Biva Sengupta Death: রবীন্দ্রসঙ্গীত জগতে অপূরণীয় ক্ষতি! ৯৪ বছর বয়সে প্রয়াত কণ্ঠশিল্পী বিভা সেনগুপ্ত
প্রবীণ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী বিভা সেনগুপ্ত পরলোক গমন করেছেন। দেবব্রত বিশ্বাস ও মায়া সেনের অনুগামী ও ছাত্র হিসেবে রবীন্দ্রসঙ্গীতের খাঁটি ধারা রক্ষা করেছিলেন তিনি।
বাংলা সঙ্গীত জগতের প্রবীণ ও বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী বিভা সেনগুপ্ত (Biva Sengupta) প্রয়াত হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। বেশ কিছুদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন শিল্পী। রবীন্দ্রসঙ্গীতশিল্পী শ্রাবণী সেন জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকাল ৭.৩০টা নাগাদ হাসপাতালেই মৃত্য়ু হয়েছে বিভা দেবীর। প্রবীণ এই শিল্পীর তিরোধানে কলকাতার সাংস্কৃতিক ও সঙ্গীতমহলে শোকের গভীর ছায়া নেমে এসেছে।

রবীন্দ্রসঙ্গীতের বিশুদ্ধ ধারা, স্পষ্ট উচ্চারণ এবং নিজস্ব স্বকীয় গায়কীর জন্য সঙ্গীতপ্রেমীদের কাছে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সমাদৃত ছিলেন।
রবীন্দ্রসঙ্গীত সাধনা ও সাঙ্গীতিক জীবন
বিভা সেনগুপ্ত রবীন্দ্রসঙ্গীতের বিশিষ্ট গুণীজন দেবব্রত বিশ্বাস ও মায়া সেনের মতো দিকপালদের পরম সান্নিধ্যে এসে সঙ্গীতচর্চা করেছিলেন এবং সেই ধারাকেই সারাজীবন বয়ে নিয়ে চলেছিলেন। আকাশবাণী কলকাতা (AIR Kolkata) এবং দূরদর্শনের শুরুর দিনগুলো থেকেই তাঁর রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন বহু শ্রোতার মন জয় করেছিল। তাঁর জীবনব্যাপী এই সঙ্গীতসাধনা নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য চিরকাল অনুপ্রাণিত করবে।
গুণমুগ্ধদের শোকজ্ঞাপন
বিভা সেনগুপ্তের মৃত্যুতে সাংস্কৃতিক জগতের বহু শিল্পী, কলাকুশলী এবং তাঁর অগণিত ভক্ত শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেছেন। প্রবীণ এই শিল্পীর প্রয়াণে রবীন্দ্রসঙ্গীত চর্চার স্বর্ণযুগের আরও একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র নিভে গেল বলে মনে করছেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। প্রিয় ‘বিভা মাসি’কে স্মরণ করে শ্রাবণী সেন জানান,' প্রথমবার বিদেশে গান গাইতে যাওয়ার সময় ভীষণ ভয় করছিল আমার। সেই সময় বিভামাসির সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিলন। বিদেশে গান গাইতে যাচ্ছি শুনে বিভা মাসি ভীষণ খুশি হয়েছিলেন। ছোট ছোট ঘটনাতেও তাঁর আনন্দের কোনও সীমা ছিল না। কাছের মানুষদের সাফল্যকে নিজের সাফল্যের মতো করেই উদযাপন করতেন তিনি।'
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


