Kareena-Saif: মা-বাবাকে হুমকি দিয়ে ডিভোর্সি সইফকে বিয়ে করেন করিনা! কী হয়েছিল তখন কাপুর পরিবারে
কারিনা কাপুর খান এবং সাইফ আলি খান বলিউডের অন্যতম প্রিয় দম্পতি। ২০১২ সালের ১৬ অক্টোবর তাঁরা বিয়ে করেন। দুজনের দাম্পত্য জীবন ১৫ বছর পার করে ফেলেছে। দুই ছেলে তৈমুর ও জেহ-র মা-বাবাও হয়েছেন তাঁরা।
বলিউডের জনপ্রিয় দম্পতিদের মধ্যে অন্যতম হলেন করিনা কাপুর Khan ও সইফ আলি খান। দীর্ঘদিন সম্পর্কে থাকার পর ২০১২ সালের ১৬ অক্টোবর তাঁরা বিয়ে করেন। তাঁদের দুই ছেলেও রয়েছে, নাম তৈমুর আলি খান ও জাহাঙ্গীর আলি খান। অমৃতার সঙ্গে ডিভোর্সের পর, করিনার প্রেমে পড়েন সইফ।

জানেন কি, সইফকে বিয়ে করার জন্য করিনা নাকি নিজের বাবা-মাকেও ‘হুমকি’ দিয়েছিলেন! আসলে বিষয়টি ছিল, করিনা চেয়েছিলেন মিডিয়ার নজর এড়িয়ে একেবারে ব্যক্তিগতভাবে-গোপনে বিয়ে করতে। কিন্তু তাঁর বাবা রণবীর কাপুর ও মা ববিতা কাপুর এতে আপত্তি জানান। ২০১৩ সালে একটি সাক্ষাৎকারে করিনা বলেছিলেন, ‘আমরা বলেছিলাম, যদি আমাদের এভাবে বিয়ে করতে না দেওয়া হয়, তাহলে আমরা লন্ডনে পালিয়ে গিয়ে একাই বিয়ে করে নেব।’
কেরিয়ারের শীর্ষ থাকাকালীন ডিভোর্সি, দুই সন্তানের বাবা সইফকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েও অনেকেই করিনাকে নিরুৎসাহিত করেছিলেন। পরিবার বা কাছের মানুষরা মনে করেছিলেন যে, এতে তাঁর কেরিয়ারে প্রভাব পড়বে। তবে করিনা নিজের সইফকে বিয়ে করার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। ২০১৯ সালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘ভালোবাসা কোনও অপরাধ নয়। কেউ যদি আমার সঙ্গে কাজ করতে না চায় কারণ আমি কাউকে ভালোবাসি বা বিয়ে করেছি, তাহলে না করুক। আমি সেটাই করব, যা আমি করতে চাই। সবাই বলেছিল আমার কেরিয়ার শেষ হয়ে যাবে, কিন্তু আমি মনে করি আমার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।’
১৯৯১ সালে বিয়ে করেছিলেন সইফ আলি খান ও অমৃতা সিং। তখন সইফের বয়স ছিল মাত্র ২১ বছর, আর অমৃতা তাঁর চেয়ে প্রায় ১২ বছরের বড় ছিলেন। তাঁদের দাম্পত্য জীবনে দুই সন্তান জন্মায়— সারা আলি খান ও ইব্রাহিম আলি খান। তবে প্রায় ১৩ বছরের দাম্পত্যের পর ২০০৪ সালে সইফ ও অমৃতার বিবাহবিচ্ছেদ হয়। ডিভোর্সের পর সইফ একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, বিচ্ছেদের সময়টা তাঁর জন্য মানসিকভাবে খুব কঠিন ছিল। তিনি বলেছিলেন, সন্তানদের থেকে দূরে থাকা তাঁকে কষ্ট দিত এবং খোরপোষ নিয়েও নানা আইনি ও আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল তাঁকে। এরপর ২০১২ সালে সইফ আলি খান করিনা কাপুরকে বিয়ে করেন।
তবে সইফ দ্বিতীয় সংসার পাতলেও, অমৃতা দুই সন্তানকে বড় করেন সঙ্গে কাজ। তাঁদের মেয়ে সারা আলি খান বহুবার বলেছেন যে, বিচ্ছেদের পরও তাঁর বাবা-মা আলাদা ভাবে আদর্শ অভিভাবক ছিলেন এবং তাঁরা সন্তানদের ভালোবাসা ও সমর্থন দিয়েছেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


