Uttam Kumar: ‘দাদু ভীষণ কালো ছিলেন… ক্রিম মেখে সাদা’, দাবি উত্তম কুমারের নাতনির! 'ভাট বকার লিমিট থাকে', ট্রোলড নবমিতা

‘ত্বকের দিক থেকে উনি খুব কালো ছিলেন। উড়ে পুরুত বলতে যা বোঝায়…’, ঠাকুরদা উত্তম কুমারকে নিয়ে ‘আজব দাবি’ নবমিতার। ‘মাথাটা পুরোই খারাপ’, ট্রোলের মুখে গৌতম-তনয়া। 

Published on: Jul 30, 2026, 10:30:06 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

উত্তম কুমার— বাঙালির নস্টালজিয়া, বাঙালির রোমান্টিসিজমের শেষ কথা। তাঁর এক চিলতে হাসি আর অনবদ্য ব্যক্তিত্বে আজও মুগ্ধ একাধিক প্রজন্ম। মহানায়কের রূপ, চেহারা কিংবা ম্যানারিজম নিয়ে চর্চা থামেনি চার দশকেও। কিন্তু এবার সেই স্বপ্নের নায়ককে নিয়েই এক বিস্ফোরক দাবি করে বসলেন তাঁর নিজেরই নাতনি নবমিতা চট্টোপাধ্যায়! এক সোশাল মিডিয়া পডকাস্টে এসে তিনি দাবি করলেন, ওঁর দাদু নাকি শুরুতে ভীষণ কালো ছিলেন এবং পরবর্তীতে বিশেষ ফেয়ারনেস ক্রিম মেখে মেখে নিজেকে ফর্সা বানিয়েছিলেন! ওঁর এই মন্তব্য সামনে আসতেই এক্কেবারে রে-রে করে উঠেছে পুরো নেটপাড়া।

‘দাদু ভীষণ কালো ছিলেন… ক্রিম মেখে সাদা’, দাবি উত্তম কুমারের নাতনির! 'ভাট বকার লিমিট থাকে', ট্রোলড নবমিতা
‘দাদু ভীষণ কালো ছিলেন… ক্রিম মেখে সাদা’, দাবি উত্তম কুমারের নাতনির! 'ভাট বকার লিমিট থাকে', ট্রোলড নবমিতা

পডকাস্টের সেই বিতর্কিত দাবি

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে হাজির হয়ে রূপোলি পর্দার এই আইকনকে নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেন নবমিতা। ওঁর সেই মন্তব্যের ক্লিপিং ছড়িয়ে পড়তেই বিতর্ক দানা বাঁধতে শুরু করে। নবমিতার দাবি ছিল, মহানায়ক জন্মগতভাবে ধবধবে ফর্সা ছিলেন না, বরং তাঁর গায়ের রঙ ছিল কালো। নবমিতা বলেন, ‘দাদু ভীষণ কালো ছিলেন, এটা বললে কেউ বিশ্বাস করবে না। কিন্তু দাদু অত্যন্ত কালো ছিলেন। নিভিয়া (ক্রিম) দিয়ে, শনা নিয়ে… ত্বকের দিক থেকে উনি খুব কালো ছিলেন। উড়ে পুরুত বলতে যা বোঝায়, আমার কাছে পুরোনো ছবি আছে সেটা যদি তুমি দেখো….’। সঞ্চালক প্রশ্ন করেন, ‘স্কিন টোন এক্কেবারে কালো?’ জবাবে নবমিতা জানান, ‘একদম’। সঙ্গে জুড়ে দেন- ‘সেটা সাদা করেছে বিভিন্ন ক্রিম মেখে, ডাক্তারদের সঙ্গে পরামর্শ করে কিছু ক্য়াপসুল খেয়ে, উনি নিজেকে অনেক বেশি নারচার করেছেন’।

'ভাট বকার লিমিট থাকে!' তোপের মুখে নবমিতা

উত্তম কুমারের রূপ ও অনবদ্য ব্যক্তিত্ব নিয়ে ওঁর নিজের পরিবারের সদস্যের এমন অনভিপ্রেত দাবি এক লহমায় খণ্ডন করেছেন মহানায়কের ভক্তরা। ভিডিওর কমেন্ট বক্সে ধেয়ে এসেছে তীব্র কটাক্ষের বন্যা। ক্ষুব্ধ নেটিজেনদের একাংশ লিখেছেন, ‘ভাট বকার একটা লিমিট থাকা উচিত’! আবার অনেকের বক্তব্য, সস্তা ফুটেজ বা ভিউ পাওয়ার লোভে নিজের দাদুকে নিয়ে যা খুশি বলে দেওয়া হচ্ছে।

উত্তম কুমারকে স্বচক্ষে দেখা বহু সিনেমাপ্রেমীদের স্পষ্ট বক্তব্য, মহানায়কের ব্যক্তিত্ব, আকর্ষণ কিংবা ক্যারিশমা কোনো সস্তা ক্রিমের ওপর নির্ভর করত না। তিনি কোনওভাবেই কালো ছিলেন না। এই দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।

নস্টালজিয়া বনাম সস্তা পাবলিসিটির লড়াই

বাংলা ছবির স্বর্ণযুগের মহানায়ককে নিয়ে তৈরি এই ট্রোলিং ও বিতর্কের আগুন এখন নেটপাড়ায় দাউদাউ করে জ্বলছে। অনুরাগীদের একাংশের মতে, আজকাল পডকাস্টে ভিউ বাড়ানোর চক্করে তারকাদের স্বজনদের ডেকে এনে এমন কিছু বলিয়ে নেওয়া হচ্ছে যার কোনো ভিত্তিই নেই। নিজের দাদুকে নিয়ে এমন আজব মন্তব্যের পর তীব্র ট্রোলিংয়ের মুখে পড়ে নবমিতা চট্টোপাধ্যায় এখন এই বিষয়ে নতুন কোনো সাফাই দেন কি না, সেদিকেই নজর সনেমা অনুরাগীদের!

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More