Dolon-Dipankar: ২২ বছর লিভ ইন! ‘শারীরিক সুখ’ দিতে পারেননি দীপঙ্কর, মা হওয়া নিয়ে কী বলেছিলেন দোলন

এক সাক্ষাৎকারে দীপঙ্কর দে-কে বলতে শোনা গিয়েছিল যে, সম্পর্কে ‘শারীরিক সুখ’ দিতে পারেননি ২৬ বছরের বড় দীপঙ্কর দে। মাতৃত্ব নিয়ে কী বলেছিলেন অভিনেত্রী?

Published on: Dec 18, 2025, 11:30:36 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম চলচ্চিত্র জুটি হলেন দীপঙ্কর দে আর দোলন রায়। তাঁদের বয়সের পার্থক্য নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। দীপঙ্করের থেকে প্রায় ২৬ বছরের ছোট দোলন। ২০২০ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাঁরা। তখন দীপঙ্কর দে-র বয়স ছিল ৭৫ এবং দোলন রায়ের ৪৯ বছর।

২০২০ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন দোলন ও দীপঙ্কর।
২০২০ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন দোলন ও দীপঙ্কর।

এক সাক্ষাৎকারে নিবেদিতা অনলাইন নামক একটি ইউটিউব চ্যানেলকে নিজের সেক্স লাইফ নিয়ে দোলন বলেছিলেন, ‘একটা সময় পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। কিন্তু তারপর যা হওয়ার ছিল সেটাই হল। অন্যান্য সব মেয়েরা যেমন কম্প্রোমাইজ করে নেয়, সেটাই করলাম। নইলে একটা অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়।’ সঙ্গে দোলন নিজের বক্তব্যে আরও জুড়েছিলেন, ‘আসলে মানুষটাকে এতটা ভালোবাসি যে এগুলো কখনই খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। কিছুটা মানিয়ে নিয়েছি। ওকে কোনও কিছুই অনুভব করতে দিইনি। ও বুঝলে সম্পর্কটা কি ঠিক থাকত?’

শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় সঞ্চালিত অপুর সংসারে এসে জানিয়েছেন তাঁর সন্তানের খুব শখ, বিশেষ করে একটি মেয়ের মা হওয়ার। দোলন বলেছিলেন, ‘আমি নিজে আমার মায়ের খুব কাছের। এখন তো বয়স হয়ে গিয়েছে মায়ের। সব কথা তো আর ভাগ করা যায় না। একটা মেয়ে থাকলে খুব ভালো হত। তার সঙ্গে মনের সব কথা ভাগ করে নিতাম। বন্ধুর মতো মিশতাম।’ সেই সময় পাশে ছিল দীপঙ্করও। খানিক চুপ করে যান দীপঙ্কর। যদিও সন্তান না নেওয়া নিয়ে পরবর্তীতে কখনো সেভাবে কথা বলেননি তাঁরা।

শোনা যায়, ১৯৯৭ সাল থেকে তাঁদের আলাপ, চেনা, জানা। এরপর প্রেম। তবে দীপঙ্করের প্রথম স্ত্রী ছিলেন একজন অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান মহিলা এবং তাঁদের দুটি কন্যা সন্তান ছিল। ডিভোর্সের পর, দোলনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। এরপর ২২ বছর লিভ-ইন সম্পর্কে থাকার পর, ২০২০ সালের ১৬ জানুয়ারি তাঁদের বিয়ে হয়।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More