'মা-বাবার থেকেও আমাকে বেশি বোঝে!' এই মাসেই বিয়ে, হবু বর নয়, তবে কাকে ছাড়া মিমির জীবন অচল?
১৫ বছর ধরে মিমির ছায়াসঙ্গী। তাঁর সব সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়া ‘বাচ্চা’ বুল্টিকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা নায়িকা।
তারকাদের ব্য়ক্তিগত জীবনে উঁকিঝুঁকি প্রতি মুহূর্তে। টলিউডের সুন্দরী নায়িকা মিমির প্রেমজীবন নিয়ে গত এক দশকে কম চর্চা হয়নি। অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন নায়িকা। এইমাসেই রেজিস্ট্রি ম্যারেজ, আগামী মাসে মন্ত্র পড়ে বিয়ে সারবেন মিমি ও তাঁর মনের মানুষ সিদ্ধার্থ, যিনি পেশায় মার্চেন্ট নেভি অফিসার।

সেই বিয়ে নিয়ে চাপা উত্তেজনার মাঝেই সোশ্য়ালে ভাইরাল মিমির এক ভিডিয়ো। যেখানে নিজের জীবনের ‘কাছের মানুষ’কে নিয়ে অকপট স্বীকারোক্তি করেছেন মিমি। কিছু মানুষ থাকেন, যাঁরা নিঃশব্দে আগলে রাখেন তারকাদের জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত। টলিউড অভিনেত্রী ও প্রাক্তন সাংসদ মিমি চক্রবর্তী-র জীবনের তেমনই একজন নির্ভরযোগ্য মানুষ তাঁর হাউস হেলপ বুল্টি। সম্প্রতি এক মঞ্চানুষ্ঠানে (মাচা শো-তে) বুল্টিকে পাশে নিয়ে গিয়ে তাঁর প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন মিমি।
মঞ্চে মাইক হাতে বুল্টিকে বুকে জড়িয়ে ধরে মিমির মুখে শোনা গেল এক আবেগঘন বার্তা।
মিমির মুখে বুল্টির প্রশংসা:
মঞ্চে বুল্টিকে জড়িয়ে ধরে মিমি দর্শকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘১৫ বছর ধরে ও আমার সাথে আছে। আমি হসপিটালে থাকলেও ও আমার পাশে থাকে। আমার দুঃখ-কষ্ট, আমার মা-বাবার থেকে মনে হয় এই বাচ্চাটা বেশি বোঝে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘ওর ভাই আজকে এসেছে আবদার করে ছবি তুলতে। সো, ওর ভাইয়ের সাথে ছবি তুলছি। বাকি তারপরে আমার ভাইদের সাথেও ছবি তুলব, তাই তো?’
অনুরাগী ও পরিবারের সমীকরণ:
বুল্টির ভাইয়ের আবদার মিটিয়ে তাঁর সঙ্গে ছবি তোলার পাশাপাশি, বুল্টিকে নিজের পরিবারের মতো মর্যাদা দিয়ে মিমির এই আচরণ উপস্থিত দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায়। শুধুমাত্র একজন সাহায্যকারী হিসেবে নয়, বিপদে-আপদে ১৫ বছর ধরে মিমির ছায়াসঙ্গী হয়ে থাকা বুল্টির প্রতি অভিনেত্রীর এই সম্মান নেটপাড়াতেও কুড়াচ্ছে ভূয়সী প্রশংসা।

বুল্টির ছবি প্রায়ই দেখা যায় মিমির সোশ্যাল হ্যান্ডেলে। তিনি এখন মিমির পরিবারের একজন সদস্যা। আপদে-বিপদে মিমিকে আগলানোর দায়িত্ব তাঁর কাঁধেই। মিমির চারপেয়ে সন্তানদেরও আদর-যত্নে রাখেন বুল্টি।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


