কোয়েল-শুভশ্রী, সৌমিতৃষা থেকে দেব-অঙ্কুশ, ভোট প্রচারে কার ফ্যাশন করল বাজিমাত?

২০২৬ সালের বিধানসভা ভোট নিয়ে টানটান উত্তেজনা গোটা দেশ জুড়ে। এবারে তারকারাও জোরদার প্রচার করেছেন। যদিও এদিক থেকে হিসেব করলে, পাল্লা ভারি তৃণূমূলের দিকেই। কোয়েল থেকে দেব, শুভশ্রী থেকে নুসরত, শ্রাবন্তী, পরমব্রত-অঙ্কুশ, বাঘাবাঘা তারকারা তাঁদের প্রিয় ‘দিদি’র হয়ে বাংলার মানুষের থেকে চেয়েছেন ভোট। 

Published on: Apr 29, 2026, 09:31:00 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোট। সকাল থেকেই বঙ্গে তাই সাজো সাজো রব। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোট নিয়ে টানটান উত্তেজনা গোটা দেশ জুড়ে। কোন দল বাজিমাত করবে, তা নিয়ে শুধু রাজনীতিবিদরা নন, চিন্তায় সাধারণ মানুষও। এবারের ভোটে উঠেপড়ে প্রচার করেছেন টলিউডের তারকারাও। যদিও তারকা সমর্থনে তৃণমূল কংগ্রেসই রয়েছে এগিয়ে। দেব থেকে কোয়েল, শুভশ্রী, নুসরত, অঙ্কুশ, পরমব্রতর মতো সব হেভিওয়েট তারকারা গলা ফাটিয়েছেন দিদির হয়ে।

ভোট প্রচারের ফ্যাশনে কে করল বাজিমাত?
ভোট প্রচারের ফ্যাশনে কে করল বাজিমাত?

ভোট দেওয়ার মাঝখানে চলুন একবার ফিরে দেখা যাক, প্রচারে কার সাজ কেমন ছিল। দিন তিনকে প্রচারে বেরিয়েছিলেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। আর প্রতিদিনই অভিনেত্রী শাড়িকেই বেছে নিয়েছিলেন। বর রাজ চক্রবর্তীর কেন্দ্র ব্য়ারাকপুরে বেশ বড়সড় রোড শো করেছিলেন। সেখানে তাঁর ব্লাউজ ছিল সাদা, শাড়ি ছিল নীল। এবার পোশাকের এই কম্বিনেশন কাকতালীয়, না দিদির পছন্দের ‘নীল-সাদা’র কথা মাথায় রেখে তা তিনিই জানেন! চুল থেকে মেকআপ, সবটাই নিখুঁত।

ভোটের আগে দিয়েই সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ কোয়েল মল্লিকের তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ধরে। ফলত, তিনিও বেশ উঠেপড়েই দলের হয়ে প্রচার করেছেন। তবে সেভাবে ফ্যাশনের দিকে তাকাননি। বরং সাদামাটাভাবেই সালোয়ার বা কুর্তায় দেখা মিলেছে রঞ্জিত-কন্যার। মেকাআপো নেই বললেই চলে।

দেবকে দেখা গিয়েছে একেবারেই ক্য়াজুয়াল লুকে। বেশিরভাগ সময়ই ডেনিম আর টি-শার্ট। অবশ্য প্রচারের জন্য হেলিকপ্টারে যাতায়াতের ফাঁকে কেতাদুরস্ত ছবি একটা তুলে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করতে ভোলেননি। ভোটে না দাঁড়ালেও, এবারে জোরদার প্রচার করেচছেন ছোট পর্দা দিয়ে জনপ্রিয়তা পাওয়া অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুণ্ডু।

সৌমিতৃষা প্রায় রোজই বেরিয়েছিলেন প্রচারে। আর দর্শকদের প্রিয় মিঠাই-রোজই বেছেনিয়েছিলেন সালোয়ার। কোনোদিন লাল, কোনোদিন হলুদ, কোনোদিন আবার কমলা! বেশ যত্ন করে সাজগোজও ছিল। আর তাঁর সেই ট্রেডমার্ক একগাল হাসি তো ছিলই।

ভোটে না দাঁড়ালেও, তৃণমূলের হয়ে প্রচারে নেমেছিলেন নুসরত জাহান, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়রা। তবে ফ্যাশন গেমে শুভশ্রীর ধারেকাছেও পৌঁছতে পারেননি। একই কথা খাটে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে।

অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বরানগর বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী। তাই সাজগোজ ভুলে তাঁর মন ছিল প্রচারেই। রোদ-জল উপেক্ষা করেই ভোট চেয়েছেন বাড়িবাড়ি, গলিগলি ঘুরে। গায়ে ছিল কখনো শাড়ি, তো কখনো সালোয়ার।

প্রচারে সামিল হয়েছিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, অঙ্কুশ হাজরা-রাও। দুজনেই একেবারে ঝকঝরে সাদা পোশাকে ভোট চেয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে।

ভোট প্রচারের সাজুগুজুতে আপনার মন জিতলেন কোন তারকা?

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More