Dharmedra: ২য় স্ত্রী হেমা-র সন্তান, বাবার বাড়িতে পা রাখেননি কখনো! ধর্মেন্দ্রর শুধু এই বিশেষ সম্পত্তি চান ছোট মেয়ে অহনা
৮৯ বছরে না ফেরার দেশে চলে গিয়েছেন ধর্মেন্দ্র। ছোট মেয়ে অহনা দেওল বহু আগেই জানিয়েছিলেন তিনি তাঁর বাবার সম্পত্তি চান না, শুধু চান বিশেষ একটি জিনিস।
বলিউড অভিনেতা ধর্মেন্দ্র তাঁর ৯০ বছরের জন্মদিনের আগেই পরিবার, বন্ধুদের ছেড়ে পাড়ি দিয়েছেন না ফেরার দেশে। মুম্বইতে নিজের পৈত্রিক বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। যেখানে প্রবেশের অধিকার কোনোদিনই পাননি হেমা মালিনি বা তাঁর দুই মেয়ে এষা ও অহনা দেওল। তবে জানেন কি, ছোট মেয়ে অহনা বহু আগেই জানিয়েছিলেন তিনি তাঁর বাবার সম্পত্তি চান না, শুধু চান বিশেষ একটি জিনিস।

অনেক পুরনো এক সাক্ষাৎকারে এই নিয়ে কথা বলেছিলেন ধর্মেন্দ্রর ছোট কন্যা। অভিনেত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘'আমি যদি আমার বাবার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে কিছু পেতে চাই, তাহলে তাঁর প্রথম ফিয়ট গাড়িটা নেব। এই গাড়িটি দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনই আছে একটা ভিন্টেজ লুক। তবে এটি আমার জন্য কেবল একটি গাড়ি নয়, আমার বাবার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই গাড়ির সঙ্গে।’
অহনা এই সাক্ষাৎকারে তাঁর বাবার সঙ্গে কাটানো ছোটবেলার একটি স্মৃতি ভাগ করে নিয়েছিলেন। জানান, ‘আহানা তার বাবার গল্প আরও শেয়ার করেছেন। "আমার বয়স যখন ছয় বছর, তখন তিনি লোনাওয়ালায় তাঁর ফার্ম হাউজে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার আগে, তারা আমাদের বিদায় জানাতে আমাদের বাড়ির সামনে আসেন। হঠাৎ আমি বায়না ধরলাম, 'আমিও যেতে চাই'। এরপ ওরা আমার ব্যাগ গুছিয়ে নেয়। তিনি আমাকে গাড়িতে তাঁর কোলে বসিয়ে নিয়ে যান। এটা তাঁর সঙ্গে আমার সবচেয়ে ভালো স্মৃতিগুলোর মধ্যে একটি। আমি এটি সর্বদা গভীর আদরের সঙ্গে মনে রাখব।’
আহানা আরও জানিয়েছেন যে, ছোটবেলায় তিনি তাঁর বাবা-মাকে সিনেমায় অন্যের সঙ্গে রোমান্স করতে দেখা একেবারেই পছন্দ করতেন না। ‘এটা সত্যি যে, আমি যখন ছোট ছিলাম, তখন আমার এটা একদম ভালো লাগত না। আমি খুব বিভ্রান্ত হতাম ও রেগে যেতাম। আমার মা হেমা মালিনী আমাকে বুঝিয়ে বলতেন যে এটা তাঁর কাজের অংশ, কিন্তু শুরুতে আমার পক্ষে এটা মেনে নেওয়া খুব কঠিন ছিল।’
১৯৫৪ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা ধর্মেন্দ্র, প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর। সেই বিয়ে থেকে চার সন্তান হয়, দুই পুত্র সানি দেওল ও ববি দেওল। দুই কন্যা বিজেতা ও অজিতা। তবে এরপর আচমকাই হেমা মালিনির প্রেমে পড়েন। ১৯৮০ সালে হেমা মালিনীকে বিয়ে করেছিলেন ধর্মেন্দ্র। কিন্তু কখনোই ডিভোর্স দেননি প্রথম স্ত্রীকে। শোনা যায়, সেই সময় হেমা ও ধর্মেন্দ্র দুজনেই ধর্ম বদলে, হিন্দু থেকে মুসলিম হয়ে তারপর বিয়েটা করেন। কারণ, হিন্দু ধর্মে একসঙ্গে ২ স্ত্রী রাখার অনুমতি নেই। যদিও প্রকাশ্যে এই কথা কোনোদিনই স্বীকার করেননি তিনি বা হেমা। বিয়ের পর আলাদা বাড়িতেই থাকতেন হেমা। মাঝেমধ্যে সেখানে আসতেন ধর্মেন্দ্র ঠিকই, তবে পাকাপোক্তভাবে তাঁর থাকার জায়গা ছিল পৈত্রিক বাড়িটি, যেখানে প্রকাশ কৌর থাকতেন নিজের চার সন্তানকে নিয়ে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


