Mamata-Vivaan: ‘কাজ হারানোর ভয়ে যায়নি!’, ২১ জুলাইয়ে মমতার মঞ্চে অনুপস্থিতি নিয়ে ট্রোল, জবাব ভিভানের

শহিদ দিবসের অচেনা ছবি! বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে মমতার সভামঞ্চে জনতার ভিড় চোখে পড়লেও গায়েব টলি সেলেবরা। 

Published on: Jul 21, 2026, 20:26:57 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

একুশে জুলাইয়ের তৃণমূল কংগ্রেসের শহীদ দিবসের মঞ্চ মানেই এতদিন সেখানে ছিল টলিউডের তারকাদের মেলা। প্রথম সারি থেকে শুরু করে মঞ্চের চারপাশ— সবখানেই থাকে বিনোদন জগতের তারকাদের উপস্থিতি। তবে এই বছর সেই চেনা ছবিতে দেখা গেল বড়সড় রদবদল। কারণ তৃণমূল এখন দু-ভাগে বিভক্ত, পাশাপাশি মাত্র দু-মাস আগেই রাজ্য়ে পালাবদল ঘটেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২১শে জুলাইয়ের মঞ্চ এবার তারকা-শূন্য।

‘কাজ হারানোর ভয়ে যায়নি!’, ২১ জুলাইয়ে মমতার মঞ্চে অনুপস্থিতি নিয়ে ট্রোল, জবাব ভিভানের
‘কাজ হারানোর ভয়ে যায়নি!’, ২১ জুলাইয়ে মমতার মঞ্চে অনুপস্থিতি নিয়ে ট্রোল, জবাব ভিভানের

সোশ্যাল মিডিয়ায় ২১শে জুলাইয়ের মঞ্চে টলিউডের এই অনুপস্থিতি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই জোর জল্পনা ও ট্রোল শুরু হয়। আর সেই আলোচনাতেই নাম জড়িয়ে গেল জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘চিরসখা’ (Chirosokha)-র ‘বুব্লাই’ অর্থাৎ অভিনেতা ভিভান ঘোষ-এর।

নেটিজেনের তোপ: ‘কাজ হারানোর ভয়ে কেউ যায়নি!’

টেলিভিশনের পরিচিত মুখ ভিভান ঘোষ নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলেন, যেখানে লেখা ছিল— ‘আজ বিদ্রোহীদের কথা ভেবে খুব হাসি পাচ্ছে’। ভিভান নিজের অবস্থান স্পষ্ট না করলেও নিন্দকদের মতে, বিদ্রোহী তৃণমূল শিবির (ঋতব্রত শিবির)-কে কটাক্ষ করে এই পোস্ট।

সেই পোস্টের কমেন্ট বক্সে সায়ন দে নামে এক নেটিজেন কটাক্ষ করে লেখেন, ‘কাজ হারানোর ভয়ে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঞ্চে কোনো টলিউড অভিনেতা অভিনেত্রীকে দেখা গেল না (excluding দুজন অভিনেতা অভিনেত্রী ছাড়া)।’

‘শিল্পীরা সফট টার্গেট’— সপাটে জবাব ভিভানের

নেটিজেনের এই খোঁচা একেবারেই হজম করেননি অভিনেতা ভিভান ঘোষ। কমেন্টের পাল্টা জবাব দিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করেন তিনি। ভিভান লেখেন, ‘না, শিল্পীদের ইনভাইট করা হয় তাই যায়। এবার সেটা হয়নি। শিল্পীরা Soft Target আসলে বুঝলেন’।

ভিভানের এই স্পষ্ট জবাবে জলঘোলা অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যায়। তাঁর মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, তারকারা কাজ হারানোর ভয়ে বা স্বেচ্ছায় এই রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে দূরে থাকেননি, বরং দলের তরফ থেকেই এবার তারকাদের সেইভাবে আমন্ত্রণ বা ‘ইনভাইট’ জানানো হয়নি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা অটুট

হালে অপারেশন হয়েছে ভিভানের। তিনি এমনি খুব বেশি বাড়ি থেকে বার হচ্ছেন না, তবে আগেই অভিনেতা স্পষ্ট করেছিলেন ২১শে জুলাইয়ের মঞ্চে যাওয়ার জন্য টলি তারকাদের আমন্ত্রণপত্র আসত অরূপ বিশ্বাসের অফিস থেকে। টিভি নাইন বাংলাকে তিনি বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর শ্রদ্ধা অবশ্যই ছিল। আজও আছে। উনি একজন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যেভাবে আমাদের কাজ দেখতেন, আমাদেরকে আমন্ত্রণ জানাতেন, সেটা খুবই ভালো লাগত। বর্তমান রাজ্য সরকারের তরফে এমন আমন্ত্রণ পেলেও, তা রক্ষা করব। কিন্তু এবার কোনও আমন্ত্রণ আসেনি। আমি কোনও রাজনৈতিক দলের সদস্য নই’।

সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়

ভিভানের এই উত্তরটি মুহূর্তে নেটপাড়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। বিনোদন জগতে রাজনীতির যোগসূত্র এবং ‘শিল্পীদের সফট টার্গেট’ করা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে যেমন নেটিজেনদের একাংশ এই রাজনৈতিক মঞ্চে তারকাহীনতাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, অন্যপ্রান্তে ভিভানের সমর্থকরা অভিনেতার এই যুক্তিপূর্ণ ও সোজাসাপ্টা মন্তব্যের প্রশংসা করেছেন।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More