Sayantani Ghosh-Saregamapa: ‘আমি খুব ভিতু, পিছনের সারির মানুষ….’, সারেগামাপাতে সেরা ৪-এ, কেন এই ভাবনা সায়ন্তনীর?

জি বাংলা ‘সারেগামাপা’-র চলতি সিজনের অন্যতম জনপ্রিয় প্রতিযোগী এবং হাওড়ার মেয়ে সায়ন্তনী ঘোষ। ট্রফির অন্যতম দাবিদার ফাঁস করলেন তাঁর এই মঞ্চের সাফল্যের পুরো ক্রেডিট আসলে কার। 

Published on: May 21, 2026, 20:58:28 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

জি বাংলার জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’-র মঞ্চে এই মুহূর্তে যে ক’জন প্রতিযোগী নিজেদের সুরের জাদুতে বিচারক থেকে দর্শক— সবার মন জয় করে নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম হাওড়ার মেয়ে সায়ন্তনী ঘোষ। ইতিমধ্যেই প্রতিযোগিতার ‘সেরা ৪’-এ নিজের পাকা জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। অনেকেই তাঁকে এই সিজনের ট্রফির অন্যতম প্রধান দাবিদার মনে করছেন। তবে সাফল্যের এই আলো ঝলমলে মঞ্চে দাঁড়িয়েও নিজের শিকড় আর পেছনের আসল শক্তির কথা ভোলেননি সায়ন্তনী। মা নেলি ঘোষের জন্মদিনে সমাজমাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে নিজের জীবনের এক অজানা সত্য অনুরাগীদের সামনে নিয়ে এলেন গায়িকা।

‘আমি খুব ভিতু, পিছনের সারির মানুষ….’, সারেগামাপাতে সেরা ৪-এ, কেন এই ভাবনা সায়ন্তনীর?
‘আমি খুব ভিতু, পিছনের সারির মানুষ….’, সারেগামাপাতে সেরা ৪-এ, কেন এই ভাবনা সায়ন্তনীর?

‘আমি অডিশন দিতে বড় ভয় পাই’:

সায়ন্তনী তাঁর পোস্টে সারেগামাপা-র মঞ্চে কাটানো প্রথম এপিসোডের স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়ে লিখেছেন, 'আমার সা রে গা মা পা এর মঞ্চে প্রথম এপিসোডটা যদি কারোর মনে থাকে তাহলে নিশ্চয়ই মনে আছে আমি বলেছিলাম 'আমি অডিশন দিতে বড় ভয় পাই , আমার মা-ই আমাকে জোর করে পাঠিয়েছে এখানে'।'

গ্ল্যামার আর আলোর দুনিয়ায় প্রতিদিন দাপটের সাথে পারফর্ম করলেও, মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা নিজের লাজুক ও ভিতু স্বভাবের কথা অকপটে স্বীকার করেছেন সায়ন্তনী। তিনি যোগ করেন, ‘আমি খুব ভিতু , পিছনের সারিতে থাকা মানুষ , আমি যে এত বড় একটা মঞ্চের দায়িত্ব নিতে পারি, সেটা আমি কল্পনাতেও বিশ্বাস করতে পারিনা, যে পারে সে হলো আমার মা।’

মা-ই জোগালেন জীবনের আসল সুর:

আজ সায়ন্তনী যে শুধু সারেগামাপা-র সেরা চার-এর মঞ্চে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তাই নয়, বরং নিজের পুরো জীবনটাকেই সঙ্গীতের জন্য উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর এই কঠিন ও বড় সিদ্ধান্তের পেছনে একমাত্র সাহসদাতা তাঁর মা। মায়ের জন্মদিনে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সায়ন্তনী লিখেছেন, “আমি যে আজকে এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আছি, এবং বাকি জীবনটাও সঙ্গীতের জন্য উৎসর্গ করছি, এই সাহসটা আমাকে জুগিয়েছে আমার মা। এতো কথা বলছি কারণ আজকে তার জন্মদিন। ওমা happy birthday।'

হাওড়ার এক সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে আজ বাংলার কোটি কোটি মানুষের ড্রয়িংরুমে জায়গা করে নিয়েছেন সায়ন্তনী। মেধা আর মাটির কাছাকাছি থাকা এই স্বভাবই তাঁকে বাকিদের থেকে আলাদা করেছে। মায়ের জন্মদিনে সায়ন্তনীর এই মিষ্টি ও বিনম্র পোস্ট দেখে অনুরাগীরাও নেলি ঘোষকে শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধায় ভরিয়ে দিয়েছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন— মায়ের এই লড়াই আর বিশ্বাসের মর্যাদা রেখে সায়ন্তনী যেন এবার সারেগামাপা-র ট্রফিটা হাওড়ায় নিয়ে আসেন!

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More