Asha-Himesh: স্বামী আরডি বর্মণকে অপমান! হিমেশকে চড় মারতে চান আশা ভোঁসলে, কী ঘটেছিল?

Asha-Himesh: সুর আর তাল যখন এক জায়গায় হয়, তখন তো ম্যাজিক তৈরি হয়ই, কিন্তু মাঝেমধ্যে তৈরি হয় তুমুল বিতর্কও। রিয়্যালিটি শো-এর মঞ্চে হিমেশ রেশমিয়া আর আশা ভোঁসলের মধ্যে তেমনই এক 'গরম' মুহূর্ত তৈরি হয়েছিল, যা নিয়ে আজও বলিউডে চর্চা হয়।

Updated on: Apr 13, 2026, 17:24:09 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link
স্বামী আরডি বর্মণকে অপমান! হিমেশকে চড় মারতে চান আশা ভোঁসলে, কী ঘটেছিল?
স্বামী আরডি বর্মণকে অপমান! হিমেশকে চড় মারতে চান আশা ভোঁসলে, কী ঘটেছিল?

Asha-Himesh: আশা ভোঁসলের প্রয়াণে মন কাঁদছে গোটা দেশের। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পছন্দ করতেন কিংবদন্তী শিল্পী। একাধিক রিয়ালিটি শো-এর মঞ্চে দেখা মিলল তাঁর। তরুণ প্রজন্মকে আপন করতে কুণ্ঠাবোধ করতেন না আশা তাই। তবে একবার হিমেশকে উচিত শিক্ষা দিয়েছিলেন গায়িকা।

হিমেশ রেশমিয়া মানেই নাকে সুর আর এক বিশেষ ঘরানার গান। তাঁর মন্তব্য মাঝেমধ্যেই তাঁকে বিতর্কে জড়িয়ে ফেলে। ঠিক তেমনই এক ঘটনা ঘটেছিল একটি জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো-এর মঞ্চে, যেখানে বিচারকের আসনে ছিলেন কিংবদন্তি আশা ভোঁসলে এবং হিমেশ। কিন্তু কথা কাটাকাটি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, আশাজি মেজাজ হারিয়ে হিমেশকে থাপ্পড় মারার কথা বলে বসেন।

ঠিক কী ঘটেছিল?

ঘটনার সূত্রপাত গানের জগতের আর এক স্তম্ভ আর ডি বর্মনকে (পঞ্চম দা) নিয়ে। হিমেশ মন্তব্য করেছিলেন যে, আর ডি বর্মনের কিছু গানে নাকি নাকে সুর ব্যবহার করা হতো। এই কথা শোনার পরই আগ্নেয়গিরির মতো ফেটে পড়েন আশা ভোঁসলে। স্বামী আর ডি বর্মন তাঁর কাছে ভগবানের সমান। পঞ্চম দা-র গানের কৌশল নিয়ে হিমেশের মতো নবাগতের এমন 'দুঃসাহস' মেনে নিতে পারেননি তিনি।

আশাজির সেই বিস্ফোরক উত্তর

হিমেশের মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আশাজি সরাসরি বলেন, ‘আর ডি বর্মনের নামে এমন কথা বললে আমি কিন্তু আপনাকে চড় মারতে পারি!’ ওইটুকু ছোট কথায় হিমেশকে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন যে, কিংবদন্তিদের কাজ নিয়ে মন্তব্য করার আগে দশবার ভাবা উচিত। অবশ্য পরিস্থিতি বেগতিক দেখে হিমেশ তখনই পিছু হঠেন এবং জানান যে, তিনি আসলে পঞ্চম দা-র সমালোচনা করেননি, শুধু তাঁর গায়কীর বৈচিত্র্যের কথা বলছিলেন।

ঘটনাটি ২০০৬ সালের। সেই সময় হিমেশ নাকি সুরে গান গেয়ে বিখ্যাত হয়ে উঠছিলেন। এই সময়ে, এএনআইকে দেওয়া একটি সাক্ষাত্কারে তিনি নাক দিয়ে গান গাওয়ার পদ্ধতির পক্ষে সমর্থন করেছিলেন এবং আরডি বর্মনের নাম নিয়েছিলেন। হিমেশ বলেন, ‘আরডি বর্মণ ও নুসরাত ফতেহ আলি খানের মতো কিংবদন্তি গায়কদেরও নাক দিয়ে গান গাইয়েছেন।’ আশা ভোঁসলে এটা পছন্দ করেননি।

হিমেশের কথায় রেগে গেলেন আশা ভোঁসলে। স্বামী আর ডি বর্মণের উত্তরাধিকার নিয়ে একটি শব্দও শোনেননি তিনি। জবাবে আশা ভোঁসলে বলেন, 'যদি কেউ বর্মণ সাহেবকে নিয়ে বলেন যে তিনি নাক দিয়ে গান গেয়েছেন, তাহলে তাকে চড় মারতে হবে। ’

পরে, হিমেশ তার ভুল বুঝতে পেরেছিলেন এবং উপলব্ধি করেছিলেন কিংবদন্তি গায়কের উদাহরণ দেওয়া উচিত হয়নি। হিমেশ ক্ষমা চেয়েছেন এবং আশা ভোঁসলেও তাকে ক্ষমা করেছেন। এই পুরো বিতর্কের পরে, আশা হিমেশের জন্য গানও গেয়েছিলেন। পরবর্তীতে সুরক্ষেত্র নামের এক রিয়ালিটি শো-তেও একসঙ্গে কাজ করেছেন দুজনে।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More