ভুলেই গেলেন বড় ছেলে রোহিতকে, বরুণের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ডেভিড ধাওয়ান, কী বললেন?

বরুণ ধাওয়ানের 'হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়' ছবির ট্রেলার লঞ্চ ইভেন্টে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা গেল বরুণ ধাওয়ানের বাবা ডেভিড ধাওয়ানকে। ছেলের কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেললেন টলিউডের এই খ্যাতনামা পরিচালক। 

Updated on: May 24, 2026, 09:37:14 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বরুণ ধাওয়ানের 'হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হি হ্যায়'-এর ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে। ছবির পরিচালক ডেভিড ধাওয়ানও ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ট্রেলার লঞ্চ ইভেন্টের একটি ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রমশ ভাইরাল হচ্ছে। ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওতে দেখা যায়, বরুণ ধাওয়ানকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ডেভিড ধাওয়ান। বাবাকে কাঁদতে দেখে বরুণ ধাওয়ান তাঁকে জড়িয়ে ধরেন, কপালে চুমু খান।

ছেলের জন্য কান্না বরুণ ধাওয়ানের বাবার। (Instagram Video Grab)
ছেলের জন্য কান্না বরুণ ধাওয়ানের বাবার। (Instagram Video Grab)

ডেভিড ধাওয়ানের এই ভিডিয়ো শেয়ার করা হয়েছে বীরেন্দ্র চাওলার ইনস্টাগ্রাম পেজে। ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে ডেভিড ধাওয়ানকে তাঁর ছেলে বরুণ ধাওয়ানের সঙ্গে বসে আছেন। ডেভিড ধাওয়ান বলেন, ‘সব বাবারই বরুণ ধাওয়ানের মতো ছেলে থাকা উচিত’। ডেভিড ধাওয়ান তাঁর বক্তব্য শেষ করার সঙ্গে সঙ্গেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।

বাবাকে কাঁদতে দেখে বরুণ ধাওয়ান বাবার পিঠে হাত দিয়ে সান্ত্বনা দেয়। ফিসফিস করে দাদার নাম নিয়ে বলেন, ‘আমার এবং রোহিতের মতো বলো’। এরপর তিনি বাবাকে জড়িয়ে ধরেন এবং কপালে চুমু খান। বরুণ ধাওয়ান ও ডেভিডের এই ভিডিয়ো ক্রমশ ভাইরাল হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষের প্রতিক্রিয়াও দেখা দিয়েছে। একজন ব্যবহারকারী লেখেন, ‘যখন একজন বাবা গর্ব বোধ করেন তখন এমনটাই হয়।’ এক ব্যবহারকারী লেখেন, ‘ভিডিয়োটি দেখে ভালো লাগলো। অনেক ব্যবহারকারী ভিডিয়োতে হার্ট ইমোজি দিয়েছেন।’

'হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়' ছবিটি পরিচালনা করেছেন বরুণ ধাওয়ানের বাবা ডেভিড ধাওয়ান। ছবিতে অভিনয় করেছেন বরুণ ধাওয়ান, পূজা হেগড়ে, মণীশ পাল, মৃণাল ঠাকুর, মৌনি রায়, রাকেশ বেদী এবং জিমি শেরগিল। ছবিটি ৫ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More