জুহিকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েও খালি হাতে ফিরেছিলেন সলমন! কার মত ছিল না এই সম্পর্কে?
সলমন ও জুহিকে সেভাবে সিনেমার পর্দায় দেখা যায়নি একসঙ্গে। তবে জুহিকে ‘মিষ্টি’ লাগত সলমনের। এমনকী, তাঁর বাবার কাছে গিয়ে প্রেমের প্রস্তাবও দিয়ে এসেছিলেন ভাইজান।
কেরিয়ারের শুরুতেই সলমন খানের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ এসেছিল জুহি চাওলার হাতে। তবে নানা কারণে তা আর হয়ে ওঠেনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জুহির কাছে এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। শুধু তাই নয়, সলমনের একটি পুরনো সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গ টেনেও তাঁর কাছ থেকে জবাব চাওয়া হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মাঝেসাঝেই কিছু পুরনো ভিডিয়ো ভাইরাল হয়ে যায়। এরকমই একটিতে ‘ভাইজান’কে বলতে শোনা যায়, তিনি জুহির বাবার কাছে গিয়ে তাঁর মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ৯০-এর দশকের সেই ভিডিয়োতে সলমন জানান, জুহির বাবা তাঁকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। কারণ হিসেবে অভিনেতা বলেন, ‘বিলে ফিট করেননি।’ উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালে জুহি ব্যবসায়ী জয় মেহতাকে বিয়ে করেন।
সলমনের সেই মন্তব্য প্রসঙ্গে জুহির কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি হেসে জবাব দেন, ‘সেই সময় আমি সবে কেরিয়ার শুরু করেছি, আর তখনও সলমন 'দ্য সলমন খান' হয়ে ওঠেননি। সেই সময় একটি সিনেমা আমার হাতে এসেছিল, যেখানে তিনিই ছিলেন প্রধান অভিনেতা। কিন্তু তখন আমি ইন্ডাস্ট্রিতে কাউকেই চিনতাম না, এমনকী আমি খানকেও নয়। কোনও কারণে সেই ছবিটি আর করা হয়ে ওঠেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজও দেখা হলে সলমন এই বিষয়টি মনে করিয়ে দেওয়ার কোনও সুযোগ ছাড়ে না। মজা করে বলে, 'তুমি তো আমার সঙ্গে সিনেমাটা করোনি।' আমরা খুব কমই একসঙ্গে কাজ করেছি, তবে অনেক স্টেজ শো করেছি। দিওয়ানা মস্তানাতে ওর একটি ক্যামিও ছিল।’
‘দিওয়ানা মাস্তানা’ ছবিতে সলমন ও জুহি একসঙ্গে কাজ করেছিলেন। সেই পুরনো ভিডিয়োতে সলমন জুহিকে ‘খুব মিষ্টি, আদুরে মেয়ে’ বলেও উল্লেখ করেন এবং বলেন, ‘আমি তো ওর বাবাকে জিজ্ঞেসও করেছিলাম, তিনি আমার সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দেবেন কি না!’ বাবার প্রতিক্রিয়া কী ছিল জানতে চাওয়া হলে অভিনেতা জানান, ‘না।’
প্রত্যাখ্যানের কারণ জানতে চাওয়া হলে সলমন বলেন, ‘আমার মনে হয়, বিলটা মানানসই ছিল না।’ সম্প্রতি জুহি চাওলাকে প্রাইম ভিডিও থ্রিলার সিরিজ হুশ হুশে দেখা গিয়েছে। এতে আরও অভিনয় করেছেন আয়েশা জুলখা, সোহা আলি খান এবং সাহানা গোস্বামী। অন্যদিকে, মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে সলমনের বহুল প্রতীক্ষিত ছবি কিসি কা ভাই কিসি কা জান।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


