রাজবীরের গায়ে হাত তোলায় বিগ বস বাংলা থেকে ঘাড় ধাক্কা নন্দিনীকে, কী বলছে টলিউড?
বিগ বস বাংলা থেকে নন্দিনীকে বের করে দেওয়া নিয়ে নানা মুনির নানা মত। চলুন দেখে নেওয়া যাক নন্দিনীর এভিকশন নিয়ে কী বলছেন টলিপাড়ার তারকারা?
শনিবার দিওয়ালির ঠিক আগে বিগ বস বাংলার ঘর থেকে আচমকা বিদায় নিতে বাধ্য হন নন্দিনী দত্ত। রাজবীরের গায়ে হাত তোলার কারণে তাঁকে বিগ বসের ঘর থেকে বের করে দেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। শনিবার রাতের দিকে কলকাতাতেও ফেরেন তিনি। এদিকে নন্দিনীকে ঘর থেকে বের করে দেওয়া নিয়ে নানা মুনির নানা মত। চলুন দেখে নেওয়া যাক নন্দিনীর এভিকশন নিয়ে কী বলছেন টলিপাড়ার তারকারা?

ভিভান ঘোষ তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখলেন, ‘#BiggBoss এই ডিসিশনটা দরকার ছিল। ওর প্রথম কাজেই আমিও ছিলাম। ওকে খুব পছন্দ করতাম। ছোট বোন মনে করতাম। কিন্তু ওর ব্যবহার এবং অ্যাটিটিউড ওকে ভিন্ন মানুষ হিসেবে আমার সামনে আনল। যাই হোক, অন্যায়ের শাস্তি হয়েছে। ভুলে গেলে চলবে না, এটা বিগ বস শো। এর সঙ্গে অনেক মানুষের আবেগ জড়িয়ে।’

বাংলা ধারাবাহিকে দুই বোনের চরিত্রে দেখা গিয়েছিল নন্দিনী আর তিতিক্ষাকে। বিগ বস বাংলার শুরু থেকেই নন্দিনীকে সাপোর্ট করে এসেছে তিতিক্ষা। আর এবার বিগ বসের ঘরে যাওয়া এই অবাঞ্ছিত পরিলস্থিতি নিয়ে লিখলেন, ‘বেব, যখন তুমি হৃদয় দিয়ে সবকিছু করো, তখন কখনো কখনো তোমার যে গুণটা তোমাকে সুন্দর করে তোলে, সেটাই আবার তোমার জীবনে কঠিন পরিস্থিতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।’

নন্দিনীর অঘোষিত সমর্থক, অভিনেত্রী আয়েন্দ্রি রায় লিখলেন, ‘এখন থেকে তিনটে জিনিস দেখতে চাই বিগ বসে। ১. রাজবীরের একার খেলা কোনোরকম হস্তক্ষেপ ছাড়া। ২. সৌরভদার খেলা। কারণ আমি তাকে সত্যিই ভারসাম্যপূর্ণ মনে করি। এতগুলো সপ্তাহ পর এসেও, সৌরভদা সত্যিই ভালো খেলছে। কালকেও জীতুদাকে সঠিক সময়ে কথা বলা নিয়ে বোঝানোটা ভালো লেগেছে।
সৃজলা আসলেই কি করতে চায়? এটা বোঝার পরেও জীতুদার ওর প্রতি একটা সফট কর্ণার আছে। আমি সত্যি দেখতে চাই ও এটাকে কীভাবে ডিল করে, কারণ ও বলে ওর বাইরেও একটা জীবন আছে, যেটা নিয়ে ও খুব খুশি।’

অভিনেত্রী মৈত্রেয়ী মৈত্রের মত, বিগ বসের ঘরে নন্দিনীকে এই শাস্তি না দেওয়া হলে সমাজের কাছে ভুল বার্তা যেত। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘আজকের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া না হলে মানুষকে, দর্শককে ছোট করা হত। ওয়েল ডান বিগ বস, ও সব লিমিট পেরিয়ে গিয়েছিল। শুধু রাজীবের সঙ্গে নয়, সকলের সঙ্গেই যে ব্যবহার করেছে সবটাই সীমা অতিক্রম করেছে। শুধু ফিজিক্যাল অ্যাসল্টই একমাত্র অপরাধ নয়, ভার্বাল অ্যাবিউজও সমান অপরাধ। সবকিছু পেছনে ফেলে সামনের দিকে তাকাও, চূড়ান্ত পরিণতির দিন ঘনিয়ে এসেছে।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


