প্রথম দিনে দুর্দান্ত ব্যবসার পর ক্রমশ কমছে যশের ‘টক্সিক’-এর আয়! জানুন এখনও পর্যন্ত ছবির বক্স অফিস সংগ্রহ কত
দক্ষিণী সুপারস্টার যশের বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘টক্সিক’ মুক্তির পর প্রথম দিনে দুর্দান্ত ব্যবসা করলেও পরবর্তী দিনগুলিতে ক্রমশ কমেছে আয়। গল্প ও উপস্থাপনা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মাঝেই IMDb-তে ছবিটির রেটিং নেমেছে ৩.৮-এ। বক্স অফিসে এখন কেমন চলছে ‘টক্সিক’?
দক্ষিণী সুপারস্টার যশের বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘টক্সিক’ মুক্তির আগে থেকেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছিল। ‘কেজিএফ ২’-এর পর বড় পর্দায় যশের প্রত্যাবর্তন ঘিরে প্রত্যাশাও ছিল তুঙ্গে। প্রথম দিনে দুর্দান্ত ব্যবসা করলেও এরপর থেকেই ছবিটির বক্স অফিস সংগ্রহে বড়সড় পতন দেখা দিয়েছে। গল্প ও উপস্থাপনা নিয়ে দর্শক-সমালোচকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি IMDb-তেও ছবিটির রেটিং নেমে এসেছে মাত্র ৩.৮-এ।

ক্রমশ কমছে ‘টক্সিক’-এর আয়
মুক্তির প্রথম দিনেই বক্স অফিসে ঝড় তোলে ‘টক্সিক’। প্রথম দিনে ছবিটির আয় ছিল প্রায় ১০১ কোটি ১০ লাখ টাকা। কিন্তু দ্বিতীয় দিনেই সেই সংগ্রহ নেমে আসে ৩৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকায়। তৃতীয় দিনে ছবিটি প্রায় ২৭ কোটি ২০ লাখ টাকা আয় করে।
এরপর ছবিটির আয়ে আরও পতন দেখা যায়। রবিবার, অর্থাৎ মুক্তির পঞ্চম দিনেও প্রত্যাশা অনুযায়ী ব্যবসা বাড়েনি। বরং ছবিটির আয় ক্রমাগত নিম্নমুখীই থেকেছে।
বড় প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকলেও স্বস্তি নেই
বর্তমানে বক্স অফিসে ‘টক্সিক’-এর সঙ্গে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো বড় কোনও ছবি নেই। ফলে যশের ছবিটির সামনে ব্যবসা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। দেশজুড়ে এখনও ১৫ হাজারেরও বেশি স্ক্রিনে ছবিটি প্রদর্শিত হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।
তবে বিপুল সংখ্যক স্ক্রিন থাকা সত্ত্বেও ছবিটির ব্যবসায় সেই অনুপাতে গতি দেখা যাচ্ছে না। মুক্তির পর প্রথম দিনের দুর্দান্ত সাফল্যের পর প্রতিদিনই সংগ্রহ কমেছে।
পঞ্চম দিনেও হতাশ করেছে সংগ্রহ
রবিবার হওয়ায় পঞ্চম দিনে ছবিটির ব্যবসায় বড়সড় উল্লম্ফনের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। রবিবার পর্যন্ত ছবিটির সংগ্রহ প্রত্যাশার তুলনায় যথেষ্ট কম ছিল।
এখন পর্যন্ত ভারতীয় বক্স অফিসে ‘টক্সিক’-এর মোট সংগ্রহ প্রায় ২৫১.৭৭ কোটি টাকা বলে জানা যাচ্ছে। যদিও ছবিটির প্রথম দিনের পরিসংখ্যানের সঙ্গে তুলনা করলে পরবর্তী দিনের পারফরম্যান্স যে বেশ দুর্বল, তা স্পষ্ট।
IMDb-তে মাত্র ৩.৮ রেটিং
বক্স অফিসের পাশাপাশি অনলাইনেও ছবিটি খুব একটা ভালো প্রতিক্রিয়া পাচ্ছে না। IMDb-তে ‘টক্সিক’-এর রেটিং ১০-এর মধ্যে মাত্র ৩.৮। যশের মতো তারকার প্রত্যাবর্তন ঘিরে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, ছবিটির বর্তমান প্রতিক্রিয়া তার সঙ্গে অনেকটাই বেমানান।
‘কেজিএফ ২’-এর পর দীর্ঘ বিরতির পরে ‘টক্সিক’-এর মাধ্যমে বড় পর্দায় ফিরেছেন যশ। কিন্তু ছবিটির গল্প, নির্মাণ ও উপস্থাপনা নিয়ে দর্শকদের একাংশের অসন্তোষ ছবির ব্যবসায়ও প্রভাব ফেলছে বলে মনে করা হচ্ছে।
তারকাখচিত ‘টক্সিক’
গীতু মোহনদাস পরিচালিত ‘টক্সিক’-এ যশের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন তারা সুতারিয়া, কিয়ারা আদবানি, রুক্মিণী বসন্ত এবং নয়নতারার মতো অভিনেত্রীরা। বড় বাজেট, জনপ্রিয় তারকা এবং বিপুল প্রত্যাশা—সবকিছু থাকা সত্ত্বেও মুক্তির পর ছবিটির ব্যবসা যে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেনি, সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


