Chandrachur Singh: চন্দ্রচূড় সিংয়ের বাড়িতে চলল বুলডোজার! রাগ নয়, অফিসারদের সাথে হাত মেলালেন ‘মাচিস’ অভিনেতা
নগর ও কান্ট্রি প্ল্যানিং বিভাগ গুরুগ্রামের ডিএলএফ এলাকায় অভিনেতা চন্দ্রচুর সিংয়ের বাড়ির বাইরে একটি অবৈধ নির্মাণ ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল। অভিনেতার আচরণ অবাক করবে।
বেআইনি নির্মাণ এবং জবরদখলের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল হরিয়ানার গুরুগ্রাম প্রশাসন। শুক্রবার গুরুগ্রামের ডিএলএফ (DLF) এলাকায় ‘টাউন অ্যান্ড কান্ট্রি প্ল্যানিং ডিপার্টমেন্ট’-এর তরফে এক বিশাল উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। আর এই অভিযানের কোপ গিয়ে পড়ল বলিউডের নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা চন্দ্রচূড় সিং (Chandrachur Singh)-এর বাড়ির ওপর।

নিয়ম লঙ্ঘন করে বাড়ির বাইরে তৈরি করা একটি কংক্রিটের র্যাম্প বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয় প্রশাসন। তবে এই চরম পরিস্থিতির মধ্যেও মেজাজ না হারিয়ে অফিসারদের সাথে অভিনেতার মার্জিত কথোপকথনের একটি ভিডিও এখন সমাজমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল।
চন্দ্রচূড়ের বাড়ির বাইরে যখন গর্জে উঠল বুলডোজার
দৈনিক ভাস্করের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, গুরুগ্রামের ডিএলএফ এলাকায় অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান এবং নিয়ম বহির্ভূতভাবে তৈরি একাধিক অবৈধ কাঠামো ভাঙার কাজ শুরু করে ডিটিপি (DTP)। এই অভিযান চলাকালীনই চন্দ্রচূড় সিংয়ের বাসভবনের বাইরে বেআইনিভাবে তৈরি একটি গাড়ি ওঠার র্যাম্প কর্মকর্তাদের নজরে আসে। কোনো রকম রেয়াত না করে মুহূর্তের মধ্যে বুলডোজার দিয়ে সেটি ভেঙে ফেলা হয়।
বাড়ির বাইরে বুলডোজারের আওয়াজ পেয়ে অভিনেতা নিজে বাইরে বেরিয়ে আসেন। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, অভিনেতা অত্যন্ত শান্তভাবে কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলছেন। তিনি জানতে চান, ওঁর বাড়ির ভেতরেও কোনো অংশ ভাঙা হবে কি না। পাশাপাশি তিনি জানান, ১৯৯১ সালে ওঁর বাবা এই সম্পত্তিটি কিনেছিলেন। ওঁর বাড়ির বাইরের র্যাম্পটি কেন ভাঙা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও ওঁর আচরণ ছিল অত্যন্ত বিনয়ী ও ভদ্র।
রাগের বদলে অফিসারের সাথে মেলালেন হাত!
উচ্ছেদ অভিযানের সময় সাধারণত যেখানে বচসা বা মারমুখী পরিস্থিতি তৈরি হয়, সেখানে চন্দ্রচূড় এক অনন্য নজির গড়লেন। তিনি অফিসারদের কাছে জানতে চান যে এই পুরো উচ্ছেদ প্রক্রিয়াটি সরকারিভাবে নথিভুক্ত বা ভিডিওগ্রাফি করা হচ্ছে কি না এবং দলের দায়িত্বে কে আছেন।
সেখানে উপস্থিত ডিটিপি অফিসার অমিত মাধৌলিয়া নিজের পরিচয় দিলে অভিনেতা রেগে যাওয়ার পরিবর্তে ওঁর দিকে হাত বাড়িয়ে দেন। তিনি অফিসার অমিত ও ওঁর পুরো টিমের সাথে হাসিমুখে করমর্দন করেন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই ডিএলএফ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিল্ডিং নিয়ম লঙ্ঘনের একাধিক অভিযোগ আসছিল, যার ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ। আগামী দিনেও বেআইনি ফ্লোর ও বাণিজ্যিক নির্মাণের বিরুদ্ধে এই বুলডোজার অভিযান জারি থাকবে।
ওটিটি ও বড়পর্দায় চন্দ্রচূড়ের কামব্যাক
‘মাচিস’, ‘দাগ: দ্য ফায়ার’ কিংবা ‘জোশ’-এর মতো সুপারহিট ছবির অভিনেতা চন্দ্রচূড় সিং দীর্ঘদিন রুপোলি পর্দা থেকে দূরে থাকার পর সুস্মিতা সেনের ‘আর্য’ ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে কামব্যাক করেছিলেন। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে তাঁকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ প্রসেডিউরাল ড্রামা ছবি ‘বয়ান’-এ অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে। বিকাশ রঞ্জন মিশ্র পরিচালিত এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে ছিলেন হুমা কুরেশি।
একজন শক্তিশালী ভণ্ড ধর্মগুরুর যৌন কেলেঙ্কারির তদন্ত নিয়ে তৈরি এই ছবিটি আন্তর্জাতিক মহলে দারুণ প্রশংসা কুড়িয়েছে। ২০২৫ সালের বিখ্যাত ‘টরন্টো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’ (TIFF) এবং ৩০তম ‘বুসান ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’-এও ছবিটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার ও স্ক্রিনিং করা হয়েছিল।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


