কুণ্ডু। সোশ্যাল মিডিয়াতেও ঘাসফুল দলের হয়ে গলা চড়িয়েছিলেন। দ্বিতীয় দফা ভোটের দিনও পোস্ট এল অভিনেত্রীর তরফ থেকে। কী সাবধানবানী দিলেন মিঠাই-নায়িকা?

সৌমিতৃষা ফেসবুকে লিখেছেন, ‘মহিলাদের সম্মানের কথা বলেন আপনারা? এক রাজ্যের মহিলা মুখ্যমন্ত্রীকেই সম্মান দিতে পারলেন না! ভাবুন ভাবুন। যারা বিরোধী দলের সদস্য তাঁরাও ভাবুন, ভেবে আজকের ভোট দেবেন।’
দিনকয়েক আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ‘বিকৃত’ ও ‘কুরুচিকর’ ব্যঙ্গচিত্রকে কেন্দ্র করে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। যা এসেছিল বিজেপি সমর্থিত একটি ফেসবুক পেজ থেকে। তারপর থেকেই প্রতিবাদে সামিল গোটা রাজ্য়। এবারে কোনো দলের নাম না করে, তাতে গলা মেলালেন সৌমিতৃষাও।
আরেকটি পৃথক পোস্টে অভিনেত্রী তুলে ধরেছেন নিজের ভোট প্রচারের অভিজ্ঞতা। কিছু ছবি পোস্ট করে লেখেন, ‘এবারের নির্বাচনী প্রচারের কত মধুর স্মৃতি রয়েছে.... নিজে আম পেড়েছি, ছোট বাচ্চা থেকে বয়স্ক মানুষেরা কত আদর ভালোবাসা নিয়ে দাঁড়িয়ে, সবার ভালোবাসা পেয়েছি, সবচেয়ে বড় কথা হিন্দু-মুসলিম বলে আলাদা কেউ নেই, সবাই এক হয়ে যে জনস্রোত আমায় উপহার দিলেন, আমি নিজেও কাকে সেলাম, আদাব আর কাকে নমস্কার করেছি যেন নিজেরই খেয়াল নেই।’
এর আগে সৌমিতৃষার ভোটে দাঁড়ানো নিয়ে জল্পনা তৈরি হলে অভিনেত্রীর তরফ থেকে জবাব এসেছিল, ‘আমার তো বয়সটা কম, বিষয়টা এতদূর হতে পারে কি না, আমি সত্যি ভাবিনি। আর কখনো কিছু পাওয়ার আশাতেও আমি কখনো কোথাও যাইনি।’
‘আমি আমাদের দিদিকে, আমাদের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুব ভালোবাসি। আমার খুব ভালোলাগে ওঁকে, আমি খুব ইন্সপায়ারড ওঁকে দেখে, তাই আমাকে যেখানে ডাকে সেখানে যাই।’, আরও বলেছিলেন সৌমিতৃষা।
কাজের সূত্রে, সৌমিতৃষাকে শেষ দেখা গিয়েছে কালরাত্রি ২-তে। দুটি সিজনেই মুখ্য চরিত্র দেবী হিসেবে দেখা মিলেছে তাঁর। ২০১৬ সালের ধারাবাহিক কালার্স বাংলা চ্যানেলের ধারাবাহিক গুরুদক্ষিণা দিয়ে অভিনয় জীবন শুরু করেছিলেন সৌমিতৃষা। ২০২১ সালে কাজ করেন মিঠাইতে। যা তাঁকে পৌঁছে দেয় সাফল্যের শিখরে। আর মিঠাই-এর কাজ শেষ হতে না হতেই আসে দেবের নায়িকা হওয়ার অফার। প্রধান ধারাবাহিক দিয়ে বড় পর্দায় তাঁর পা রাখা। এরপর ১০ই জুন ছবিতে কাজ করেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


