‘একজন বাস ড্রাইভারের ছেলে হয়েও…’! টক্সিক তারকা যশকে নিয়ে কী বললেন তাঁর মা?

টক্সিক তারকা যশের মা পুষ্পা অরুণকুমার এবার তাঁর ছেলের সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন। সম্প্রতি তিনি বলেছিলেন যে, কীভাবে তাঁর ছেলে বছরের পর বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করেছে এবং আজ শীর্ষে পৌঁছেছে। যারা তাকে বিদ্রূপ করে তাদের জবাব দিয়েছেন তিনি।

Published on: Aug 31, 2026, 13:37:39 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

যশ তাঁর ছবি ‘টক্সিক’ নিয়ে খবরের শিরোনামে রয়েছেন। ২৬ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ছবিটি দর্শকদের কাছ থেকে বিশেষ সাড়া পাচ্ছে না। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবির প্রযোজক আল্লু অরবিন্দের একটি পুরনো বক্তব্য ভাইরাল হয়েছে। সেই বক্তব্যে প্রযোজক অভিনেতা যশের স্টারডম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এবার যশের মা পুষ্পা অরুণকুমার ছেলের সাফাইয়ে সামনে এসেছেন।

মায়ের সঙ্গে টক্সিক তারকা যশ।
মায়ের সঙ্গে টক্সিক তারকা যশ।

যশের মায়ের মুখে ছেলের সাফাই

২০২৩ সালে ছবির প্রযোজক আল্লু অরবিন্দ একটি মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘কেজিএফ’-এর আগে যশের কোনও পরিচিতি ছিল না। সম্প্রতি একটি সাংবাদিক বৈঠকে কারও নাম না করে যশের মা পুষ্পা বলেন, ‘কেজিএফ’-এর আগেই তাঁর ছেলে কন্নড় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের পরিচয় তৈরি করে ফেলেছিলেন।

তিনি বলেন, ‘কেজিএফ’-এর আগে যশ পরপর পাঁচটি হিট ছবি উপহার দিয়েছিল। তাহলে, আপনার দাবি অনুযায়ী যদি সে একজন সাধারণ মানুষ হয়, কেউ না হয়, তাহলে তাকে ভয় পাওয়ার কী আছে? সে তো সন্ত্রাসবাদী নয়। ‘কেজিএফ’-এর আগে সে কে ছিল, সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলার প্রয়োজন নেই। এর আগেও সে ভালো ভালো ছবি দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘সে অন্য অনেকের মতো বিত্তশালী পরিবারে জন্মায়নি। সে একজন বাসচালকের ছেলে, যে নিজের যোগ্যতায় শীর্ষে পৌঁছেছে। একজন মা হিসেবে আমি ওকে নিয়ে গর্বিত।’

যশের মা আরও যা বললেন

যশের মা পুষ্পা আরও বলেন, তাঁর ছেলের সাফল্য এক রাতের মধ্যে আসেনি। কন্নড় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তিনি বছরের পর বছর কাজ করেছেন। দর্শকদের মধ্যে নিজের পরিচিতি তৈরি করার পরই তিনি ‘কেজিএফ’-এর সুযোগ পান। আর সেই ছবিই তাঁকে প্যান-ইন্ডিয়া তারকা হিসেবে পরিচিতি এনে দেয়।

টিমের প্রশংসা করেছিলেন যশ

সম্প্রতি যশকে রজত শর্মার জনপ্রিয় টিভি শো ‘আপ কি আদালত’-এ দেখা গিয়েছিল। সেখানে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, সাফল্য কোনও একজন মানুষের কৃতিত্ব নয়। কথোপকথনের সময় তিনি তাঁর পুরো টিমের পরিশ্রমের প্রশংসা করেন।

পাশাপাশি, একজন লিড অভিনেতার দায়িত্বের কথাও বলেন যশ। তাঁর মতে, আজকের দর্শক অত্যন্ত বুদ্ধিমান। তাঁরা ভালো ও সঠিক কাজের মূল্যায়ন করতে জানেন।

‘টক্সিক’-এর বক্স অফিস কালেকশন

প্রসঙ্গত, যশ অভিনীত ‘টক্সিক’ ছবির বক্স অফিস কালেকশন নিয়েও জোর চর্চা চলছে। প্রায় ৬ দিন আগে মুক্তি পাওয়া এই ছবি নিয়ে দর্শকদের প্রত্যাশা ছিল অনেক। কিন্তু দর্শকদের প্রতিক্রিয়া ও রিভিউ প্রকাশ্যে আসার পর ছবির আয়ে দ্রুত পতন দেখা যায়।

প্রথম দিন ১০১ কোটি টাকা দিয়ে ওপেনিং করা ছবিটি উইকেন্ডে নেমে আসে ৪৮ কোটিতে, যা প্রথম দিনের আয়ের অর্ধেকেরও কম। ছবিটির মোট আয় ইতিমধ্যেই ২১৪ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে, বিশ্বব্যাপী ছবিটির সংগ্রহ প্রায় ২৮৫ কোটি টাকা।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More