Parambrata-Debadrita: ‘সাগর’ পরমব্রতর দ্বিতীয় বউ হচ্ছেন দেবাদৃতা, পর্দায় জমাটি রসায়ন, বাস্তবে কত ছোট নায়িকা?
Parambrata-Debadrita Age Gap: পরমব্রত যখন টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠিত তারকা, তখনও জন্মাননি দেবাদৃতা! এখন সেই কন্যেই পরমব্রতর নায়িকা। দুজনের বয়সের ফারাক জানেন?
Parambrata-Debadrita Age Gap: ছোটপর্দায় এখন অসমবয়সী প্রেমের জয়জয়কার। ‘কমলা নিবাস’ ধারাবাহিকে সাগর ও পল্লবীর রসায়ন দর্শকদের মনে ধরেছে গোড়া থেকেই। পরিস্থিতির চাপে পড়ে সাগরের দ্বিতীয় স্ত্রী হতে রাজি হয়েছে পল্লবী (দেবাদৃতা)। পর্দার এই রসায়ন যখন টগবগিয়ে ফুটছে, তখনই নেটপাড়ায় প্রশ্ন উঠেছে— বাস্তবে পরমব্রত আর দেবাদৃতার বয়সের ফারাক ঠিক কত?

পর্দায় বিয়ের পিঁড়িতে
ধারাবাহিকের আসন্ন ট্র্যাকে দেখা যাবে, বাড়ির বড়দের ইচ্ছায় এবং পারিপার্শ্বিক চাপে সাগরের দ্বিতীয় বউ হতে রাজি কমলা ও শ্রীনিবাস কন্যা পল্লবী। একদিকে পরমব্রতর পরিণত অভিনয় আর অন্যদিকে দেবাদৃতার পরিণত ও সংবেদনশীল ইমেজ— এই দুইয়ের মিশেলে ধারাবাহিকের টিআরপি এখন ঊর্ধ্বমুখী।
জানলে অবাক হবেন, এই ধারাবাহিকের সঙ্গে ১৮ বছর পর ছোটপর্দায় ফিরেছেন পরমব্রত। অভিনেতা যখন নিজের টেলিভিশন কেরিয়ার শুরু করেছিলেন তখনও জন্মাননি দেবাদৃতার। হ্যাঁ, ঘাবড়ে গেলেন তো?
বাস্তবে বয়সের ফারাক কত?
বাস্তব জীবনে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় এবং দেবাদৃতা বসুর মধ্যে বয়সের ব্যবধান প্রায় ২০ বছরের! পরমব্রত যেখানে টলিউডের প্রতিষ্ঠিত তারকা এবং ৪৫- এর কোঠায়, সেখানে দেবাদৃতা ছোটপর্দার তরুণ তুর্কি, যাঁর বয়স ২৩-২৪-এর আশেপাশে। তবে অভিনয়ের দক্ষতায় এই ২০ বছরের দেওয়াল কার্যত ভেঙে দিয়েছেন তাঁরা। সেটে তাঁদের বন্ধুত্ব এবং ক্যামেরার সামনে রোম্যান্টিক ইকুয়েশন দেখে বোঝার উপায় নেই যে তাঁদের মধ্যে এত বছরের পার্থক্য।
দর্শকদের প্রতিক্রিয়া
অনেকেই এই জুটিকে ‘ম্যাচিওরড’ বনাম ‘ইনোসেন্ট’ তকমা দিয়েছেন। নেটিজেনদের একাংশ বলছেন, ‘পরমব্রতর গাম্ভীর্য আর দেবাদৃতার ছটফটে ভাব মিলেমিশে এক অদ্ভুত মায়াবী রসায়ন তৈরি করেছে।’ আবার কেউ কেউ মজা করে লিখছেন, ‘বাস্তবে পরমব্রত যখন কেরিয়ার শুরু করেছিলেন, দেবাদৃতা তখন জন্মায়নি’। তবে বিতর্ক যাই হোক, পর্দার ‘সাগর-পল্লবী’ জুটি কিন্তু এই মুহূর্তে বাংলা সিরিয়ালের অন্যতম প্রিয় কাপল।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


